ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলবো | ফ্রি ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম

ব্লগ একাউন্ট কিভাবে খুলবো

হাই! তাহলে আপনি একটি ব্লগ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? এখন নিশ্চয়ই আপনার মনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলবো কিংবা ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম কোথায় পাব? চিন্তা করবেন না, আমি আপনার সাথে ব্লগ তৈরির টিউটোরিয়াল দেখানোর পাশাপাশি আরো অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, যা একজন নতুন ব্লগারের অবশ্যই জেনে ব্লগিং শুরু করা উচিৎ।

আর্টিকেলটিতে ব্লগ শুরু করার আগে কি কি জানতে হবে, সফল ব্লগার হওয়ার জন্য কিভাবে প্রফেশনাল ব্লগ একাউন্ট খুলবো এবং সেইসাথে ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলবো, ফ্রি ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম স্টেপ বাই স্টেপ দেখানো হবে ইন-শা-আল্লাহ।

ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলবো | How to Start a Blogger Account?

যেহেতু আপনি একটি ব্লগ তৈরি করতে চাচ্ছেন, তাই ধরে নিচ্ছি আপনি ব্লগ সম্পর্কে এখনো খুব বেশি জানেন না। চলুন একটু ব্লগ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

1. ব্লগ কি, ব্লগার কারা?

আপনার কি মনে হয় ব্লগ কি হতে পারে?

খুব সহজভাবে যদি বলি তবে, ব্লগ বলতে বুঝায় একটি ডিজিটাল ডায়েরী। যেখানে একজন ব্লগার তার নিজস্ব মতামত, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান অনলাইনে পাবলিশ করার মাধ্যমে অন্যান্যদের সাথে শেয়ার করতে পারে।

আমাদের মাঝে অনেকেই ব্লগার বলতে শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট মানুষ ও জনগোষ্ঠীকে চিনেন, যার কারণে ব্লগার বলতেই তাদের চিন্তা ভাবনা ভিন্ন কিংবা ভয়ঙ্কর মনে করে থাকেন।

আদতে এমনটা নয়, সংজ্ঞায় বলেছি কেউ তার নিজস্ব মতামত দিতেই পারে, এবং যেহেতু তিনি অনলাইনে তা সবার সাথে শেয়ার করছেন, তাই তিনি একজন ব্লগার। কিন্তু তিনি সকল ব্লগারের প্রতিনিধিত্ব করেননা।

একজন উপন্যাসিক কিংবা কবি যদি তার লেখাগুলো অনলাইনে দেন, তবে তিনি কবি পরিচয়ের পাশাপাশি একজন ব্লগারও বটে।

আগে চেক করে নিন, ব্লগ সাইট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আছে কি না!

ব্লগ একাউন্ডট খোলার জন্য কি কি প্রয়োজন?

  • একটি সচল জিমেইল একাউন্ট
  • কম্পিউটার
  • ইন্টারনেট কানেকশান
  • ব্লগিং নিশ
  • ব্লগ নাম

2. ব্লগিং নিশ কি | What is Blogging Niche?

আপনি যেকারণে ব্লগ তৈরি করছেন, অর্থাৎ যেধরনের আর্টিকেল ব্লগে পাবলিশ করতে চান, সেটাই ব্লগিং নিশ। হতে পারে আপনি অনলাইন ইনকাম নিয়ে আর্টিকেল লিখবেন, তাহলে আপনার ব্লগিং নিশ হলো – অনলাইন ইনকাম।

ব্লগিং নিশ বা টপিক ব্লগ তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এবিষয়ে সার্চ ভলিয়্যুম আছে কিনা, বিজ্ঞাপনদাতাদের চাহিদা কেমন (সিপিসি), এবং আপনার অভিজ্ঞতাই বা এবিষয়ে কতটুকু! এই টপিকের উপর কম্পিটিটরদের অবস্থা কেমন? এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই নিশ সিলেক্ট করতে হয়।

ব্লগিং নিশ দুই ধরনের:

  1. মাল্টি নিশ
  2. মাইক্রো নিশ
Related:  ব্লগ পোস্টের জন্য নতুন আইডিয়া পাওয়ার ১০টি উপায় - ২০২২

নিশ নিয়ে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি ১৭টি লাভজনক ব্লগিং নিশ সম্পর্কে জেনে নিন।

3. ব্লগ নাম এবং ব্লগের জন্য ইউআরএল

ট্রাফিকের কাছে ব্লগটি কি নামে পরিচিত হবে তাই হলো ব্লগের নাম। যেমন: আপনি আমাদের সাইটকে প্রতিবর্তন হিসেবে জানেন। কারণ এটা  আমাদের ব্লগ নাম।

ফ্রি ব্লগস্পট একাউন্টে ব্লগ নাম (যেমন: pratiborton) এবং টাইটেল (যেমন: জীবন ও প্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগ) একইসাথে দিতে হয়।

ব্লগের ইউআরএল হলো সাইট এড্রেস, যা লিখে ভিজিট করলে আপনার সাইটে প্রবেশ করা যাবে। যেহেতু আমরা Blogspot সাইটে ফ্রি ব্লগ একাউন্ট খুলবো, তাই প্রাথমিকভাবে আমরা সাবডোমেইন পাচ্ছি।

অর্থাৎ blogspot.com আপনার এড্রেস এর সাথে যুক্ত থাকবে। তাহলে আমাদের ব্লগ সাইট এড্রেস হতে পারে pratiborton.blogspot.com.

