আপনি কি গুগল থেকে অনলাইনে আয় করার কথা ভাবছেন? কিন্তু সঠিক নিদের্শনার অভাবে কাজ শুরু করতে পারছেন না? হতাশ হবেন না। এই সমস্যা আজকে আপনার একার নয়। আপনার মত অনেকই এখন অনলাইনে এই প্রশ্নের উত্তর খুজে বেড়াচ্ছে। গুগল থেকে অনলাইনে আয় করার ব্যপারে অনেকেই শুধু শুনে গেছেন। কিন্তু বেশিরভাগ লোক এখনও জানে না কিভাবে Google থেকে টাকা আয় করা যায়?

তাই আজকে আমাদের আয়োজন আপনাদের জন্য, যারা অনলাইনে অনেক খোজার পরও টাকা কামানোর একটি সঠিক গাইডলাইন পাচ্ছেন না। কিভাবে গুগল থেকে অনলাইনে আয় করা যায় খুঁজে পাচ্ছেন না। চলুন এই প্রশ্নের উত্তরটি জেনে আসি আমাদের এই লেখার মধ্যে।

বর্তমানে বিপুল সংখ্যক মানুষ অনলাইনে ইনকাম করার দিকে ঝুকে পড়েছে। কারন অনলাইনে মানুষ ঘরে বসেই নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আয় করার সূযোগ পাচ্ছে। আর কেউ আপনাকে এই সূযোগ দিচ্ছে না। তবে অনলাইনে কোনো কিছু আয় করা এতটাই সহজ নয়।

আপনি যদি অনলাইনে টাকা উপার্জন করাকে ছেলের হাতের মোয়া মনে করে থাকেন, তাহলে আপনার শুরুটাই ভুল৷ অলাইনে টাকা আয় করার উপায় এবং  সেগুলোর সঠিক নিয়ম জানতে হবে। নয়ত আপনার জন্য অনলাইনে টাকা ইনকাম করা সহজ হবে না।

অনেকে সঠিক দিক নির্দেশনা পেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আবার অনেকে প্রতিনিয়ত অনলাইন থেকে আয় করার উপায় গুলো শুধু খুঁজেই যাচ্ছেন।

কিন্তু কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন সঠিক নিদের্শনার অভাবে কোনো কুল কিনারা পাচ্ছেন না। ধৈর্য্য ধরে কোনো নিদের্শনাই মেনে চলছেন না।

আপনি কি মরুভূমির পথিকের মত না ঘুরে সত্যিই অনলাইনে আয় করতে চান? তাহলে আজকের লেখাটি ধৈর্য্য ও মনযোগ সহকারী পড়তে হবে।

বর্তমানে অনলাইন থেকে আয় করায় সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য প্লাটফর্ম কোনটি জানেন? গুগুল।  পুরো পৃথিবীতে অনেক মানুষ গুগল থেকে আয় করে নিচ্ছে বিপুল পরিমাণ টাকা৷

Google থেকে টাকা আয় করুন

গুগলের অনলাইন জবগুলো সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য আর্নিং প্লাটফর্ম। গুগল পুরো পৃথিবীব্যপী প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা পেমেন্ট দিচ্ছে।  শুধুমাত্র ডেভেলপার্স, কন্টেন্ট পাবলিশার্স এবং ভিডিও ক্রিয়েটরদেরকে।

এছাড়াও গুগল থেকে অনলাইনে টাকা আয় করার আরো অনেক উপায় রয়েছে। মানুষ সেগুলোকেই কাজে লাগিয়ে ইনকাম করে নিচ্ছে। আপনিও কি তাদের একজন হতে চান? আপনার মধ্যে তীব্র ইচ্ছাশক্তি এবং কাজ করার প্রতি মনোবল রাখুন।

এদের মধ্যে একজন হতে হলে আপনাকে জানতে হবে গুগল থেকে অনলাইনে আয় করার উপায়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না কিভাবে Google থেকে টাকা আয় করা যায়?

আপনি কি গুগল থেকে অনলাইনে আয় করার ব্যাপারে দৃড়প্রতিজ্ঞ? তাহলে আমাদের আজকের এই লেখাটি অবশ্যই আপনাকে সাহায্য করতে পারবে। এর জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরে লেখাটি পড়তে হবে। পাশাপাশি আয় করার জন্য  যথাযথ পদক্ষেপ অবশ্যই  নিতে হবে৷

গুগল কি?

