নতুন ব্লগ শুরু করার সময় আমাদের দুইটা প্রশ্ন মাথা আসে, ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস! কোথায় ব্লগ শুরু করবো? ব্লগারে শুরু করলে ফ্রিতে সাবডোমেইন পাওয়া যায়। তখন আবার দ্বিতীয় প্রশ্ন আসে, ফ্রি ব্লগস্পট সাব-ডোমেইন দিয়েই শুরু করবো নাকি কাস্টম টপ লেভেল ডোমেইন নিবো? গুগলের প্রোডাক্ট হওয়ায় সাবডোমেইনেই এডসেন্স পাওয়া যায়, তাই অনেকেই এই প্রশ্নে এসে সম্পূর্ণ বিনা খরচে ব্লগ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

কিন্তু, ফ্রি ব্লগ শুরু করা সম্পূর্ণ বোকামিই বলবো আমি, যেই ভুল নিজেও করেছিলাম। তাই আমি চাইনা, আপনিও ডোমেইন না কিনে ব্লগ শুরু করার মতো ভুল করেন।

ফ্রি ব্লগস্পট ডোমেইন এর অসুবিধা ও নেগেটিভ দিক

free blogspot domain ব্যবহার করার অনেকগুলো অসুবিধা রয়েছে। তার মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • ব্যাড ইম্প্রেসান ও লো ক্লিক রেট
  • ব্যকলিঙ্ক না পাওয়া
  • ব্যকলিঙ্ক হারানো
  • অ্যাডসেন্স পুনরায় নেওয়ার ঝামেলা

ফ্রি ডোমেইনে ক্লিক রেট কম থাকে

কথায় আছে, ”আগে দর্শনধারী, পরে গুণ বিচারী“। Free Blogspot ডোমেইন ব্যবহার করার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো ইম্প্রেসন নষ্ট হওয়া।

আপনিই বলুন তো, যদি একই কিওয়ার্ডের জন্য গুগল সার্চ রেজাল্টে গুগল ব্লগস্পট সাবডোমেইন ব্যবহার করা কোনো সাইট নাম্বার ওয়ান পজিশনে থাকে, এবং দ্বিতীয় নাম্বারে কোনো রেপুটেটেড সাইট থাকে, আপনি কোন আর্টিকেলটিতে পড়ার জন্য ক্লিক করবেন?

সার্চ ইঞ্জিনে রেজাল্টে আমরা কি দেখি? সাইটের নাম, ডোমেইন, আর্টিকেল টাইটেল এবং ফিচার স্নিপেট।

একটি টপ লেভেল ডোমেইন সম্পূর্ণ সাইটের চেহারাই পরিবর্তন করতে পারে। আপনার সাইটের বয়স কত, কতটি আর্টিকেল আছে, কিংবা কি পরিমাণ ভিজিটর পাচ্ছেন, এসব সবাই দেখতে যাবেনা।

লক্ষ্য করে দেখুন, ডোমেইন নাম ছাড়া বাকি সবকিছু মোটামুটি সবার একই রকম থাকে। তাই একজন টেক ভিউয়ার সঠিক আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ডোমেইন নেম এর দিকে বেশ ভালোভাবেই নজর দেয়।

আপনার ব্লগটি যদি হয় ব্লগারদের জন্য বিভিন্ন টিপস বিষয়ক, তবে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন, অধিকাংশ ইম্প্রেসনেই আপনি ক্লিক পাবেন না, যদিওবা আপনার আর্টিকেলগুলো খুব ভালো পজিশনে অবস্থান করছে।

ব্যকলিঙ্ক না পাওয়া

একজন ব্লগার হিসেবে আপনি কি এমন ব্লগে ব্যকলিঙ্ক দিতে চাইবেন যা কিনা কিছুদিন পর থাকবে কি থাকবে না, তার গ্যারান্টি নেই!

এসইওতে ব্যকলিঙ্ক পাওয়া যেমন জরুরী, তেমনি ব্রোকেন লিঙ্ক খুঁজে বের করে ফিক্স করাটাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যকলিঙ্ক আমরা সেসব সাইটকেই দেই, যেসব সাইট ট্রাস্টেড এবং অথরিটি ভালো। কিন্তু ওই যে, আপনার ব্লগে ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করায় ইম্প্রেসন নষ্ট হচ্ছে। আর্টিকেল যত ভালোই হোক, আপনাকে ব্যকলিঙ্ক দিয়ে আমার কোনো লাভ হবে এই আশা নেই। বরং, কিছুদিন পর হয়তো ব্রোকেন লিঙ্ক লিস্টে পাওয়া যাবে, মনে সেই ভয় আসে।