তবে আমি বলবো, সাইট এড্রেস ঠিক করার আগে আপনার নিশ ঠিক করে নিন। এরপর নিশ রিলেট করে সাইটের এড্রেস ঠিক করুন, তাহলে এসইও তে সুবিধা পাবেন। তাছাড়া এমন সাইটের প্রতি ভিজিটর বেশি আস্থা রাখে, তাই ক্লিক রেট ভালো পাবেন।

আমাদের সাইটটি মাল্টি নিশ হওয়ায় কোনো নির্দিষ্ট টপিককে টার্গেট করে ডোমেইন নেওয়া হয়নি।

ফ্রি ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম | ব্লগ তৈরির নিয়ম

ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম:

1. প্রথমেই আপনি যে ব্রাউজার দিয়ে কাজ করবেন, সেখানে নির্দিষ্ট মেইল এড্রেস দিয়ে লগ ইন করে নিন।

2. এবার blogger.com ভিজিট করুন।

3. নিচের চিত্রের মতো একটি পেজ আসবে।

ফ্রি ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম

4. এখানে create your blog লেখা বাটনে ক্লিক করতে হবে।

5. আপনার মেইল এড্রেস নিশ্চত করতে আরেকবার ক্লিক করতে হবে (পাসওয়ার্ড দিয়ে পুনরায় লগইন করতে হতে পারে)।

ব্লগ নাম এবং এড্রেস নিশ্চয়ই সিলেক্ট করে নিয়েছেন এতক্ষনে। পরের স্টেপ এ আপনার ব্লগের নাম এবং সাইট এড্রেস দিতে হবে।

blog site তৈরি করার নিয়ম

6. উপরে পরপর দুইটি পেজের চিত্র আছে।

7. প্রথমটিতে আপনার ব্লগের নাম দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

8. দ্বিতীয়টিতে সাইট এড্রেস দিতে হবে। এখানে আগে থেকেই blogspot.com লেখা থাকবে।

সাইট এড্রেস দেওয়ার সময় হয়তো এই ব্লগ ঠিকানাটি উপলভ্য এর জায়গায় এই ব্লগ ঠিকানাটি উপলভ্য নয় আসতে পারে। এর কারণ হলো সাইট এড্রেস ইউনিক হতে হয়, নইলে এক সাইটের ভিজিটর অন্য সাইটে চলে যাবে তো! যদি এমন আসেই, তবে একটু পরিবর্তন করে চেষ্টা করুন।

9. পরবর্তী পেজ এ আরেকবার নাম দিতে হবে। এবার কিন্তু ব্লগ নাম নয়, ব্লগারের নাম। অর্থাৎ আপনি পাঠকের কাছে আপনাকে যে নামে পরিচিত করাতে চান সেই নাম দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

ব্যাস আপনার ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরি।

তবে কাজ এখনো শেষ হয়নি। ফ্রি ব্লগ সাইট হলেও সুন্দর করে সাজাতে তো দোষ নেই।

ব্লগ সাইট ডিজাইন করার নিয়ম

একটি ব্লগ ডিজাইন নির্ভর করে মূলত তার থিমের উপর। থিম সুন্দর হলে ব্লগটিও পাঠকের কাছে দৃষ্টিনন্দন মনে হবে। ব্লগের থিম পরিবর্তন করার জন্য প্রথমেই আপনাকে একটি থিম ডাউনলোড করতে হবে। ফ্রি ব্লগার থিম ডাউনলোড করার জন্য আমার কাছে বেস্ট প্লেস হলো gooyaabitemplates.