গুগলে থেকে কিভাবে আয় করা যায় ভাবছেন? কিন্তু গুগল সম্পর্কেই অনেকের সঠিক ধারনা নেই। তাহলে এই নড়বড়ে অভিজ্ঞতা থেকে গুগলে আয় করা সহজ হবে না। তাই গুগল থেকে আয় করতে যাওয়ার আগে জেনে নিন গুগল কি? এর কাজ কি?
গুগল নামের মানে কি? আপনার মনে এই প্রশ্ন আসতেই  পারে।আসলে গুগল শব্দের আবিধানিক মানে নেই।

গুগল নামটি মূলত এসেছে গাণিতিক হিসাবের  গোগল (googol) কে  ভুল করে লেখার মাধ্যমে। যার অর্থ  দাড়ায়  ১ এর পর একশোটি শূন্য। তবে গুগলের কাজকর্ম মেটেই হিসাব নিকাশে সীমাবদ্ধ নয়। এর কাজের পরিসর অনেক বৃহৎ।

গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এবং সের্গেইব্রিন এই প্রতিষ্ঠানের সবার আগে নাম দিয়েছিলেন ব্যাকরাব। অর্থাৎ  যে পদ্ধতিতে একটি ওয়েবসাইট আরেকটি ওয়েবসাইটকে খুঁজে বের করে। সেগুলোর পূর্ববর্তী  লিংকের ওপর নির্ভর করে ওয়েবপেইজে র‍্যাংকিং নির্ধারণ করে।

গুগল আসার আগে আপনার দৈনন্দিন জীবনের কথা কি আপনি মনে পড়ে? তখন আপনি কি  করতেন? হঠাৎ করে যখন  আপনার তাড়াতাড়ি কোন বিষয়ে তথ্য খুঁজে বের করতে হত?

আপনি জানেন কি? প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৪০ হাজার অনুসন্ধানের জবাব বের করে দেয় গুগল। অর্থাৎ, প্রতিদিন  সাড়ে তিন বিলিয়ন অনুসন্ধান (ফোর্বসের হিসাব)।

গুগল থেকে কি সত্যিই টাকা আয় করা যায়?

আপনার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন আসছে গুগল থেকে কি সত্যিই আয় করা যায়? আজকাল অনালইনের মিথ্যা ও ধোঁকাবাজির ফাঁদে অনেকেই তাদের মূল্যবান সময় ও শ্রম নষ্ট করছে।

তাই অনেকেই অনলাইনে কাজ করতে সংশয় বোধ করেন৷আপনার এই দ্বিধাগ্রস্ত হবার ব্যাপারটি আমরা বুঝতে পারছি। এইজন্যই কিভাবে গুগল থেকে আয় করা যায় সেটি জানার আগে আমরা আপনাকে বলব গুগল থেকে সত্যিই আয় করা যায় কিনা।

গুগলের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা সম্পর্কে আমাদের খুব কমই ধারনা আছে। আপনি কি জানেন? জিমেইল, গুগল ম্যাপস, গুগল ড্রাইভ, গুগল ক্রোম এসব মৌলিক প্লাটফর্ম ছাড়াও ২০১০ সাল থেকে গুগল প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একটি করে কোম্পানির মালিক হচ্ছে।

আর পুরো পৃথিবী জুড়ে লাখ লাখ মানুষ অন্ধের মত বিশ্বাস করে কাজ করে যাচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে।আপনি হয়ত জানলে অবাক হবেন অ্যান্ড্রয়েড,ইউটিউব, ওয়ায, অ্যাডসেন্স-এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক গুগল।

এছাড়াও এরকম আরো সত্তরটি কোম্পানি রয়েছে গুগলের।  এতসব ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র আপনার গুগলের বিশ্বস্ততা সম্পর্কে ধারনা দেয়ার জন্য।

গুগল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা ও গুগলের বিশ্বস্ততা সম্পর্কে জানলেন। এবার আপনার অবশ্যই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে গুগল থেকে আয় করা লাভজনক হবে কিনা?

গুগল  থেকে আয় করা কতটুকু লাভজনক?

