পডকাস্ট কি? podcast শব্দটি বর্তমানে যদিও জনপ্রিয়তা পেয়েছে, কিন্তু আমাদের বেশির ভাগ মানুষের পডকাস্ট নিয়ে ভাল ধারণা নেই। তাই আমরা জানিনা পডকাস্ট কি এবং কিভাবে পডকাস্ট তৈরি করা যায় কিংবা পডকাস্টিং করে আয় করা যায়।

না জানার কারণে আমরা এমনিতেই প্রায় একযুগ পিছিয়ে গেছি। জনপ্রিয় এমন মার্কেট থেকে নিজেদেরকে সরিয়ে রাখার কোন মানে হয় না। তাই আজ আমরা পডকাস্ট কি এবং কিভাবে পডকাস্টিং শুরু করে আয় করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত জানবো।

পডকাস্ট কি? – what is podcast in Bangla

পড়া, দেখা এবং শোনার মাধ্যমে আমরা নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান, শেয়ার এবং যোগোযোগ করতে পারি। শুধুমাত্র সামনের মানুষের সাথে তথ্য শেয়ার না করে সারা পৃথিবীব্যাপী এসব তথ্য শেয়ার করার জন্য সৃষ্টি হয়েছিল রেডিও, টেলিভিশন। রেডিও সম্প্রচার কিছুটা আধুনিকতা পেয়ে এফএম রেডিওতে আসলো।

কিন্তু টেলিভিশনের ভিডিও কয়েকগুণ মডার্ণ হয়ে ইউটিউব, নেটফ্লিক্স এর মতো প্লাটফরমে। চলমান বর্তমানকে ধরলে লাইকি, টিকটকের মতো প্লাটফরমে ভিডিও বানিয়ে আমাদের সমাজের তারকা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে, যারা নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পেরেছে এমন সহজ প্লাটফরমের কারণে।

ভেবে দেখুনতো, যদি টিকটক না থাকতো তাহলে কত মেধাবী অভিনেতা পর্দার আড়ালে থেকে যেত?

আমাদের আশে পাশের অনেকেই ভাল গান গায়, আবৃত্তি করে আবার ভাল স্ক্রিপ্ট পড়তে জানে, আবেগ ফুটিয়ে তুলতে পারে নিজের ভয়েস দিয়ে।

কিন্তু ভিডিও না বানাতে পেরে ইউটিউবে ছাড়তে পারছে না, তাই থেকে যাচ্ছে পর্দার আড়ালে। ছোট ছোট অডিও বানিয়ে হয়তো প্রিয়জনের মুখে হাসি ফুটিয়েই খুশি থাকতে হচ্ছে। কিন্তু এখন পডকাস্টিং এ আপনার প্রতিভা বিকাশেরও সুযোগ এসেছে।

আমরা যেমন ভিডিও বানিয়ে, আর্টিকেল লিখে বিভিন্ন মাধ্যমে (যেমন- ফেসবুক, ইউটিউব, ব্লগ) শেয়ার করি, ঠিক তেমনি যদি অডিও ফাইল বানিয়ে শেয়ার করা হয়, তবে সেই ফাইলকে পডকাস্ট বলা হয়।

সহজ কথায়, যেকোন ভয়েস রেকর্ড যা অডিও ফরম্যাটে তৈরি করা হয়েছে তাই পডকাস্ট এবং অডিও ফাইল বানিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার করার প্রসেসকে বলা হয় পডকাস্টিং (podcasting)। যিনি পডকাস্টিং করেন তাকে পডকাস্টার (Podcaster) বলা হয়।

আমরা mp3 ফরম্যাটে শুধু গান শুনেই অভ্যস্থ। কিন্তু অডিও ফরম্যাটে যে আরো অনেক কন্টেন্ট ডেলিভারী করা যায়, সবার সাথে শেয়ার করা যায়, এই ধারণাকে বাস্তবায়ন করে পডকাস্ট।

পডকাস্টিং কি? – What is podcasting in Bangla

  • প্রিন্ট মিডিয়া (পত্রিকা, মাগাজিন)
  • ব্রডকাস্ট মিডিয়া (TV, Radio)
  • ইন্টারনেট, প্রভৃতি মিডিয়ার নাম নিশ্চয়ই শুনেছি!

podcasting শব্দটি ipod এবং broadcasting  শব্দ দুটির সমন্বয়ে গঠিত। কনটেন্ট ডেলিভারির নতুন এই মিডিয়াকে Ben Hammersley ২০০৪ সালে পডকাস্টিং নামকরণ করেন।

পডকাস্টিং এবং এফএম রেডিও সম্প্রচারের মধ্যে পার্থক্য কি?