Related:  কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো? ব্লগ শুরু করার আগে যা জানতে হবে

তবে আপনি চাইলে Free Blogger template লিখে সার্চ করলেই আরো অনেক সাইট পেয়ে যাবেন, যেখানে ফ্রিতে ব্লগার টেমপ্লেট ডাউনলোড করা যায়।

ব্লগ তৈরির টিউটোরিয়াল

ব্লগার থিম আপডেট করার নিয়ম:

  • ডাউনলোড করার পর Theme অপশনে ক্লিক করলে উপরের ছবির মতো পেজ চলে আসবে।
  • customize অপশন পাবেন, সেখানে পুনরূদ্ধার বা Restore অপশন সিলেক্ট করলে ফাইলে চলে যাবে।
  • ডাউনলোড করা xml ফাইলটি সিলেক্ট করে দিলেই আপলোড নিবে।
  • থিমটি সফলভাবে আপলোড সম্পন্ন হলে success message আসবে।

এবার আপনার ফ্রি ব্লগ ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য সেটিংস এর নিচে View blog অপশনে ক্লিক করুন।

ব্লগ ভিজিট করার পর হয়তো এমন কিছু জিনিস পাবেন যা আপনার ব্লগে রাখতে চান না। এসব ডিলিট করার জন্য সেটিংস এর আগের অপশন লেআউট এ ক্লিক করলেই খুঁজে পাবেন।

ব্লগ সেটিংস ঠিক করার উপায়

ব্লগ সুন্দর করে গুছানোর পর দ্বিতীয় কাজ হলো গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের জন্য সাইট রেডি করা।

এই কাজের জন্য বিভিন্ন সেটিংস ঠিক করতে হবে। ব্লগার সেটিংস ঠিক করা ওয়ার্ডপ্রেসের মতো জটিল কিছু নয়, আপনি নিজে নিজেই করতে পারবেন। তবে প্রোপার গাইডলাইন দরকার, নইলে বিভিন্ন এরোর আসতে পারে।

তাই সম্পূর্ণ সেটিংস ঠিক করার জন্য পূর্বেই একটি স্টেপ বাই স্টেপ ব্লগস্পট সেটিংস টিউটোরিয়াল প্রকাশ করেছি। এরপরেও কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের ব্লগার ফোরামে যোগ দিয়ে সমাধান নিতে পারবেন।

কিভাবে সফল ব্লগার হবেন?

ব্লগিং ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, অনেকে খুব দ্রুত এগিয়ে যায়, কিন্তু মাঝপথে নিজেকে হারিয়ে ফেলে। ব্লগে নতুন কনটেন্ট আসে না, কিংবা কোয়ালিটি ধরে রাখতে পারেনা। এসবের পিছনের কারণ হিসেবে আমি দুইটি জিনিস খুঁজে পেয়েছি:

১. ট্রাফিকের দিকে নজর না দিয়ে শুধু ইনকামের পিছনে ছুটে চলা

ব্লগ শুরু করার পর পরই আমাদের কাছে প্রশ্ন আসে, কিভাবে ট্রাফিক বৃদ্ধি করা যায়? কিন্তু প্রশ্ন হওয়া উচিৎ ছিলো, আমার ব্লগ কি ট্রাফিক পাওয়ার জন্য তৈরি?

আরেকটি নিয়মিত প্রশ্ন আসে, কিভাবে ব্লগ থেকে ইনকাম করা যায়? অথচ আপনার প্রশ্ন হওয়া উচিৎ, আমার ব্লগ কি ইনকামে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত?

ব্লগিং করে রাতারাতি টাকা ইনকাম করা সম্ভব না। এজন্য দরকার ধৈর্য্য, প্যাশন আর নিয়মিত কোয়ালিটি কনটেন্ট উপহার দেওয়ার ইচ্ছাশক্তি।

২. ফ্রি ডোমেইন নিয়ে শুরু করে পরে টপ লেভেল ডোমেইন নেওয়া

আমরা অলরেডি ফ্রি ব্লস্পট ডোমেইন নিয়ে ব্লগ একাউন্ট খুলে নিয়েছি। কিন্তু আমি আপনাকে কখনোই বলবো না, এভাবেই ব্লগিং শুরু করে দিন। প্রফেশনাল ব্লগার হতে চাইলে প্রফেশনালি ব্লগ তৈরি করে অনলাইনে আসতে হবে।

এজন্য আপনার একটি টপ লেভেল ডোমেইন নেওয়া দরকার। যদি চিন্তা করেন পরে নিবেন, তাহলে আপনিও ধরা খেতে পারেন।

ফ্রি ডোমেইনে ব্লগ শুরু করার বিভিন্ন অসুবিধা রয়েছে যেমন;

  • খারাপ ইম্প্রেশন
  • কম ক্লিক পাওয়া
  • ব্যকলিঙ্ক না পাওয়া
  • টপ ভেল ডোমেইন নেওয়ার পর পুনরায় এডসেন্স এপ্রুভাল নেওয়া
  • ব্যকলিঙ্ক হারিয়ে ফেলা
  • অথরিটি কম থাকা
Related:  ব্লগ পোস্টের জন্য নতুন আইডিয়া পাওয়ার ১০টি উপায় - ২০২২

সর্বোপরি ব্লগটিকে আবারো শুন্য থেকে শুরু করতে হবে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য কেন আপনার একটি টপ লেভেল ডোমেইন নিয়ে ব্লগ শুরু করা উচিৎ বিষয়ক আর্টিকেলটি পড়ে নিন।

ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মাঝে পার্থক্য কী?

