কিভাবে একটি সুন্দর ব্লগ আর্টিকেল লিখতে হয়? এটা প্রতিটি নতুন ব্লগারেরই প্রশ্ন। একটি সুন্দর ব্লগ আর্টিকেল লেখার জন্য কিছু ফরম্যাট মেইনটেইন করা জরুরী। কনটেন্ট দেখতে এবং পাঠকের পড়ার সুবিধার্থে সুন্দর ফরম্যাটের বিকল্প নেই। এছাড়া এসইও অপটিমাইজড আর্টিকেল লিখতে চাইলেও আপনাকে ফরম্যাট ধরেই লিখতে হবে, নইলে গুগল ক্রাউলার আপনার পোস্টটি ঠিকভাবে না বুঝতে পারায় সার্চ রেজাল্টে ভালো পজিশন পাওয়া যাবেনা।

এটা দুইরকম হতে পারে, কোনো ব্লগের ফরম্যাট থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারেন, আবার নিজস্ব ফরম্যাটও ঠিক করে নেওয়া যেতে পারে।

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি একজন বেগিনার ব্লগার এর জন্য, যিনি তার প্রথম ব্লগ পোস্ট লিখতে যাচ্ছেন। এখানে আমরা ওয়ার্ডপ্রেসের সবগুলো ফিচার ব্যবহার করে কিভাবে একটি আর্টিকেল লিখতে হয় সেবিষয়ে এ টু জেড জেনে নিবো।

নোট: এতক্ষণ আমরা যতটুকু অংশ আলেচনা করলাম এটাকে আর্টিকেলের ভূমিকা বলা হয়। ১০০ থেকে ১৩০ শব্দের মাঝে ভূমিকা অংশ শেষ করা উচিৎ। এই অংশে আমাদের পাঠককে বুঝাতে হবে কেন আর্টিকেলটি পড়তে হবে এবং আর্টিকেলটিতে কি কি পাওয়া যাবে। যেমনটা আমাদের ভূমিকায় আপনি জেনেছেন-

  • ফরম্যাট অনুযায়ী না লিখলে গুগল ভালোভাবে বুঝতে পারেনা
  • আপনি জানবেন, কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস আর্টিকেল ইডিটর ফিচার ব্যবহার করতে হয় এবং
  • কিভাবে ফরম্যাট অনুসরণ করে লিখতে হয়।

ওয়ার্ডপ্রেসে কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয়? [হেডিং ২ ব্যবহার করা]

গুগল একটি আর্টিকেল সম্পর্কে বোঝার জন্য প্রথমেই টাইটেল, হেডিং ২ এবং হেডিং ৩ গুলোকে গুরুত্ব দেয়। ভূমিকা অংশের পর পরই আপনাকে শিরোনাম বা হেডিং ২ ব্যবহার করতে হবে।

এখান থেকেই মূলত আমাদের আর্টিকেল বডি শুরু হয়। শিরোনাম ২ তে সাধারণত টাইটেলের রিফ্লেকশন রাখতে হবে। অর্থাৎ টাইটেলে যা লিখেছেন, এখানেও প্রায় কাছাকাছি কিছু লিখবেন।

যেমন আমাদের টাইটেল কিভাবে ব্লগ আর্টিকেল লিখতে হয়, এবং শিরোনাম ২ তে লেখা হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেসে কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয়। কাছাকাছি না?

নোট: মূল কথা হেডিং ২তেও আপনার মেইন কীওয়ার্ড থাকতে হবে।

হেডিং ব্যবহার

শিরোনাম দেওয়ার জন্য লেখাটিকে সিলেক্ট করুন, এবং উপরের চিত্রের মতো করে প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট শিরোনাম (২/৩/৪ ইত্যাদি) সিলেক্ট করে দিন। এখানে শিরোনাম ১ থেকে শিরোনাম ৬ পর্যন্ত অপশান রয়েছে।

বডিতে আমরা যা লিখছি সেটিকে বলা হয় প্যারাগ্রাফ এবং টাইটেলকে শিরোনাম১। তাই শিরোনাম ১ বডিতে ব্যবহার করার সুযোগ নেই।

কিওয়ার্ড রিসার্চ [হেডিং ৩]

[এই অংশটুকু আমাদের আর্টিকেলে থাকার কথা নয়, থাকলেও প্রথমে থাকার কথা ছিল, কারণ কিওয়ার্ড রিসার্চ না করে লিখতে বসা ঠিক না। একজন বেগিনার প্রায়শই কিওয়ার্ড রিসার্চ না করেই লেখেন, কিন্তু সেটি করা আর পুরোদমে সময় নষ্ট করা প্রায় একই কথা। আমরা যেহেতু কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয় এবং ফরম্যাট করতে হয় শেখার চেষ্টা করছি, তাই এই অংশকে প্রথমে রাখা হয়নি।]