আমরা যারা ৯০ দশকে জন্ম নিয়েছি তারা নিশ্চয়ই রেডিও অনুষ্ঠানের কথা কিছুটা মনে করতে পারি। বর্তমানে এফএম আসায় রেডিও আর কারো হাতে দেখা যায়না। যেকোন ধরনের রেডিও সম্প্রচার করার জন্যই একটা স্টেশন বা স্টুডিও দরকার, সাথে লোকবলের জন্য টিম প্রয়োজন। সেই সাথে প্রয়োজন বিভিন্ন ইন্সট্রুমেন্ট এবং লাইসেন্স।

পডকাস্টিং করার জন্য এমন কোন কিছুরই দরকার নেই। চাইলে নিজেই নিজের রুমকে স্টুডিও বানিয়ে পডকাস্ট তৈরি করতে পারবেন।

রেডিও লাইভ শুনতে হয়। পডকাস্ট লাইভ এবং ডাউনলোড আকারেও শোনা যায়।

পডকাস্ট করে কি লাভ? ( benefits of podcast )

আমরা কেউই কোন কিছু লাভ ছাড়া করি না, আমরা ব্লগিং কেন করি, ইউটিউবে কেন ভিডিও আপলোড করি? এগুলো কনটেন্ট হলে পডকাস্টও কনটেন্ট।

অডিও ফাইল আগেও ছিল, কিন্তু যখন এখান থেকে আয় করার উপায় বের হলো তখন থেকে এর মার্কেটও বড় হতে শুরু করেছে। তাই এখানেও একই লাভ পাবেন। পডকাস্ট করে দুই ধরনের লাভ হয়;

  • পরিচিতি বা ব্রান্ড এবং
  • ঘরে বসে ইনকাম

পডকাস্টিং

আপনার পডকাস্ট যদি জনপ্রিয় হতে শুরু করে তবে আপনিও একজন তারকা হিসেবে সমাজে পরিচিতি পাবেন, নিজেকে ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। লোকেরা আপনার পোডকাস্ট এর জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকবে যেমনটা আমরা আমাদের প্রিয় কোন সিরিয়ালের নতুন রিলিজের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকি।

পডকাস্টিং করে কিভাবে আয় করা যায়?

একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রাম থেকে কতভাবেই না আয় করা যায়। পোডকাস্টেও সব অপশনই খোলা রয়েছে। আয় করার জনপ্রিয় যে মাধ্যমগুলো রয়েছে-

  • ভিজিটরস ভিউ/ডাউনলোড
  • পেইড সাবস্ক্রিপশন
  • স্পনসরশীপ
  • ডিরেক্ট প্রমোশন
  • ভিডিও বানিয়ে আয়

ভিজিটরস ভিউ/ডাউনলোড

প্রাথমিক পর্যায়ে শুরু করার জন্য বিভিন্ন পডকাস্ট শেয়ারিং সাইটগুলোতে আপনার ফাইল জমা দিলে প্রতি ভিউ এবং ডাউনলোডের জন্য আপনাকে কিছু অর্থ দিবে। অডিয়েন্স বৃদ্ধির সাথে সাথে ইনকামও বৃদ্ধি পাবে।

পেইড সাবস্ক্রিপশন

কোন সিরিজ বা আপনার পোডকাস্ট জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করলে সেই সিরিজটাকে বা আপনার পোডকাস্টের জন্য মানথলি সাবস্ক্রিপশন ফি রাখতে পারেন।

মাসিক মাত্র ৫০ টাকা করে ধার্য করলেও যদি মাত্র একলাখ অডিয়েন্স পান তাহলেও মাস শেষে ৫০ হাজার টাকা শুধু সাবস্ক্রিপশন ফি থেকে আসবে।

স্পনসরশীপ থেকে ইনকাম

আপনার অডিয়েন্স বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনার কনটেন্ট বিভিন্ন কোম্পানীর নজরে পড়বে। তারা আপনার সাইটে নিজেদের প্রোডাক্ট প্রোমোট করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে আয় করতে পারবেন।

ডিরেক্ট প্রমোশন থেকে আয়

পডকাস্টের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে এধরনের লোভনীয় প্রস্তাব পাবেন। কোম্পানি, ব্লগ বা ওয়েবসাইটের কোন পন্য আপনার কোন পোডকাস্টের মাঝে সরাসরি অডিয়েন্সের কাছে প্রোমোট করার জন্য অর্থ পাবেন।

ভিডিও বানিয়ে

উপরোক্ত মাধ্যম ছাড়াও আপনার অডিও ফাইলের সাথে ফ্রি স্টক ফটো ব্যবহার করে ভিডিও বানিয়ে ইউটিউব কিংবা ফেসবুকে আপলোড করেও আয় করতে পারেন।

তবে শুরুতেই সবকিছু পাওয়ার আশা করা যাবেনা। নিজের কনটেন্ট কোয়ালিটি এবং অডিয়েন্স বৃদ্ধির কাজ চালিয়ে গেলে টাকার পিছে দৌড়াতে হবে না, টাকাই আপনার ঠিকানা চিনে নিবে।

কিভাবে পডকাস্টিং শুরু করতে হয়?