আপনি ভালো আর্টিকেল লেখার পরেও কোনোরকম ন্যাচারাল ব্যকলিঙ্ক পাওয়ার আশা করতে পারেননা। অর্থাৎ, আপনার সাইটের অথরিটি বাড়বেনা, যার কারণে প্রতিযোগীদের থেকে পিছিয়ে যাবেন।

ব্যকলিঙ্ক হারিয়ে ফেলবেন

ধরে নিলাম, ৬ মাস পর আপনি আমার মতো রিয়ালাইজ করলেন যে, নাহ এবার টপ লেভেল ডোমেইন নিতেই হবে।

ফ্রি ব্লগস্পট ডোমেইনের সাথে কাস্টম লেভেল ডোমেইন এড করলে সবগুলো লিঙ্ক রিডাইরেক্ট হয়ে যায়, সেক্ষত্রে আপনার ট্রাফিক লস হবেনা।

কিন্তু, আপনার নিজের তৈরি করা বিভিন্ন ফোরাম বা সাইটের ব্যকলিঙ্ক, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার কারনে যেসব ব্যকলিঙ্ক তৈরি হয়েছিল, বা যতটুকু ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি পেয়েছিল নতুন ডোমেইনের সাথে এসব কিছুই থাকবেনা।

অর্থাৎ, আবারো শূন্য থেকে ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে হবে।

নতুন ডোমেইনে অ্যাডসেন্স পেতে আবারো রিভিউ করাতে হবে

প্রতিদিন হাজার হাজার ওয়েবসাইট অনলাইনে আসছে, যারা ইনকামের জন্য অ্যাডসেন্স পেতে এপ্লাই করে। তাই গুগলে অ্যাডসেন্স পাওয়া এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন এবং সময় সাপেক্ষও বটে।

তাছাড়া, সাইটে কন্টেন্ট যতেবেশি হবে, অ্যাডসেন্স পাওয়া ততো কঠিন হয়ে যায়, পলিসি ভায়োলেশন সমস্যা বেশি দেখা দেয়।

একটু খুলে বলা যাক, প্রথমবার গুগল এডসেন্স পাওয়ার আগে নিশ্চয়ই আপনার কনটেন্ট নিয়ে শতভাগ নিরাপদ অবস্থানে ছিলেন। কিন্তু এডসেন্স পাওয়ার পর হয়তো এমন কিছু কিওয়ার্ড নিয়ে লিখেছেন, যেগুলো এডসেন্স এর পলিসি ভায়োলেট করে।

যেমন, এডসেন্স পাওয়ার আগেই এডসেন্স গাইড নিয়ে লিখলে অনেকসময় সেই সাইটকে স্প্যাম ধরে নেয়। কারণ, আপনার নিজের অ্যাডসেন্স নাই, তাহলে আপনি কিভাবে এবিষয়ে জ্ঞান দিচ্ছেন! তাই এডসেন্স এপ্রুভ হয়না।

একটা উপায় থাকে, এরকম আর্টিকেলগুলো ড্রাফট করে নেওয়া, সেক্ষেত্রে গুগলে আর্টিকেল পজিশন এবং ট্রাফিক হারানোর বিরাট সম্ভাবণা তৈরি হয়।

তাহলে? এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, একটি ডোমেইন কিনে ব্লগ শুরু করবেন? নাকি ফ্রি সাবডোমেইন দিয়ে ব্লগিং শুরু করে পরে টপ লেভেল ডোমেইন কিনবেন।

প্রায়শই জিজ্ঞেসিত কিছু প্রশ্নসমূহ

আমি কি ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করার পর সেটাকে আবার পেইড ডোমেইন এর সাথে রিপ্লেস করতে পারব?

উত্তর: হ্যা অবশ্যই পারবেন, তবে সেক্ষেত্রে ডোমেইন ট্রান্সফার করার জন্য পিন ভেরিফিকেশন করতে হয়। আপনার ফ্রি ডোমেইন প্রোভাইডার ভেরিফাই করার সুযোগ দিচ্ছে কিনা, সেটা দেখে নিতে হবে।

তবে ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার থেকে প্রাকটিস ব্লগ করার জন্য নেওয়া যেতে পারে, প্রফেশনাল ব্লগিং এর জন্য ফ্রি ডোমেইন বা হোস্টিং ভালো সমাধান নয়।

ব্লগের জন‍্য কি প্রথমেই ডোমেইন হোস্টিং কিনতে হবে?

উত্তর: ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ শুরু না করলে হোস্টিং দরকার হয়না। ব্লগস্পটের ক্ষেত্রে শুধু ২০০ থেকে ১৫০০ টাকার ডোমেইন কিনতে হয়। যদি প্রথমেই না কিনতে চান, তবে উপরের আলোচনায় উল্লেখ করা বিভিন্ন ঝামেলায় পড়ে যাবেন।

আমার যদি একটা বিনামূল্যে ব্লগার সাইট দিয়ে ওয়েবসাইট খুলে Rank করে পরে ডোমেইন হোস্টিং কিনি, তাহলে কি Rank হারাবে?