এই প্রশ্নের জবাব জানতে আমাদেরকে গুগল সম্পর্কে আরেকটু বিস্তারিত জানতে হবে।

আমি বলব অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও লাভজনক  প্রতিষ্ঠানই হচ্ছে গুগল।  আপনি একটু লক্ষ করে দেখুন। অনলাইনে আয়ের সেক্টরগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই কোন না কোন ভাবে এই গুগলের সাথে যুক্ত। অনলাইনে  টাকা আয় করতে চাইলে গুগল সম্পর্কে ধারনা রাখার গুরুত্ব আপনি বুঝতেই পারছেন।

এর পর আসে গুগল থেকে আয় করা কতটুকু লাভজনক? অলাইন বিজ্ঞাপন, সার্চ ইঞ্জিন, সফ্টওয়্যার, হার্ডওয়্যার, ক্লাউড কম্পিউটিং(web hosting)  আরো বিভিন্ন ধরনের প্রডাক্ট গুগলের রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলোর মধ্যে গুগলকে ধরা হয়।

গুগলের এমন অনেক অনলাইন সার্ভিস রয়েছে যেগুলো দিয়ে আপনি ঘরে বসেই  আয় করতে পারেন। সাধারণত কাজের মান ও প্লাটফর্মের ভিত্তিতে  গুগল থেকে প্রতিদিন  $10-$100 আয় করা সম্ভব।

আর কাজের পরিসর বড় হলে এর থেকেও বেশি আয় সম্ভব।আপনি গুগল থেকে কত  আয় করতে পারবেন তা প্রকৃতপক্ষে  নির্ভর করে আপানার উপর। আপনার কাজের দক্ষতা ও পরিশ্রমের উপরে।

গুগল থেকে অনলাইনে আয় করার উপায়

আপনি কি গুগল থেকে অনলাইনে  আয় করার ব্যাপারে দৃড়প্রতিজ্ঞ? তাহলে আপনার দক্ষতা ও আগ্রহকে কাজে লাগান। আমরা আপনার সামনে তুলে ধরছি কিভাবে গুগল থেকে আয় করা যায়?

ব্লগিং (blogging) করে আয়

ব্লগ শব্দটির সাথে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। এটি এমন একটি পদ্ধতি যা কারো কারো জন্য  অনলাইন থেকে আয় করার একটি উপায়। আবার কারো কারো জন্য ব্লগ হচ্ছে অনলাইনে কিছু জানা বা শেখার প্লাটফর্ম।

ব্লগিং করে আয় করার উপায় সম্পর্কে জানতে চান৷ তাহলে আপনাকে আগে ব্লগিং সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারনা রাখতে  হবে।

সহজ কথায় বলতে গেলে ব্লগ হচ্ছে আপনার একটি অনলাইন ডায়েরীর মত। এখানে আপনি আপনার মনের মত টপিকে লিখতে পারেন।  শেয়ার করতে পারেন পুরো পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষের সাথে। আপনার জ্ঞান কে ছড়িয়ে দিতে পারেন বিশ্বব্যপী।

Google adsense থেকে টাকা আয়

এতে করে আপনার আয়ের উৎস ও তৈরী হবে। আবার  সাধারণ মানুষও উপকৃত হবে আপনার দেয়া মূল্যবান তথ্য থেকে।

অনলাইন থেকে আয় করার জন্য ব্লগিং আজকাল অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। ইন্ডিয়া,  চায়না,  ইউএস এর মত দেশের লোকেরা ব্লগিং কেই নিজেদের একমাত্র ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে এবং আয় করছেন লাখ লাখ টাকা।

ব্লগিং করে ব্লগাররা  নিজের  জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে।  পাশাপাশি  নিজের জ্ঞান  অন্যের দ্বার পর্যন্ত পৌছে দিয়ে পুরো পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষকে সাহায্য করতে পারছে। এই জন্যই ব্লগিং করে আয় করার পরিসর দিন দিন এত বড় হচ্ছে।

কিভাবে ব্লগিং (blogging) শুরু করবো? 

আমাদের জানা হয়ে গেল ব্লগিং বিষয়টা আসলে কি৷ এবার আমরা জানবো কিভাবে ব্লগিং করবো।

গুগল থেকে আয় করতে চাইলে সবচেয়ে আগে নাম আসবে ব্লগিং এর।  ব্লগিং শুরু করতে চাইলে প্রথমেই যেসব জিনিস গুলোর দরকার পড়বে তা হল – কম্পিউটার বা ল্যাপটপ,  কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান, ব্লগ প্রকাশের জন্য একটি প্লাটফর্ম অর্থাৎ ব্লগিং সাইট। 