একটি ব্লগে নিয়মিত আপডেট করতে হয়। অর্থাৎ এখানে প্রতিনিয়ত নতুন কনটেন্ট দিতে হয়। হতে পারে সপ্তাহে দুই-তিনটি কিংবা মাসে একটি। তবে ব্লগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে নিয়মিত পোস্ট করতে হবে।

অন্যদিকে, ওয়েবসাইট এত পরিবর্তনশীল নয়। এটি এমন কিছু কনটেন্ট নিয়ে অনলাইনে আসে যার ব্যবহার শুধুমাত্র সেসব কাজের জন্যই হয়ে থাকে, যার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

যেমন: এসএসসি, এইচএসসি রেজাল্ট দেখার ওয়েবসাইট। এখানে প্রতিবছর এক থেকে দুইবার কিছু আপডেট করার প্রয়োজন হয়, যেখানে নতুন কিছু রোল নাম্বার এর জন্য রেজাল্ট-শীট এড করে দেয়।

তবে, সরকারী ওয়েবসাইটের বাইরে প্রায় সকল ওবেসাইটের সাথেই ব্লগ সেকশান থাকে। এর বিভিন্ন লাভ আছে, যেমন ব্লগ আর্টিকেলের জন্য আসা ভিজিটর ওয়েবসাইট সম্পর্কে জনতে পারে। অর্থাৎ ওয়েবসাইটের ডিজিটাল মার্কেটিং হয়ে গেল আর কি।

FAQ: ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম নিয় জিজ্ঞেসিত প্রশ্নসমূহ

ফ্রি ওয়েবসাইট খোলার নিয়ম কী?

ফ্রি ব্লগ তৈরি করার মতোই একই নিয়মে ব্লগস্পটে ফ্রি ওয়েবসাইট খুলতে পারবেন। তবে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট ব্লগস্পটে তৈরি করা সম্ভব না।

মোবাইলে ব্লগ তৈরি করা যাবে?

যি, মোবাইল দিয়ে ব্লগ তৈরি করা কিংবা ব্লগিং করা সম্ভব। তবে এটা বেশ জটিল হতে পারে। কিছু কাজ রয়েছে, বিশেষ করে কাস্টমাইজেশন এর, যেগুলো কম্পিউটারে যত সহজে করা যায়, মোবাইলে করা এতটা সহজ হবেনা।

তবে সেট-আপ হয়ে গেলে মোবাইলে করতে আর কোনো ঝামেলা হবেনা।

ব্লগার থেকে কি পরবর্তীতে ওয়ার্ডপ্রেসে যাওয়া যাবে?

যি, যেতে পারবেন। তবে যাওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যায় পরবেন। যেমন, ব্লগারে ফিচার ইমেজ দেওয়া যায়না। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেসে ফিচার ছবি এড না করলে কন্টেন্টের ছবি ফিচার হিসেবে দেখাবেনা, ফিড দেখতে খারাপ লাগবে।

তাই ম্যানুয়ালি আবারো ফিচার ছবি এড করতে হবে।

ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম নিয়ে শেষ কথা

তাহলে আমরা এখানে  তা শিখে ফেললাম। আশা করি ব্লগ তৈরির টিউটোরিয়াল টি আপনার প্রথম Blog তৈরিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পেরেছে। তবে এখনো যদি ব্লগ তৈরি না করে থাকেন, তবে ব্লগ শুরুর আগে কি কি জানতে হবে সেবিষয়ে জেনে নিন।

আমি আপনাকে সম্পূর্ন ফ্রি ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম দেখালেও Free blog তৈরি করতে নিষেধ করবো। আপনি যদি ব্লগস্পটেই ব্লগিং করতে চান, কোনো সমস্যা নেই, তবে একটি ডোমেইন কিনে ব্লগ শুরু করুন।

এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানী থেকে বিকাশ পেমেন্ট করে ডোমেইন কিনতে পারবেন। মাত্র ১০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা মূল্যে বিভিন্ন টপ লেভেল ডোমেইন পাওয়া যাবে।

আপনার ফ্রি ব্লগ সাইট টি কি অনলাইনে আসলো? আমাদের দেখতে আমন্ত্রণ জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

6 thoughts on “ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলবো | ফ্রি ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম”

  1. আপনার লেখাটি পড়ে উৎসাহ বেড়েছে। সমসাময়িক বিষয়, ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে প্রবন্ধ লিখে আয় করা যায় কি? কিভাবে? জানাবেন। যাযাকাল্লাহ।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।