কিওয়ার্ড রিসার্চ না করে আর্টিকেল লিখে কোনো লাভ নেই। কারণ মেইন ট্রাফিক সোর্স সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর নিয়ে আসার একমাত্র উপায় কিওয়ার্ড রিসার্চ।

কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য প্রথমে আপনার টপিক ঠিক করুন। যেমন, আমি ধরে নিলাম গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে লিখবো, তাহলে এবার নির্দিষ্ট টুলস ভিজিট করে কিওয়ার্ড হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজইন লিখে সার্চ করতে হবে।

সার্চ রেজাল্টে কোন কিওয়ার্ডগুলো কি পরিমাণ সার্চ হচ্ছে, rank করা কতটা কঠিন হবে সেসম্পর্কে জানতে পারবো। সবকিছু বিবেচনা করে ১টি মেইন কিওয়ার্ড এবং ২টি রিলেটেড কিওয়ার্ড বাছাই করতে হবে।

কিওয়ার্ড বাছাই প্রক্রিয়া

উপরের চিত্রে দেখুন সার্চ ভলিয়্যুম আছে ৫টি কিওয়ার্ডের জন্য। তার পাশে এই আর্টিকেলের সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে কত টাকা পাওয়া যাবে সেটাও বলা আছে। তারপাশে SD যার অর্থ সার্চ ডিফিকাল্টি, অর্থাৎ rank করা কতটা কঠিন সেসম্পর্কে বলা হয়েছে।

সাধারণত নতুন লেখক এবং ব্লগের জন্য SD ১০ এর নিচে রয়েছে এমন কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা উচিৎ।

বাংলায় আর্টিকেল কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য উবারসাজেস্ট কিংবা কিওয়ার্ডপ্লানার ব্যবহার করুন। ইংরেজির জন্য SEMRush বা ahref ব্যবহার করতে পারেন।

বাংলা কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রসেস এবং ইংরেজি কিওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য দুইটি আর্টিকেল অবশ্যই পড়ে নিন।

সাব হেডিং বা শিরোনাম এর সঠিক ব্যবহার [শিরোনাম ৩]

একটি সুন্দর ফরম্যাট করা আর্টিকেলে শিরোনামগুলো সঠিকভাবে বিন্যাস করা জরুরী। আমরা টাইটেল বা শিরোনাম১ ব্যবহার করেছি এরপর শিরোনাম২।

এই অংশে এসে শিরোনাম৩ ব্যবহার করবো। সাধারণত আপনার আর্টিকেল যদি ১০০০ বা তার বেশি শব্দের না হয়, তাহলে হেডিং ৪, ৫, কিংবা ৬ দরকার হয়না।

একটি সুন্দর হেডিং ফরম্যাট যেমন হয়;

টাইটেল: ইনকাম করার যত উপায়
শিরোনাম২: ইনকাম করার সেরা ২টি উপায়
   শিরোনাম৩: অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়সমূহ
       শিরোনাম৪: ফ্রিল্যান্সিং
       শিরোনাম৪: ব্লগিং
       শিরোনাম৪: ইউটিউব
   শিরোনাম৩: ব্যবসা করে আয় করার উপায়
       শিরোনাম৪: পাইকারী ব্যবসা
       শিরোনাম৪: খুচরা ব্যবসা
         শিরোনাম৫: খুচরা ব্যবসার ৫টি আইডিয়া
   শিরোনাম ৩: আয় করার জন্য কি কি জানতে হবে?
       শিরোনাম৪: শেষ কথা

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নসমূহ [হেডিং ৪]

১) হেডিং ২ এবং ৩ কতবার ব্যবহার করা যাবে?

আপনার লেখায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ এবং স্বতন্ত্র প্যারার শুরুতে ব্যবহার করতে পারেন।

২) প্রতিটি হেডিং এর ভিতরে কত শব্দ লেখা যাবে?

পাঠকের পড়ার সুবিধার জন্য বেশি বেশি হেডিং রাখার চেষ্টা করবেন। ৩০০ শব্দের বেশি লেখা উচিৎ নয়।

 ৩) প্রতিটি প্যারায় কত লাইন রাখবো?