এছাড়াও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যে বিষয়ে লিখতে চান সে বিষয়ে সঠিক ধারনা। সে বিষয়ে লেখার অভিজ্ঞতা। এরপর আপনার দরকার পড়বে প্রচুর ট্রাফিক অর্থাৎ আপনার ব্লগের ভিজিটরস।

অনলাইন এরকম অনেক প্লাটফর্ম আছে যারা আপনাকে ফ্রী ব্লগ তৈরী করার সুযোগ করে দিবে। এখন আপনি ব্লগিং করে আয়  শুরু করার চিন্তা করছেন? তাহলে আগে এসব প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা নিয়ে নিন।

একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরী করতে আমাদের কিন্তু ডোমেইন খরচ এবং হোস্টিং খরচ পড়ে যায়। কিন্তু গুগলের একটি প্লাটফর্ম Blogger থেকে আপনি কিন্তু সহজেই ফ্রী ব্লগ সাইট তৈরী করে নিতে পারবেন।

ব্লগিং কেন করবেন? ব্লগিং করা কতটুকু লাভজনক?

অনলাইনে গুগল থেকে টাকা আয় করার জন্য  ব্লগিং অন্যতম লাভজনক একটি উপায়। কারন শুরু করতে আপনার টাকার থেকে বুদ্ধির প্রয়োজন।  আপনি চাইলে প্রাথমিকভাবে কোনো প্রকার ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াও শুরু করে দিতে পারেন ব্লগিং। আর আয় করতে পারেন হ্যান্ডসাম একাউন্টের টাকা৷

বর্তমানে স্টুডেন্ট,  চাকুরীজীবি সকল স্তর থেকেই অনেক মানুষ ব্লগিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে।  কেউ হয়ত ফুল টাইম আবার কেউ হয়ত পার্টটাইম কাজ করে ইনকাম করছে।

সঠিক ও মানসম্মত কাজ থেকে আপনি ব্লগিং করে প্রতিমাসে আয় করতে পারেন প্রায় ১০০ থেকে ৫০০ ডলার পর্যন্ত। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন টাকার পরিমাণ  কত বেশী৷

এজন্য আপনার প্রয়োজন অদম্য ইচ্ছা শক্তি এবং মানসম্মত কন্টেন্ট লেখার অভিজ্ঞতা।  বাকি ব্যবস্থা আপনি নিজেই করে নিতে পারবেন। অবশ্যই  যদি আপনি ব্লগিং করে আয় করার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর হয়ে থাকেন।

কিভাবে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করবেন

১. প্রথমেই   আর্টিকেল পাবলিশ করার জন্য প্রয়োজন হবে একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট এর। আপনি কি কোনো রকম খরচ ছাড়াই ব্লগিং ওয়েবসাইট পেতে চান?

তাহলে, সবার আগে গুগলের (goggle) এর Blogger.com ওয়েবসাইট এ গিয়ে একটি  ওয়েবসাইট তৈরী করতে হবে৷  এরপর নিজের ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নেম বেছে নিতে হবে।

২. নিজের ব্লগের জন্য একটি  খুবই simple,  lightweight এবং fast একটি থিম বা  টেম্পলেট বেছে নিন।

৩. মানসম্মত কন্টেন্ট এর আর্টিকেল পাবলিশ করুন। আপনার ব্লগের লেখা গুলো অবশ্যই সময়োপযোগী হতে হবে।  ব্লগের কন্টেন্ট খুবই ইউনিক ও high quality  রাখার চেষ্টা করুন।

৪. প্রচুর ট্রাফিক অর্থাৎ ভিজিটর্স নিয়ে আসুন। এর জন্য অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন

৫. আপনার লেখা গুলো Google এ  rank করানোর চেষ্টা করুন।  গুগলে rank করতে চাইলে অন পেইজ এসইও (on page SEO) এবং অফ পেইজ এসইও (off page SEO) ভাল করে করতে হবে।

৬. আপনার ব্লগে ভাল পরিমাণ  অর্গানিক ট্রাফিক আসা শুরু করলে গুগল অ্যাডসেন্স (Goggle  Adsense) এর approval এর জন্য আবেদন করুন।

৭. গুগল অ্যাডসেন্স (Goggle adsense) থেকে approval আপনার ব্লগে বলে বিজ্ঞাপন (ads) দেখিয়ে ইনকাম করতে পারেন।

