গ্রাফিক্স ডিজাইন কি? এই প্রশ্ন অনেক যুবক যুবতীর মনেই রয়েছে। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি বহুল আলোচিত নাম। আপনি যদি মেধাবী এবং সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে Graphic Design হতে পারে আপনার জন্য একটি উপযুক্ত পেশা।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয় করা এখন যুবক-যুবতীর-ই প্যাশন। একজন সফল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে আপনার দরকার হবে সামান্য প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং উপযুক্ত অনুশীলন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

গ্রাফিক্স ( graphics ) শব্দটির অর্থ মূলত এমন একটি বাস্তব চিত্রায়ন, যা আমাদের কল্পনাশক্তি এবং অভিব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত।

যেমন আমরা যদি কোন কাল্পনিক চিত্রকর্মকে কোন ব্যাকগ্রাউন্ডে বিভিন্ন বর্ণ বা আকৃতির রেখা কিংবা সাংকেতিক চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করি, সেটিই গ্রাফিক্স। তাছাড়া গ্রাফিক্সে টাইপোগ্রাফিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম।

সুতরাং গ্রাফিক্স ডিজাইন এমন একটি প্রযুক্তিগত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে আপনি আপনার মেধা, কল্পনাশক্তি ও অভিজ্ঞতার সাহায্যে নতুন কোন দৃশ্যমান ছবি বা অবয়ব তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করবে আপনার আপনার চিন্তাধারা ও মতামত প্রকাশের ধরণ এবং বাস্তবজ্ঞান।

আমেরিকান ইন্সটিটিউট অফ গ্রাফিক আর্টস (American Institute of Graphic Arts) অর্থাৎ AIGA এর মতে, গ্রাফিক্স ডিজাইন হল সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি আপনার সুনির্দিষ্ট মতামত, অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনাকে আপনার সৃষ্টিশীলতার সমন্বয়ে কোন দৃশ্যমান বা পাঠ্যগত বিষয়বস্তুর রূপ দিতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর বৈশিষ্ট্য

১। প্রকারভেদ, বৈশিষ্ট্য এবং উদ্দেশ্য অনুযায়ী গ্রাফিক্স ডিজাইন সহজ কিংবা জটিল উভয়ই হতে পারে। Graphic Design এর মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের নিজস্ব লোগো বানানো আপাতদৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও কোন ওয়েবসাইটের পৃষ্ঠাবিন্যাস তুলনামূলকভাবে বেশ জটিলই।

২। Graphic design এ দৃশ্যমান ও বস্তুগত বিষয়াবলি, অক্ষরবিন্যাস সবকিছুই থাকতে পারে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর উদ্দেশ্য

কাজের ধরণ অনুযায়ী Graphic Design এর উদ্দেশ্য দুরকম হতে পারে।
১। বাণিজ্যিক
২। ব্যক্তিগত

আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাদের পণ্যের লোগো বা বিজ্ঞাপন ডিজাইন করেন, সেক্ষেত্রে উদ্দেশ্যটি সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক এবং আর্থিক।

তবে অনেকে তাদের অবসর সময় কাটানো এবং শৈল্পিক সত্ত্বা প্রকাশের পন্থা হিসেবে Graphic Design বেছে নেন। এক্ষেত্রে উদ্দেশ্য সম্পূর্ণই ব্যক্তিগত।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর উপাদান

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সাতটি নির্দিষ্ট উপাদান আছে। সেগুলো নিম্নরূপ;

  1. কালার (color) বা বর্ণ
  2. লাইন (line) বা রেখা
  3. শেইপ (shape) বা আকৃতি
  4. ফরম (form) বা গঠন
  5. সাইজ (size) বা আকার
  6. স্পেইস (space) বা স্থান
  7. টেক্সচার (texture) বা গঠনবিন্যাস

একটি আকর্ষণীয় Graphic Design এর ক্ষেত্রে এই সাতটি উপাদানের সামঞ্জস্যপূর্ণ সমন্বয় অত্যন্ত অপরিহার্য।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর মূলনীতি

কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা যায় জানার আগে এর বেশ কয়েকটি মূলনীতি জেনে নেয়া জরুরি। যেমন;

  • ব্যালেন্স (balance) বা সমতা
  • কনট্রাস্ট (contrast) বা বৈপরীত্য
  • এম্ফেসাইজ (emphasize) বা গুরুত্ব
  • মুভমেন্ট (movement) বা গতিবিধি
  • প্রোপোর্শন (proportion) বা অনুপাত
  • রিদম (rhythm)

প্রযুক্তির জগতে নিজেকে একজন সফল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে এই নীতিগুলো মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। কেননা এই মূলনীতিগুলো একটি ডিজাইনকে শুধু স্থিতিশীলতাই নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও কাঠামোর মাঝে রাখতে সাহায্য করে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রকারভেদ

উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। এদের মাঝে কোন প্রোডাক্ট বা পণ্যের ডিজাইন, ব্র্যান্ডিং ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন, প্রিন্ট ডিজাইন, অ্যানিমেশন বা মোশন গ্রাফিক্স (Motion graphics) ডিজাইন, পাবলিশিং ডিজাইন ইত্যাদি অন্যতম।

১। প্রোডাক্ট ডিজাইন

আপনি যদি কোন সংস্থা বা প্রকল্পের পক্ষ থেকে তাদের পণ্যের বিপণন সম্পর্কিত গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে বেশকিছু প্রাথমিক ধাপের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। যেমনঃ

ক) একজন প্রোডাক্ট ডিজাইনার হিসেবে প্রথমেই আপনার দরকার সেই নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান। শুধু তাই নয়, সেই পণ্যটি কীভাবে একজন গ্রাহকের চাহিদার কারণ হয়ে উঠতে পারে সে সম্পর্কে একটি বাণিজ্যিক ধারণাও থাকা উচিৎ।

খ) পণ্যের চূড়ান্ত বাজারজাতকরণের আগে আপনাকে প্রাথমিকভাবে সেই পণ্যের ডিজাইন সম্পর্কিত ইলাস্ট্রেশন কিংবা স্যাম্পল বানাতে হবে, যার মধ্যে পণ্য বাজারজাতকরণ, বিপণন ছাড়াও পণ্যটিকে একজন গ্রাহকের কাছে আকর্ষণীয় করার উদ্দেশ্য নিহিত।

প্রোডাক্ট ডিজাইনের ক্ষেত্রে কিছু স্কিল (skill) বা দক্ষতা দরকার। সেগুলো নিম্নরূপ;

  • প্রোটোটাইপিং (prototyping)
  • মার্কেট রিসার্চিং (market researching)
  • থ্রিডি মডেলিং (3D modeling)

২। ব্র্যান্ডিং ডিজাইন

কোন প্রোডাক্টের ব্র্যান্ডিং ডিজাইন এর মাধ্যমে সেই প্রোডাক্টের প্রোমোটিং ট্যাগলাইন বা বিপণন বার্তা গ্রাহকদের কাছে পৌছে দেয়া হয়। এর ফলে প্রোডাক্টটির সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রকল্পের একটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য পূরণ হয়।

ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের ক্ষেত্রে মার্কেট রিসার্চিং ছাড়াও ব্র্যান্ডিং ডিজাইনারদের মধ্যে শক্তিশালী টিমওয়ার্ক এবং কম্যুনিকেশন স্কিলের সমন্বয় দরকার।

৩। ওয়েবসাইট ডিজাইন

আমাদের দৈনন্দিন প্রযুক্তিগত জীবনে আমরা ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় প্রতিনিয়তই নানান ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারছি, কিংবা ডাউনলোড করছি বিভিন্ন অ্যাপ। এই ওয়েবসাইট বা অ্যাপগুলোর নান্দনিকতার পেছনেও কিন্তু রয়েছে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারেরই অবদান।