পডকাস্টিং করার জন্য আপনার পডকাস্ট তৈরি করতে হবে। আমাদের সবার স্মার্টফোনেই ভয়েস রেকর্ডার রয়েছে, মাঝেমাঝেই অডিও ফাইল তো আমরা তৈরি করিই। সুতরাং অডিও ফাইল তৈরি কিভাবে করবেন এটা নিয়ে বলার কিছু নেই।

কিন্তু প্রশ্ন হলো এধরনের অডিও ফাইল কি অডিয়েন্সকে যথেষ্ট ভাল কোয়ালিটি কনটেন্ট ডেলিভারী দিতে পারবে?

উত্তর হলো- অবশ্যই না, এভাবে পডকাস্ট তৈরি করলে নরমাল কোয়ালিটি কনটেন্ট হবে, যা আপনার অডিয়েন্স সৃষ্টি করতে বাধা হয়ে দাড়াবে।

একটি পডকাস্ট তৈরি এবং পাবলিশ করা পর্যন্ত কিছু নির্দিষ্ট কাজ করতে হয়। যেমন-

  • বিষয়বস্তু ঠিক করা
  • কনটেন্ট স্ক্রিপ্ট তৈরি
  • পডকাস্ট বা অডিও ফাইল রেকর্ডিং
  • কনটেন্ট ইডিটিং
  • মিডিয়াতে শেয়ার করা

পডকাস্ট তৈরি করতে কী কী প্রয়োজন?

পূর্বেই বলেছি কনটেন্ট কোয়ালিটি খারাপ হলে চলবে না। শুধুমাত্র শোনার মাধ্যমেই অডিয়েন্সকে আপনার বিষয়বস্তু বুঝতে হবে। কিন্তু আপনার চেষ্টা করতে হবে তারা যেন ফিল করে ব্যাপারটা, সফল হতে হলে এমন এনভাইরনমেন্ট ক্রিয়েট করতে হবে অডিয়েন্স যেন অনুভব করে চোখের সামনেই এসব দেখছেন।

যেহেতু ভয়েস নির্ভর কনটেন্ট, তাই ভয়েস কোয়ালিটি হাই করার চেষ্টা করতে হবে, সাউন্ডে যেন কোন নয়েজ (noise) না আসে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

তাহলে প্রশ্ন আসে, ভাল কোয়ালিটির পডকাস্ট বানাতে কি কি প্রয়োজন?

  • রুম: প্রথমেই এমন একটি জায়গা যেখানে সাধারণত কোন শব্দ আসেনা। যদি এমন জায়গা খুঁজে না পান তবে নয়েজ ফ্রি মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে হবে। নয়েজ ফ্রি জায়গা পেলে যেকোন ভাল মানের মাইক্রোফোন দিয়েই কাজ চালাতে পারবেন তবে স্মার্টফোনের উপর ভরসা করবেন না।
  • একটি ভাল ভয়েস রেকর্ডার: তবে এক্ষেত্রে ভাল স্মার্টফোনের উপর ভরসা করা যায়।
  • একটি ভাল ইডিটিং সফটওয়্যার: প্রাথমিকভাবে Audacity ফ্রি সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন।

পডকাস্ট কোন বিষয়ের উপর তৈরি করবেন?

অডিয়েন্স উপভোগ করতে পারে এমন যেকোন কিছু নিয়েই পডকাস্ট তৈরি করতে পারবেন। তবে সতর্কতার সাথে টপিক সিলেক্ট করতে হবে। পোডকাস্ট সাধারণত সিরিজ আকারে পাবলিশ করা হয় এবং অডিয়েন্স ধরে রাখতে সিরিজ মেইনটেইন করা গুরুত্বপূর্ণ।

তাই বিষয় সিলেক্ট করার সময় অবশ্যই নিজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং ইন্টারেস্টকে মাথায় রেখে নির্বাচন করতে হবে, যেন কিছুদিন পরই টপিক শূন্যতার সৃষ্টি না হয়। জনপ্রিয় পডকাস্ট বিষয়বস্তু হলো –

  • বাংলা ভালবাসার গল্প (bangla love story)
  • মটিভেশনাল speech
  • কমেডি
  • বার্নিং ইস্যু
  • স্পোর্টস
  • গোল টেবিল বৈঠক/বিতর্ক
  • ইন্টারভিউ সেলিব্রেটি গেস্ট
  • শর্ট পডকাস্ট – যেমন: ৫মিনিট পডকাস্ট
  • উদ্যোক্তা ইন্টারভিউ
  • হরর গল্প, ইত্যাদি।

পডকাস্ট কোথায় আপলোড করবেন?