৮. আপনার ব্লগে যদি প্রচুর পরিমান অর্গানিক ভিজিটর্স থাকে তাহলে কিন্তু আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) করেও থেকে অনলাইনে  আয় করতে পারবেন।

এভাবে আপনি আপনার লেখালেখির দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ব্লগিং করতে পারবেন।  এবং গুগল থেকে ব্লগিং ও গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, যদি এডসেন্স না পাই? উত্তর হলো এটা কঠিন কিছু নয়। সঠিক নিয়মে ব্লগিং করলে এবং এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম অনুুসারে আবেদন করলে দ্রুত এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া যায়। তারপরেও না পেলে এডসেন্স বিকল্প এড নেটওয়ার্ক তো রয়েছেই।

গুগল এডমব থেকে টাকা আয়

একটা জিনিস কি আপনি লক্ষ করেছেন?  মোবাইলে থাকা অ্যাপস (apps) গুলো কিন্তু  অনলাইনে  থাকা অবস্থায় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন (ads) শো করে।

গুগল এডমব থেকে টাকা আয়

আর এই বিজ্ঞাপন গুলো থেকেই কিন্তু অ্যাপস এর ডেভেলপাররা  প্রচুর টাকা ইনকাম করে।  আপনিও কি তাদের মত একজন হতে চান? গুগল প্লে স্টোর থেকে আয় করতে চান? তাহলে জেনে নিন নিচের তথ্য গুলো।

গুগল প্লে স্টোর (goggle play store) কি?

goggle play store হচ্ছে  গুগলেরই একটি প্রডাক্ট (product)  বা সেবা (service)। এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা প্লে স্টোর থেকে পছন্দ মত যেকোনো অ্যাপস ডাউনলোড করে নিতে পারে।

গুগল প্লে স্টোরে আপনার দরকারী প্রায় সকল বিষয়ের এন্ড্রয়েড অ্যাপস পেয়ে যাবেন। এখানে অনেক ফ্রী কিংবা পেইড অ্যাপস রয়েছে যা খুব সহজেই মোবাইলে ডাউনলোড করা যায়, ব্যবহার করা যায়।

আর এখানেই অ্যাপস ডেভেলপারদের ইনকাম হয়। চাইলে আপনিও হতে পারেন তাদের একজন।

কিভাবে গুগল এডমব থেকে আয় করা যায়?

আপনি হয়ত নিজের এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে প্রতিদিন নানা রকমের অ্যাপস ব্যবহার করেন, বেশিরভাগ অ্যাপসেই দেখবে বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে। গুগল প্লে স্টোর থেকে আয় করার জন্য গুগলের যে সার্ভিসটি রয়েছে সেটি হচ্ছে এডমব (admob)।

গুগল প্লেস্টোর থেকে যখন মানুষ আপনার অ্যাপসটি ডাউনলোড করবে তখন আপনার অ্যাপসে ব্যবহারকারীকে অ্যাডগুলো দেখানো  হবে।

আর ব্যবহারকারীরা এই অ্যাডগুলো দেখার কারনেই আপনার আয় হবে৷ অর্থাৎ যত বেশি ডাউনলোড তত বেশি বিজ্ঞাপন ভিউ। এবং তত বেশি ইনকাম৷

গুগল এডমব থেকে ইনকাম করার জন্য আপনার নিজস্ব অ্যাপ থাকতে হবে, যেখানে অ্যাড প্রদশর্ন করিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

গুগল এডমব থেকে ইনকাম করতে হলে কি  করতে  হবে?

প্লে স্টোর থেকে আয় করতে হলে এই পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করুন:

১. সবার আগে একটি বিষয় সিলেক্ট করুন, যেটির উপরে apss তৈরী করতে চান। অবশ্যই মনে রাখবেন দরকারী ও সময়োপযোগী apss এর  ডিমান্ড কিন্তু বেশি হবে৷

২. এখন একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরী করতে  হবে।

৩. গুগল এডমব এ গিয়ে এখন একটি একাউন্ট তৈরী করতে হবে৷

৪. আপনার অ্যাপস এ admob এর দ্বারা  বিজ্ঞাপন যুক্ত করতে হবে।

৫. এবার নিজের অ্যাপসটি গুগল প্লে স্টোরে  পাবলিশ করতে হবে।

৬. তবে পাবলিশ করার আগে Goggle play console এ একটি একাউন্ট করতে হবে।  sign up করতে $25 দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এই টাকাটা মূলত গুগল পাবে।