প্যারা ছোট ছোট রাখলে লেখার ভিতরে অনেক সাদা স্পেস তৈরি হয়, যা পাঠকের পড়ার সুবিধা করে দেয়। প্রতিটি প্যারায় ২-৩ লাইনের বেশি না রাখার চেষ্টা করবেন। ( প্যারা-১)

৩নং প্রশ্নের উত্তর আমরা উপরের প্যারাতেই শেষ করতে পারতাম, কিন্তু আপনার পড়ার সুবিধা করে দিতে দুইটি প্যারা করলাম।  (প্যারা-২)

আর্টিকেলে ছবি ব্যবহার করার সঠিক পদ্ধতি [হেডিং ৩]

নোট: দেখুন, উপরে আমরা আর্টিকেলটিকে সাজানো নিয়ে আলোচনা করছিলাম, একটির আন্ডারে আরেকটি আসায় ক্রমান্বয়ে হেডিং ভ্যালু কমে ৪ পর্যন্ত এসেছিলো।

কিন্তু যেহেতু এখন আবার নতুন একটি সেকসন (ছবি) নিয়ে কথা বলবো, যা একটি আর্টিকেল সাজানোর গুরুত্বপূর্ণ পার্ট, তাই আবার হেডিং-৩ তে ফেরৎ আসছি।

একটি ছবি আর্টিকেলের ভ্যালু অনেকটা বৃদ্ধি করতে পারে। তাই ফিচার ছবি দেওয়ার বাইরেও আর্টিকেল বডির প্রয়োজনীয় বিভিন্ন অংশে অর্থপূর্ণ ছবি ব্যবহার করতে হয়।

ছবি ব্যবহার করার সময় ৪টি বিষয় মাথায় রাখবেন:

  • ফিচার ছবির সাইজ ৭৫০ বাই ৩০০ পিক্সেল (নূন্যতম), এরচেয়ে বেশি লম্বা করার দরকার নেই, প্রয়োজন হলে উচ্চতা কিছুটা বাড়াতে পারেন।
  • বডিতে পিকচার ব্যবহারেও একই ডাইমেনশান ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন, তবে নূন্যতম ৩৫০ পিক্সেল বাই ২০০ পিক্সেল হতে হবে।
  • ছবির সাইজ ৪০কেবির বেশি যেন না হয় (বেশি সাইজ হলে লোডিং স্পিড কমে যাবে), প্রয়োজনে imagecompressor.com সাইট থেকে সাইজ কমিয়ে নিন।
  • প্রতিটি ছবির নাম চেঞ্জ করুন। (কিওয়ার্ডস এবং রিলেটেড কিওয়ার্ডসগুলো ছবির নাম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে)।

আর্টিকেলে ছবি ব্যবহার প্রসেস

ছবির দিকে লক্ষ্য করুন, উপরের ছবিটির আমরা নাম রেখেছিলাম আর্টিকেলে-ছবি-ব্যবহার। অবশ্যই নামের মাঝে হাইফেন (-) ব্যবহার করতে হবে।

যখন আমরা ছবিটি আপলোড করেছি, তখন শিরোনামটাও অটোমেটিক অ্যাড হয়ে গেছে। এখন আমাদের কাজ হলো হাইফেন কেটে দিয়ে ছবির Alt ট্যাগ বসানো। এবং খুব সাধারণভাবেই এক্ষেত্রে অল্ট ট্যাগ হলো আর্টিকেলে ছবি ব্যবহার

এখন কেউ যদি গুগলে এবিষয়ে সার্চ করে, তবে ইমেজ সার্চ রেজাল্টে ছবিটি চলে আসবে। এই পেজটি গুগল যখন পরীক্ষা করবে, তখন সেও বুঝে যাবে, এখানে আর্টিকেলে ছবি যুক্ত করার প্রসেস সম্পর্কে পিকচার আছে, তাহলে এটি একটি আর্টিকেল লেখার পদ্ধতি বিষয়ক টিউটোরিয়াল, সুতরাং সঠিক ফাইলে ইনডেক্স হবে।

নোট: ছবি নেওয়ার জন্য গুগলকে ব্যবহার করা যাবেনা। অনলাইনে অনেক কপিরাইট ফ্রি ছবি ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট রয়েছে, সেখান থেকে নিন, যেমন;

  • pexels.com
  • pixabay.com
  • freepik.com

ক্যাটেগরি এবং ট্যাগ ব্যবহার [হেডিং ৩]

ব্লগে আর্টিকেলগুলো সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখার জন্য ট্যাগ এবং কিওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের নির্দিষ্ট ক্যাটেগরি নিয়েই হয়ে থাকে। আমরা লেখার সময় সেসব ক্যাটেগরিকে টার্গেট করেই লিখে থাকি। তাই এখানে খুব একটা ঝামেলা নেই। আপনার লেখা আর্টিকেলের জন্য নির্দিষ্ট ক্যাটেগরিটি শুধু সিলেক্ট করে দিতে হবে।

ট্যাগ নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেকেই ভুল করেন। অনলাইন ইনকাম নিয়ে আর্টিকেল লিখলে যত কিওয়ার্ডস আছে সবগুলোই দেখা যায় ট্যাগে দিয়ে দিচ্ছেন।

