প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে আপনার অবশ্যই প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম জেনে রাখতে হবে। যদিও এখন ফরম্যাট করা থাকে, তবুও এমার্জেন্সি কারণে হাতে লেখার প্রয়োজন হতেই পারে। তাই এই আর্টিকেলে প্রত্যয়ন পত্র লেখার যাবতীয় নিয়ম-কানুন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে ইন-শা-আল্লাহ।

প্রত্যয়ন পত্র আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় একটি উপকরণ। কারণ, এই পত্রের মাধ্যমে আমাদের ব্যক্তিজীবন বা কর্মজীবনের অনেক কিছু নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এই পত্রটি একটি দলিল স্বরূপ যা আমাদের ব্যক্তি জীবনের নানা ধরণের কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর ব্যবহার হয়ে থাকে।

প্রত্যয়ন পত্র কি?

প্রত্যয়ন পত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ Attestation. প্রত্যয়ন পত্র মূলত এক প্রকার সনাক্তকারী সার্টিফিকেট, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যক্তির নানা ধরনের কাজের দলিল হিসেবে সাক্ষ্য বহন করে। প্রত্যয়ন পত্র বলতে কোন একটি বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অনাপত্তিমূলক সত্যায়ন করা বোঝায়।

অর্থাৎ কোন একটি বিষয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কোনো ধরনের আপত্তি নেই এমনটা বোঝানো হয়। আবার কোনো কোনো সময় নির্দিষ্ট বিষয়ে উক্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা বোঝায়।

প্রত্যয়ন পত্রের শ্রেণিবিভাগ

আমাদের দেশে কাজের ভিন্নতা অনুসারে বিভিন্ন ধরনের প্রত্যয়ন পত্র প্রচলিত রয়েছে।  সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • নাগরিক সনদ
  • চারিত্রিক সনদ
  • বিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র
  • কলেজের প্রত্যয়ন পত্র
  • বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র
  • চাকরির প্রত্যয়ন পত্র
  • কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র, ইত্যাদি।

প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজনীয়তা কি?

এসএসসি পাশ করার পর কলেজে ভর্তি হবার সময় বিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন পড়ে। এছাড়াও অনেক সময় এক বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলেও পূর্বের বিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজন হয়। বিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র মূলত একজন শিক্ষার্থীর উক্ত বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার প্রমাণস্বরূপ।

এইসএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার ক্ষেত্রে কলেজের প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজন পড়ে। এছাড়াও অনেক সময় কলেজ পরিবর্তন করা হলে পূর্বের কলেজের প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজন হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ নানা কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন হয়। যেমন: স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট খোলা, স্কলারশীপের জন্য আবেদন করতে, চাকুরীতে ভাইভা দেওয়া, ইত্যাদি।

একটি কোম্পানিতে চাকরি পেতে হলে অবশ্যই কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজন পড়বে।  কোনো কোম্পানিতে কর্মরত ব্যাক্তি তার পেশাগত সনদ হিসেবে কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র দেখাতে পারেন। কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র মূলত কোনো ব্যক্তির কর্ম অভিজ্ঞতার প্রমাণস্বরূপ কাজ করে থাজকে।

তাই, কোনো ব্যাক্তিকে তার পেশা প্রমানের জন্য কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন পড়ে। সাধারণত কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বরাবর মৌখিক আবেদনের মাধ্যমেই কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র পাওয়া যায়।

এছাড়াও, বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজে চারিত্রিক ও নাগরিক সনদ পত্র দেখানোর প্রয়োজন হয়।

প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন করার নিয়ম

অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে বা সংগঠন রয়েছে যেখান থেকে প্রত্যয়ন পত্র নেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদন পত্র লেখার প্রয়োজন পড়ে না। মৌখিক ভাবে আবেদন করেও প্রত্যয়ন পত্র উত্তোলন করা যায়। এ বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বা সংগঠনের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে।

বিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র, কলেজের প্রত্যয়ন পত্র, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র, চাকরির প্রত্যয়ন পত্র, কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র ইত্যাদি পাওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানের বরাবর আবেদন পত্র লেখতে হয়। আবেদন পত্র পর্যালোচনা করে উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয়।

নিম্নে প্রত্যয়ন পত্র উত্তোলন করার জন্য একটি নমুনা দরখাস্ত লেখার নিয়ম দেখানো হলো।