৭. এবার যত পারেন সোশাল মিডিয়া,  ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহার করে নিজের অ্যাপস এর  প্রমোশন করুন।

৮. যত বেশি ডাউনলোড হবে তত বেশি এড ভিউ হবে, আর আপনার ইনকামও বেশি হবে।

এভাবেই গুগল প্লে স্টোর থেকে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে টাকা আয়

Google থেকে আয়

গুগল থেকে আয় করার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ইউটিউব।  ইউটিউব জুড়ে এখন নতুন নতুন কন্টেন্ট  ক্রিয়েটরদের রাজত্ব।  একে তো জনপ্রিয়তা তার উপর মানসম্মত কন্টেন্টের ভিত্তিতে আয়ও তেমন।

ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য আপনার অবশ্যই মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হবে। সময়োপযোগী আর ইউনিক কন্টেন্টই আপনার সারাজীবনের ব্যয় বহন করার মত ইনকাম নিয়ে আসবে।

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায়

১. সবার আগে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরী  করুন। এর সুন্দর এবং ইউনিক একটি নাম দিন।

২. চ্যানেলের logo, channel art এবং description এসব কিছু settings এ গিয়ে ঠিক করে নিন৷

৩. এবার আপনার চ্যানেলের জন্য মানসম্মত ও  সময়োপযোগী কন্টেন্ট এর ভিডিও তৈরী করুন। ভিডিওগুলো যেন মানুষের জন্য দরকারী হয়,  মানুষের দরুন ভাললাগে। এতে করে আপনার চ্যানেলের subscribers বৃদ্ধি পাবে ও  ভিডিওর viewers বাড়বে

৪. ভিডিওতে সঠিক tittle ও description ব্যাবহার করুন।

৫. আকর্ষণীয় thumbnail ব্যবহার করুন।

৬. আপনার চ্যানেলে ৪০০০ ঘন্টার ওয়াচটাইম ও ১০০০ subscriber দরকার হবে। এতে করে আপনি goggle adsense এর monetization এর জন্য  আবেদন করতে পারবেন।

৭. ইউটিউবের নিয়ম কানুন মেনে ভিডিও  আপলোড করুন৷ তাহলে আপনি অবশ্যই Adsense approval পাবেন।

৮. এর পর আপনার ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে।

৯. আপনার ভিডিওতে যত ভিউ হবে তত  বিজ্ঞাপনেও ভিউ হবে।  আপনার আয়ও বেশি হবে।

১০. বেশি আয় করতে চাইলে সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য প্লাটফর্মে ভিডিওর প্রমোশন করুন।

উপরের দিকনির্দেশনা গুলো মেনে চলুন।  অবশ্যই আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন।

শেষ কথা

অনেকেই অনলাইনে আয় করার উপায় খুঁজে খুঁজে হয়রান হচ্ছে। তবুও মনের মত একটি প্লাটফর্ম পাচ্ছে না। এর মূল কারন হয়ত দুটি।

  1. আপনি অনেক কাজই শুরু করছেন কিন্তু, আপনার জন্য কোন কাজটি সঠিক তা খুঁজে  বের করতে পারছেন না।
  2. আপনি আপনার কাজের পেছনে যথেষ্ট  ডেডিকেশন ও পরিশ্রম দিচ্ছেন না।

তাই আগে সব কাজ সম্পর্কে সময় নিয়ে জানুন। আপনার জন্য লাভজনক আর সঠিক কাজটি খুঁজে বের করুন। আপনার পছন্দমত প্লাটফর্মটি খুঁজে বের করতে আমরা আপনাকে গুগল থেকে আয় করার ভিন্ন ভিন্ন উপায় বলেছি।

কিভাবে গুগল থেকে অনলাইনে  আয় করা যায় সে  প্রশ্নের উত্তর আশা করি আমরা দিতে পেরেছি। আমাদের দিকনির্দেশনা কাজে লাগিয়ে আপনিও Google থেকে অনলাইনে টাকা আয় করতে পারবেন আপনার পছন্দমত সেক্টরে।


supti

I'm Nusrat Jahan Supti. I'm a professional content writer, freelance designer and web developer. I have a handful experience on these ground. Rather than profession,writing has always been my passion.I'm giving my best to become a renowned and successful author. I'm currently a student of Agriculture. I prefer hard-work and always try to complete my work with 100% honesty. I've already worked with many renowned websites. Spreading knowledge through my writing,is my goal.

0 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।