এটা ডিপেন্ড করে কতটা কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ডে Rank করেছেন। সেরকম কোনো কম্পিটিশান না থাকলে হারাবেনা, তবে কম্পিটিটর অথরিটি ভালো থাকলে হারাবে।

ডোমেইন এবং হোস্টিং কেনার পূর্বে কোন বিষয়গুলির দিকে খেয়াল রাখতে হবে?

ডোমেইন কেনার সময় কোম্পানীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নিরাপত্তা ফিচার দেখলেই চলে। তবে হোস্টিং কেনার সময় অনেক বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়।

নিজের প্রয়োজন অনুসারে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি, ব্যান্ডউইথ, অ্যাড-অন ডোমেইন, আপটাইম, এসএসএল সার্টিফিকেট, প্রভৃতি।

বিস্তারিত জানতে দেখে নিন, হোস্টিং কেনার পূর্বে যেসব বিষয়ে জানা জরুরী

ব্লগস্পটে অ্যাডসেন্স অনুমোদিত হয় কি? ব্লগ সাইটে ডোমেইন ক্রয় করা ব্যতীত কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?

যি, অবশ্যই যাবে। তবে আমি আপনাকে আবারো বলবো, ব্লগস্পটে ব্লগিং করেন সমস্যা নেই, তবে একটি কাস্টম ডোমেইন কিনে সেট করে নিন।

মাস্টারকার্ড ছাড়া কি ডোমেইন ক্রয় করা যাবে?

যি, সেক্ষেত্রে দুইটা পদ্ধতি। প্রথমত, দেশের বাইরে থেকে নিতে গেলে যার কাছে আছে, তার হেল্প নিন (নট রিকমান্ডেড)।

অথবা, দেশের ভালো হোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার থেকে বিকাশ/নগদ এর মাধ্যমে পেমেন্ট করে কিনতে পারবেন।

Blogger আর wordpress এর মধ্যে কোনটি ভালো?

দুইটাই ভালো, আপনার প্রয়োজন এবং প্রযুক্তি বিষয়ক নলেজ কতটুকু তার উপর নির্ভর করে আপনার জন্য কোনটা বেস্ট। কম খরচে, কোনো কিছু না জেনেই সিম্পল ব্লগিং করার জন্য ব্লগার প্লাটফর্ম বেস্ট।

অন্যদিকে, যেকোনো ধরনের কাস্টম ডিজাইন তৈরি করা, যেকোনো প্রয়োজনীয় ফিচার যুক্ত করার সুবিধা চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস এর তুলনা নেই। তবে ওয়ার্ডপ্রেস তুলনামূলক জটিল এবং শিখতে সময় লাগে।

দেশীয় ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডারদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?

এখন পর্যন্ত যাদের সাথেই কাজ করেছি, সাপোর্ট সিস্টেম ডায়ানাহোস্ট এর ভালো। তবে BDIX সার্ভার বলেন, আর শেয়ারড হোস্টিং, কোনোটাতেই স্পিড ভালো পাইনি।

সবগুলোতেই পেজ লোড নিতে গড়ে ৪ সেকেন্ড এর মতো সময় লাগে (অ্যাডসেন্স আছে এমন সাইটে), যার কারনে সার্চ কনসোল রিপোর্টে প্রায়শই কোর ভাইটাল ইস্যু ডিটেক্ট করে। স্পিড ভালো পাওয়া যায়, এমন দেশী হোস্ট সার্ভার সম্পর্কে জানলে জানাবেনতো, প্লিজ।

বাংলাদেশে সেরা ডোমেইন হোস্টিং প্রভাইডার সাইট কোনটি?

আপনাকে আগেই বলেছি, দেশী সাইটে স্পিড আশা করবেন না। অন্য সবদিক বিবেচনায় ডায়ানাহোস্ট এবং এক্সনহোস্ট বেশ ভালো। দেশের সেরা ৫টি হোস্টিং প্রোভাইডার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

একটা ডোমেইনের সর্বোচ্চ কটা সাবডোমেইন নেওয়া যায়?

প্রথমত, ব্লগস্পট অর্থাৎ গুগল ব্লগারে কোনো সাবডোমেইন তৈরি করার সুযোগ নেই। ওয়ার্ডপ্রেসে নির্দিষ্ট থেকে অনির্দষ্ট সংখ্যক পর্যন্ত সাবডোমেইন তৈরি করা যায়, যা আপনার হোস্টিং প্লানের উপর নির্ভর করে।

ব্লগ খুলেছি। ঘন্টায় ১০০ বার ভিউ হয়েছে, কী পরিমাণ ভিউ হলে, অ্যাডসেন্স-এর যোগ্যতা পাবো?

অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য প্রচুর ভিজিটর আসতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে সাইটে এক্টিভিটিস আছে বুঝানোর জন্য কিছু পরিমাণ ট্রাফিক দরকার হয়।

সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসলে প্রতিদিন ১০ জনই যথেষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ট্রাফিক আনলে নূন্যতম ৫০ জন আসলে ভালো হয়।

তবে যতবেশি ট্রাফিক থাকবে, তত দ্রুত অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাবেন।

ব্লগিং করে কিভাবে টাকা উপার্জন করব?

ব্লগিং করে বিভিন্নভাবে টাকা ইনকাম করা যায় যেমন, এডসেন্স, এডসেন্স বিকল্প নেটওয়ার্ক, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, কোর্স বিক্রি, লোকাল বিজ্ঞাপন, ইত্যাদি।

হোস্টিং এবং ডোমেইন আলাদা ভাবে কিনলে পরবর্তীতে কীভাবে হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন অ্যাড করতে হয়?

হোস্টিং কেনার সাথে সাথে আপনাকে নেম সার্ভার প্রোভাইড করা হবে। ডোমেইন ম্যানেজমেন্ট এ নেম সার্ভার হিসেবে সেইগুলো এড করে দিলেই তারা নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে নিবে।

একটি ওয়েব ব্লগ খুলতে চাই। ওয়েব ব্লগ নিজের নামে খুলতে কত টাকা প্রয়োজন হবে?

এক কথায় বলা এটা বেশ কঠিন। ব্লগস্পটে খুললে মিনিমাম ২ থেকে ৭০ ডলারের মাঝেই সবকিছু হয়ে যাবে, এর মাঝে ডোমেইন, প্রিমিয়াম থিম এবং ডেভেলপার খরচ রয়েছে।

খরচ আসলে বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। বিস্তারিত জানার জন্য পড়ে নিন, ব্লগ শুরুর আগে কি কি জানতে হবে

ব্লগে ফ্রি-ডোমেইন এবং ফ্রি-থিম থাকলে কি এডসেন্স পাব?

হ্যা পাবেন, তবে ফ্রি থিমে বিভিন্ন কোড মিসিং থাকে, এছাড়া কোনোরকম সাপোর্ট পাবেন না। সবচেয়ে বড় কথা, প্রায়শই নিরাপত্তা ত্রুটি দেখা দেয়, তাই আপনার অবশ্যই একটি প্রিমিয়াম থিম নেওয়া উচিৎ।

ওয়ার্ডপ্রেস থেকে পরে ব্লগারে আসতে পারবো?

যি, পারবেন, তবে এখানে দুইটি সমস্যা আছে। আপনার পার্মালিঙ্ক চেঞ্জ করতে পারবেননা, ব্লগস্পটের মতোই লিঙ্কে তারিখ এবং শেষে html লেখা থাকবে।

অর্থাৎ, ওয়ার্ডপ্রেস পার্মালিঙ্ক এসইও ফিচার ব্যবহারের সুযোগ পাবেননা। কারণ পরিবর্তন করলে ট্রাফিক এবং পজিশন হারিয়ে ফেলতে পারেন। তবে রিডাইরেক্ট করে দিতে পারবেন, যদিও আর্টিকেল বেশি থাকলে বেশ কঠিন কাজ।

দ্বিতীয়ত, ব্লগারে ফিচার ইমেজ সেট করা যায়না, প্রথম ইমেজকেই ফিচার হিসেবে ধরে নেয়। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেসে ফিচার ইমেজ অ্যাড করতে হয়।

তাই আর্টিকেল ইম্পোর্ট করার পর ম্যানুয়ালি ফিচার ইমেজ অ্যাড করে দিতে হবে, আর্টিকেল বেশি থাকলে যা বেশ বিরক্তির হতে পারে।

শেষ কথা

আমাদের আলোচনায় টপ লেভেল ডোমেইন ও ব্লগস্পট সাব ডোমেইন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় জেনেছি।

আশা করি, কেন আপনার ফ্রি ব্লগস্পট ডোমেইনে ব্লগ না করে টপ লেভেল ডোমেইন কিনে ব্লগিং শুরু করা উচিৎ, সেসম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন।

ব্লগিং পেশা বা শখ যেভাবেই নেন না কেন, প্রফেশনাল হওয়ার বিকল্প নেই। একটি ভালো মানের রিলেভেন্ট কাস্টম ডোমেইন আপনাকে এইক্ষেত্রে বেশ সহায়তা করতে পারে।


Abdullah

বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে অধ্যয়নরত। জানার আগ্রহ থেকে whyorwhen এবং Pratiborton এ লেখালেখি করি।

0 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।