তারিখ – ২৩/৩/২০২০

প্রধান শিক্ষক
’ক‘ হাই স্কুল
মতিঝিল, ঢাকা

বিষয়: প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন।

মহাশয়,
আমার বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার নাম ……………………………………… , আমি নবম শ্রেণীর ………………….বিভাগের ছাত্র। এ বছর জেএসসি পরীক্ষায় আমি এ+ পেয়ে  উত্তীর্ণ হয়েছি। আমার জেএসসি পরীক্ষার রোল নং……………………………………, রেজিঃ নং ……………………………………………….। দীর্ঘ তিন বছর যাবৎ আমি আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছি। এই তিন বছরে আমি কোনোদিন আইন বিরোধী কাজের সাথে লিপ্ত হইনি। বর্তমানে আমার বাবার চাকরিস্থল পরিবর্তন হওয়ায় আমাকে অন্য একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আপনার স্বাক্ষরিত একটি প্রত্যয়ন পত্র আমার একান্ত প্রয়োজন।

অতএব মহাশয়,আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, উপরোক্ত কারণ বিবেচনা করে আমাকে একটি প্রত্যয়ন পত্র প্রদানে আপনার একান্ত মর্জি হয়।

বিনীত,
আপনার একান্ত অনুগত
”চ”
শ্রেণী – নবম
বিভাগ – ক
রোল – ০১

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম

প্রত্যয়ন পত্র সাধারণত একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বা সংগঠনের প্রচলিত প্যাডে কম্পিউটারে প্রিন্টেড থাকে। না থাকলে অফসেট কাগজে হাতে লিখিত হতে হবে। প্রত্যয়ন পত্র লেখার সাধারণ কিছু নিয়ম হলো-

  • পত্রের শিরোনামে “প্রত্যয়ন পত্র” লেখা থাকা আবশ্যক।
  • যে ব্যক্তিকে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হবে তার নাম এবং পূর্ণ ঠিকানা প্রত্যয়ন পত্রে উল্লেখ থাকবে।
  • পত্রের মূল অংশ দুই ভাগে বিভক্ত থাকে, যার মাধ্যমে পত্রের ভাবার্থ প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ যে কেউ যেন পত্রটি পড়ে পূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারে।
  • পত্রে তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তির নাম এবং স্বাক্ষর থাকতে হবে।
  • প্রত্যয়ন প্রদানকারী ব্যক্তি, সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের সিল এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাক্ষর থাকতে হবে।

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নমুনা

বাংলায় এবং ইংরেজিতে প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম পুরোপুরি একই। শুধুমাত্র বাংলায় লেখার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষায় প্রত্যয়ন পত্র লিখতে হবে। ইংরেজিতে প্রত্যয়ন পত্র লিখার ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া প্রত্যয়ন পত্র লেখার সকল নিয়ম-কানুন একই থাকে।

চলুন কিছু বহুল প্রয়োজনীয় প্রত্যয়ন পত্র লেখার নমুনা দেখে নেওয়া যাক।

নাগরিক সনদ লেখার নিয়ম

প্রত্যয়ন পত্র

এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, মোঃ…………………………., পিতা: …………………………, মাতা: ………………………., গ্রাম: ………………., পোস্ট অফিস: ………………., থানা: …………………………, জেলা: ……………………। তিনি এই এলাকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা। সে রাষ্ট্রবিরোধী কোন কর্মকান্ডের যুক্ত নয়।

আমি তার ভবিষ্যৎ জীবনের পরিপূর্ণ সাফল্য ও সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি।

স্বাক্ষর

সিলমোহর

চারিত্রিক সনদ লেখার নিয়ম

চারিত্রিক সনদপত্র

এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, মোঃ …………………., পিতা: ……………….., মাতা: ………………., গ্রাম: ………………., পোস্ট অফিস: ……………….., থানা: ………………., জেলা: ………………..। তিনি আমার পরিচিত। সে বাংলাদেশের নাগরিক ও অত্র ………………… ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা এবং বিশিষ্ট মুসলিম/হিন্দু পরিবারের সদস্য। এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কাজে তাকে আমরা জড়িত থাকার খবর পাইনি। তিনি বিবাহিত/অবিবাহিত।

তার নৈতিক চরিত্র অত্যন্ত ভালো এবং ব্যবহার অত্যন্ত আন্তরিক। আমি তার ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য ও সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি। 

সাক্ষর

সিলমোহর

চারিত্রিক সনদপত্র লেখার নিয়ম

চারিত্রিক সনদ পত্রের নমুনা

বিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম

প্রত্যয়ন পত্র

তারিখ:

এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, মোঃ ………………………………., পিতা: ………………………, মাতা: ……………………, গ্রাম: ………………., পোস্ট অফিস:……………………., থানা: …………………………, জেলা: …………………………। আমার বিদ্যালয়ের একজন আদর্শ ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে বিদ্যা অর্জন করেছেন। তার এসএসসি রোল নম্বর, পাশের সন, জিপিএ। আমি তার সার্বিক সফলতা ও সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি।

প্রধান শিক্ষকের সাক্ষর

বিদ্যালয়ের সিলমোহর

বিদ্যালয় প্রত্যয়ন পত্র নমুনা

কলেজের প্রত্যয়ন পত্র চেয়ে আবেদন পত্র

প্রত্যয়ন পত্র

তারিখ:

এই মর্মে প্রত্যয়ন করা হচ্ছে যে, মোঃ…………………………., পিতা:……………………, মাতা:……………………., ঠিকানা:…………… আমার কলেজের একজন আদর্শ ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে বিদ্যা অর্জন করেছেন। তার এইচএসসি রোল নম্বর………………, পাশের সন……………, জিপিএ……….। তার অর্জিত ফলাফল বেশ সন্তোষজনক। 

আমি তার ভবিষ্যৎ জীবনের সফলতা কামনা করছি এবং এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি সে যেনো নিজের পরিবারের এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি করতে পারে। 

প্রিন্সিপালের সাক্ষর

কলেজের সিলমোহর

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম

    প্রত্যয়ন পত্র

    তারিখ:

    এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, মোঃ ………………………………, পিতা: ………………………., মাতা: ………………………, গ্রাম: ………………………, পোস্ট অফিস: …………………., থানা: ……………………………, জেলা: ……………………, ডিপার্টমেন্ট: ……………………..। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কৃতিত্বের সাথে তার স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। 

    আমি তার ভবিষ্যৎ জীবনের সফলতা কামনা করছি এবং এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি সে যেনো নিজের পরিবারের এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি করতে পারে। 

    ডিপার্টমেন্ট প্রধানের সাক্ষর

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলমোহর

    কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র

    প্রত্যয়ন পত্র

    তারিখ:

    এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, মোঃ…………………………, পিতা:…………………, মাতা: ……………………., গ্রাম: ……………………, পোস্ট অফিস: ……………………….., থানা: ………………………., জেলা: ……………………. একজন নিষ্ঠাবান এবং দায়িত্ববাদ সৎ কর্মী হিসেবে আমার কোম্পানিতে বেশ কৃতিত্বের সাথে ……………….. পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    আমি একান্ত আশাবাদী, তিনি ভবিষ্যৎ যে কোম্পানিতে যাবেন সেই কোম্পানিতে  তার প্রতি অর্পিত সকল দায়িত্ব তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করবেন।

    স্বাক্ষর

    সিলমোহর

    চাকরির প্রত্যয়ন পত্র

    চাকরির বা কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র মূলত একই। কোম্পানি থেকে চাকুরিজিবী বা কর্মচারীদের জন্য যে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয় তাকেই কোম্পানির বা চাকরির প্রত্যয়ন পত্র বলে।প্রত্যয়ন পত্র লেখার ফরম্যাট

    প্রত্যয়ন পত্র

    তারিখ:

    এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, মোঃ ………………………, পিতা: ………………………., মাতা: …………………….., গ্রাম: ……………………………, পোস্ট অফিস: ………………, থানা: …………………….., জেলা: ……………………….। তিনি অত্যন্ত সরলতার সাথে তার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি একজন চাকরি প্রত্যাশী।

    আশা করি যে, তিনি ভবিষ্যতে যে চাকরি পাবেন তা তাকে সফলতার শীর্ষ স্থানে নিজেকে অধিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    স্বাক্ষর

    সিলমোহর

    প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম নিয়ে পরিশেষ

    আমাদের জীবনে প্রচলিত নানা কাজে প্রত্যয়ন পত্র একটি আবশ্যকীয় উপকরণ। এর দ্বারা নির্ভর করে আমাদের জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    আর্টিকেলটিতে আমি প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম সম্পর্কে সামগ্রিক সকল আলোচনা করতে চেষ্টা করেছি। সেই সাথে বিভিন্ন ধরনের প্রত্যয়ন পত্রের নমুনাগুলোও তুলে ধরেছি। আশা করি, প্রত্যয়ন পত্রের জন্যআবেদন থেকে শুরু করে প্রত্যয়ন পত্র দেওয়া নিয়ে আর অসুবিধা হবেনা।


    0 Comments

    মন্তব্য করুন

    Avatar placeholder

    আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    error: Content is protected !!