ট্যাগ মানে এটা নয়। অনলাইন ইনকাম যদি ক্যাটেগরি হয়, সেখানে ইনকাম করার বিভিন্ন প্রসেস নিয়ে লেখা হবে নিশ্চিতভাবেই। এখানে ফ্রিল্যান্সিং থাকবে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্লগিং, ইউটিবিং, মার্কেটিং অনেক কিছু থাকতে পারে।

একজন ফ্রিল্যান্সারের অনলাইনে আয় করার উপায় খুঁজতে এসে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে পড়ার দরকার নেই। তিনি বরং শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে যত আর্টিকেল আছে সবগুলো একসাথে খুঁজে পেতেই বেশি পছন্দ করবেন। তাই ক্যাটেগরিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করতেই ট্যাগ ব্যবহার করা হয়।

যেমন, আমরা এখানে ব্লগিং ক্যাটেগরিতে আর্টিকেলটি লিখছি। একইসাথে লেখাটাতে এসইও, কিওয়ার্ড রিসার্চ, আর্টিকেল লেখার নিয়ম নিয়ে লেখা হয়েছে। যেগুলো সম্পর্কে আমরা পূর্বেও লিখেছি, সামনেও হয়তো লিখবো। তাই এগুলো আমরা ট্যাগ হিসেবে ব্যবহার করে ফিল্টার করছি।

কিন্তু অনেকে এভাবে ট্যাগ দেন, আর্টিকেল লেখার নিয়ম, ওয়ার্ডপ্রেসে লেখার নিয়ম, ১ম ব্লগ লেখার নিয়ম, ইত্যাদি।

আচ্ছা বলুন তো, এই ট্যাগগুলো দ্বিতীয়বার ব্যবহার করার কোনো সম্ভাবনা আছে? এই ট্যাগ লিঙ্কে ক্লিক করলে তো এই আর্টিকেলটি ছাড়া অন্য কোনো আর্টিকেল সামনে আসবেনা। তাহলে ট্যাগ ব্যবহার করার দরকার কি? ব্লগের সমস্ত রিলেভান্ট  আর্টিকেলগুলো একসাথে পাওয়ার জন্যই তো ট্যাগ ব্যবহার।

ব্লগে ২০-৩০টি আর্টিকেল পাবলিশ করার পর যতটা সম্ভব ব্যবহৃত ট্যাগ বারবার ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন।

মেটা ডেস্ক্রিপশন এবং পারমালিঙ্ক [হেডিং ৩]

একটি আর্টিকেল পাঠককে পড়তে আগ্রহী করার জন্য টাইটেলের পাশাপাশি আপনার হাতে ১৫৫ বর্ণ আছে, যাকে আমরা মেটা ডেস্ক্রিপশন বলে জানি। সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ রেজাল্টের সাথে মেটা ডেস্ক্রিপশন দেখানো হয়।

মেটাি ডেস্ক্রিপশন লেখার নিয়ম

মেটা ডেস্ক্রিপশন লেখার নিয়ম হলো এক থেকে দু্ইবার কিওয়ার্ড রেখে নিজের মতো করে ম্যানুয়ালি লিখে দেওয়া। তবে অনেকেই পোস্ট থেকে কপি করে দেন, যেটা আসলে বেশিরভাগ সময়ই আর্টিকেলটির সার-সংক্ষেপ বুঝাতে অসমর্থ হয়।

পারমালিঙ্ক পাঠক এবং গুগল দুই পক্ষকেই আর্টিকেল সম্পর্কে বুঝানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে পারমালিঙ্ক এ শুধুমাত্র মেইন কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়।

পারমালিঙ্ক ব্যবহারের নিয়ম

উপরের ছবিতে দেখুন, আমাদের আর্টিকেলের পার্মালিঙ্ক হিসেবে কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয় ব্যবহার করা হয়েছে। যা আমাদের আর্টিকেলের বিষয়বস্তুকে প্রকাশ করছে।

শেষ কথা [হেডিং ৪]

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু ছিলো কিভাবে একটি ব্লগ আর্টিকেল লিখতে হয়, যা নিতান্তই একজন বেগিনার ব্লগারের জন্য।

আপনি যদি একজন নতুন ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, কিংবা নতুন ব্লগার হয়ে থাকেন, তবে আশা করি লেখাটি অবশ্যই আপনার উপকারে আসবে।

ভালোভাবে ফরম্যাটিং শেখার পর এসইও অপটিমাইজড আর্টিকেল লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানতে আমাদের এসইও বিভাগটি ঘুরে দেখতে পারেন।


Abdullah

বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে অধ্যয়নরত। জানার আগ্রহ থেকে whyorwhen এবং Pratiborton এ লেখালেখি করি।

0 Comments

মন্তব্য করুন

Avatar placeholder

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!