পডকাস্টিং করার জন্য একটি প্লাটফরম প্রয়োজন, যেখানে ফাইল আপলোড করলে অডিয়েন্স আপনার পোডকাস্টটি খুজে পাবে, ডাউনলোড করতে পারবে।

পডকাস্টিং কি

ইন্টারনেটে বর্তমানে বেশ কয়েকটি প্লাটফরম তৈরি হয়েছে যেখানে আমরা নিজেদের পডকাস্টগুলো আপলোড করতে পারি। এরমাঝে কিছু প্লাটফরমে আপলোড করার জন্য টাকা দিয়ে হোস্টিং কিনতে হয়। আপনাদেরকে কিছু জনপ্রিয় সাইটের এড্রেস দিচ্ছি যেখানে ফ্রিতে পডকাস্টিং করে আয় করতে পারবেন।

শুধুমাত্র বাংলাদেশীদের জন্য পডকাস্টিং প্লাটফর্ম-MixedTape (Bangla podcasting app MixedTape for Bangladeshi)। এসব সাইট ছাড়াও আরো অনেক সাইট রয়েছে। তাছাড়া নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকলে বা তৈরি করে সেখানেও আপলোড করতে পারেন।

পডকাস্টের ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা

মানুষ ক্রমশ আরো বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ছে, প্রতিনিয়ত আমরা মাল্টিটাস্কিং হওয়ার চেষ্টা করছি। পডকাস্টের মাধ্যমে আমাদের একটি ইন্দ্রিয় কর্ণ ব্যবহার করেই বিনোদন এবং প্রয়োজনীয় আপডেট পেতে পারি।

তাই এর চাহিদা যে দিন দিন বাড়তে থাকবে তা বলাই যায়। অবস্থা এবং ভবিষ্যত মার্কেট বিবেচনা করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং রেডিও স্টেশন গুলোও পডকাস্টিং শুরু করেছে।

Podcast ২০০৪ সালের দিকে শুরু হয়, ২০০৮ সালে এসে হঠাৎ অডিয়েন্স কমে যায় কিন্তু তারপর থেকে শুধু বৃদ্ধিই পাচ্ছে। ২০০৯ সালে USA তে ২৫ মিলিয়ন অডিয়েন্স ছিলো, ২০১৪ সালে পডকাস্ট অডিয়েন্স ৭৫ মিলিয়নে পৌছায়।

শেষ কথা

পডকাস্ট কি এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন! পডকাস্ট (podcast) বাংলাদেশে তথা দক্ষিন এশিয়াতেই নতুন প্লাটফরম। নতুন যেকোন কিছুতেই প্রতিযোগিতা কম এবং সফলতার হার বেশি থাকে। পডকাস্টিং করে আয় শুরু করতে আপনার তেমন কোন মেজর খরচ বা অধিক সময়ের প্রয়োজন হবে না।

আপনি যদি কোন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, আত্মবিশ্বাস এবং নিজের ভয়েসের উপর আস্থা থাকে তবে আজই পডকাস্টিং (podcasting) শুরু করে নিজের ক্যারিয়ার বা প্যাসিভ ইনকামের পথ তৈরি করতে পারেন।


Abdullah

বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে অধ্যয়নরত। জানার আগ্রহ থেকে whyorwhen এবং Pratiborton এ লেখালেখি করি।

2 Comments

Md Rakibul · জানুয়ারী 5, 2021 at 4:27 পূর্বাহ্ন

পডকাস্ট করতে চাইলে নিজের ওয়েব সাইট থাকা ভালো কী?

    Pratiborton · জানুয়ারী 5, 2021 at 2:28 অপরাহ্ন

    যি অবশ্যই ভাল হয়। তবে যেযেতু পডকাস্ট সম্পর্কে এখনো মানুষ জানেনা,তাই মার্কেটিং জরুরী। এজন্য অন্যন্য সাইটেও পাবলিশ করে অডিয়েন্স বৃদ্ধি করতে পারেন।

মন্তব্য করুন

Avatar placeholder

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 − 4 =

error: Content is protected !!