ওয়েবসাইট ডিজাইন এর ক্ষেত্রে ডিজাইনারকে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন (user experience design) বা (UX) সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান থাকতে হবে, যাতে করে ডেক্সটপ কিংবা যেকোন মোবাইল ডিভাইসেই ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ/সফটওয়্যার ব্যবহারে সুবিধা হয়।

ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন সম্পর্কিত গাইডলাইনের মাধ্যমে একজন ডিজাইনার একটি সহজবোধ্য, আকর্ষণীয় এবং এসইও ফ্রেন্ডলি (SEO friendly) ডিজাইন তার গ্রাহককে উপস্থাপন করতে পারেন, সেটা হতে পারে ডিজিটাল ডিজাইন (অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের ডিজাইন) কিংবা কোন প্রিন্ট ডিজাইন (বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপন বা প্রচারপত্র)।

ওয়েবসাইট ডিজাইনের ক্ষেত্রে যেসকল স্কিলের প্রয়োজন হয় সেগুলো নিম্নরূপ;

  • ব্র্যান্ডিং স্কিল (branding skill)
  • ইউএক্স ডিজাইন স্কিল (UX designing skill)
  • ওয়্যারফ্রেমিং (wireframing)
  • বেসিক কোডিং স্কিল (basic coding)

৪। প্রিন্ট ডিজাইন

বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তির আধিপত্যের কারণে ডিজিটাল ডিজাইন শীর্ষস্থানে থাকলেও প্রিন্ট ডিজাইনও তেমন পিছিয়ে নেই। কোন সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের বিজনেস কার্ড, বিলবোর্ড, প্রচারপত্র ছাড়াও তাদের নিজস্ব প্রতীক বা লোগো সম্বলিত মগ, টিশার্ট, স্টেশনারি আইটেম ইত্যাদি স্যুভেনির ডিজাইনেও নিজেদের মুন্সীয়ানা দেখাচ্ছেন গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা।

গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার উপায়

প্রিন্ট ডিজাইন এ সাফল্য গড়তে হলে লেআউট ডিজাইন (layout designing) এবং ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন রঙের ব্যবহার সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা জরুরি।

৫। পাবলিশিং ডিজাইন

কোন বই বা ম্যাগাজিন পাবলিশিং এর ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি অপরিহার্য নাম। বই বা ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ এবং পাতায় পাতায় থাকা বিভিন্ন নজরকাড়া নকশা বা অলঙ্করণ যত নান্দনিক হয়, ততোই সেই বই পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়।

আধুনিক ও উন্নতমানের পাবলিশিং ডিজাইন এর ফলে কোন ম্যাগাজিন বা বইয়ের ক্ষেত্রে “বেস্টসেলার” তকমা জুটে যাওয়াও অসম্ভব কিছু নয়।

বই/ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের পাশাপাশি যেকোন ই-বুকের লেআউট ডিজাইন, নন-ফিকশন বইয়ের অলঙ্করণও পাবলিশিং ডিজাইনের আওতায় পড়ে।

৬। অ্যানিমেশন বা মোশন Graphic Design

অ্যানিমেশন ডিজাইন এর ক্ষেত্রে একজন ডিজাইনার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক, ইউটিউব), গণমাধ্যম (টেলিভিশন, চলচ্চিত্র) এর জন্য বিভিন্ন কার্টুন, অ্যানিমেশন/মোশন ভিডিও এবং ভিডিও গেমস এর গ্রাফিক্স ডিজাইন করে থাকেন।

একজন অ্যানিমেশন ডিজাইনার তার প্রাথমিক পর্যায়ে আঁকা বেশকিছু রাফ স্কেচিং থেকেই একটি চূড়ান্ত অ্যানিমেশন বা মোশন ভিডিও তৈরিতে সক্ষম হন।

সেক্ষেত্রে দরকার দলবদ্ধতার পাশাপাশি মানসিক দক্ষতা ও সৃজনশীলতার সমন্বয়। এছাড়া স্টোরিবোর্ডিং ও (Storyboarding) অ্যানিমেশন ডিজাইনিং এর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্কিল।

