পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে? এ টু জেড জেনে নিন

পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

পাসপোর্ট আবেদন করতে যাওয়ার আগে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এই বিষয়ে জানা দরকার। কেননা, না জেনে আবেদন করতে গেলে বেশ ভাল সম্ভাবণা আছে যে আপনাকে অতিরিক্ত কাগজ সংগ্রহ করার জন্য ফেরৎ পাঠানো হবে। আপনি যদি বাংলাদেশী নাগরিক হয়ে থাকেন এবং পাসপোর্ট আবেদন করতে চান, তাহলে আমাদের এই আয়োজনটি আপনার জন্য। নিরবিচ্ছিন্নভাবে পাসপোর্ট আবেদন সম্পন্ন করতে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগবে ২০২২ এ তা জেনে নেওয়া যাক।

পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?

আপনি যদি ই পাসপোর্ট আবেদন না করে সরাসরি পুরাতন ম্যানুয়াল সিস্টেমে পাসপোর্ট আবেদন করতে কি কি লাগবে তা দেখে নিন:

১। পাসপোর্ট আবেদন ফরম বা ডি.আই.পি ফরম-১ ডাউনলোড করে ২ কপি প্রিন্ট করুন। ফরম দুইটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

২। ফরমের ৪র্থ পৃষ্ঠায় একজন সরকারী কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে।

৩।পূরণকৃত ফরমে সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আঠা দিয়ে লাগাতে হবে। তবে আবেদনকারী ১৫ বছরের কম অর্থাৎ, অপ্রাপ্ত বয়স্ক হলে বাবা ও মায়ের স্টাম্প সাইজের দুই কপি করে রঙ্গিন ছবিও আঠা দিয়ে লাগাতে হবে। ছবি লাগানোর পর তা সত্যায়িত করতে হবে।

৪। জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা জন্ম সনদ পত্রের দুই কপি (সত্যায়িত করে নিতে হবে)।

৫। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, গাড়ি চালক কিংবা অন্যান্য কারিগরী পেশায় জড়িতদের ক্ষেত্রে পেশাগত সনদপত্র সত্যায়িত করে সংযুক্ত করতে হবে।

৬। অফিসিয়াল পাসপোর্ট আবেদন করার জন্য সরকারী আদেশ তথা গভ. অর্ডার বা জিও সংযুক্ত করতে হবে।

৭। অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তাগণের ক্ষেত্রে পেনশনবুকের ফটোকপি প্রদান করলে সাধারণ ফিতে জরুরী সেবা পাবেন।

৮। পাসপোর্ট ফি এর পরিমাণ:

  • সাধারণ- ৩৪৫০.০০ টাকা
  • জরুরী- ৬৯০০.০০ টাকা

ই পাসপোর্ট আবেদন করতে কি কি লাগে?

পাসপোর্ট আবেদন করা থেকে শুরু করে পাসপোর্ট হাতে পাওয়া পর্যন্ত আমাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেই সমস্যাকে কিছুটা হলেও লাঘব করতে পেরেছে ই পাসপোর্ট আবেদন সেবা। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, ই পাসপোর্টের জন্য কোন কাগজ, ছবি সত্যায়িত করতে হয় না এবং ই পাসপোর্ট আবেদনপত্র অনলাইনে করতে পারবেন। ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে তা দেখে নিন।

১। জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ

২। অপ্রাপ্ত বয়স্ক পাসপোর্ট আবেদনকারীর জন্য অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের পাশাপাশি বাবা ও মায়ের ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার।

৩। কারিগরী পেশার সাথে জড়িত থাকলে টেকনিক্যাল সনদ আপলোড করতে হবে।

৪। পাসপোর্ট আবেদন করার পর আঞ্চলিক অফিসে যাওয়ার সময় অনলাইন আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি (পেজের দুইপাশেই প্রিন্ট করবেন), ব্যাংকে ই পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার রশীদ, জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র এর অরিজিনাল কপি এবং ফটোকপি, অপ্রাপ্ত বয়স্ক হলে বাবা ও মায়ের ভোটার আইডি কার্ড ও ফটোকপি সঙ্গে নিতে হবে। সেইসাথে ছাত্র হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড অথবা প্রত্যয়ন পত্রের মূল কপি ও ফটোকপি নিতে হবে। বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন হলে স্থায়ী ঠিকানার নাগরিক সনদপত্র থাকতে হবে।

ব্যাংক রশীদ, অনলাইন আবেদন পত্রের প্রিন্ট কপি, এবং সকল ফটোকপি একসাথে স্ট্যাপল দিয়ে সংযুক্ত করতে হবে।

পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে আশা করি এবিষয়ে পূর্ণ ধারণা পেয়েছেন। পাসপোর্ট বিষয়ক যেকোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

error: Content is protected !!