এ পর্যায়ে এসে আপনার মনে এই প্রশ্ন জাগতেই পারে যে “একজন ডিজাইনার হিসেবে কোন ধরণের গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্যারিয়ারের জন্য মানানসই?” সেক্ষেত্রে আপনার নিজের দক্ষতা, শখ এবং নিজস্ব পছন্দের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়া বাঞ্ছনীয়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার

একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যদি আপনি ক্যারিয়ার শুরু করতে চান, সেক্ষেত্রে প্রথমে আপনার দরকার হবে ফুলস্পিড ইন্টারনেট কানেকশনযুক্ত একটি পার্সোনাল কম্পিউটার এবং আনুষঙ্গিক কিছু সফটওয়্যার।

এদের মধ্যে বর্তমান সময়ে অন্যতম পাঁচটি গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার এর নাম তুলে ধরছি;

১। Adobe Creative Suite

এই সফটওয়্যার বান্ডলটির মাঝে আপনি পেয়ে যাচ্ছেন গ্রাফিক্স ডিজাইন এর বেশ কয়েকটি উপকারী সফটওয়্যার। এগুলোর মাঝে Adobe photoshop, Adobe InDesign, Adobe illustrator ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

২। Affinity Designer

Adobe illustrator এর তুলনায় বেশ সহজলভ্য এই গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যারটিতে রয়েছে ভার্সেটাইল গ্রিড সিস্টেম (versatile grid system), Accurate zoom Feature এর সুবিধা।

৩। Inkscape

যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনয়ে একেবারেই নতুন, কিংবা শখের বশে Graphic Design শুরু করতে চান, তাদের জন্য এই সফটওয়্যারটি বেশ কাজের।

আরেকটি সুবিধা হলো, আপনি যদি Adobe photoshop বা Adobe illustrator এ দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে Inkscape এক্সেস করা আপনার জন্য ব্যাপারই না।

৪। GNU Image Manipulation Program (GIMP)

এই দারুণ Graphic design সফটওয়্যারটিকে নিয়ে বলে শেষ করা যাবেনা। এতে রয়েছে বিনামূল্যেই অনেক ফটোশপ ফিচার এক্সেস করার সুযোগ। এছাড়াও যারা কোডিং এ পারদর্শী, তারা এই সফটওয়্যারটিকে তাদের মনমত কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন।

এর আরেকটি সুবিধা হল, এটি windows ছাড়াও Linux, macOS, BDS ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেমে ইন্সটল করা যায়।

৫। Xara Designer Pro X

তুখোড় কর্মদক্ষতার অধিকারী এই গ্রাফিক্স ডিজাইনিং সফটওয়্যারটিতে আপনি পাচ্ছেন ওয়েবসাইট এবং প্রিন্ট ডিজাইন এর জন্য বেশকিছু নান্দনিক ইলাস্ট্রেশন টুলস।

এছাড়াও এই সফটওয়্যার থেকে আপনি ড্রপবক্স (Dropbox) এবং গুগল ড্রাইভে যেকোন ফাইল sync ও করতে পারবেন।

শেষ কথা

গ্রাফিক্স ডিজাইন শুধু একজন ডিজাইনারের নিজস্ব দক্ষতা ও সৃজনশীল আইডিয়া উপস্থাপনের মাধ্যমই নয়, বরং হাজারো বেকার মেধাবী যুবকের কর্মসংস্থানের একটি সুদৃঢ় পথও বটে। এক্ষেত্রে শুধু নিজের কর্মনিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান প্রয়োজন।

আশা করি, আমাদের আজকের আলোচনার মাধ্যমে দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং  কিভাবে একজন Graphic Designer হওয়া যায় সেসম্পর্কে জানতে পেরেছেন।


Nadia Afroz

I am a graduate of department of English from East West University. Academic writing, free writing are my basic skills. Besides, cooking, watching cooking shows and reading books are my hobbies.

0 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।