ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন – এ টু জেড জেনে নিন

ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন

ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন passport হাতে পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ইনভেস্টিগেশন অফিসার ক্লিয়ারেন্স রিপোর্ট দেওয়ার পরেই কেবল আপনার আবেদন ঢাকার পাসপোর্ট অফিসে পৌঁছাবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট নেগেটিভ হলে আপনার পাসপোর্ট আবেদনের যাত্রা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস পর্যন্তই থাকবে। মোট কথা, আপনি পাসপোর্ট পাবেন না!

বর্তমানে ঘরে বসে অনলাইনে ই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়। আপনি যদি ইতিমধ্যে অনলাইনে আবেদন এবং আঞ্চলিক অফিসে ই পাসপোর্ট আবেদন পত্র জমা, ছবি উঠানোসহ অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করে থাকেন, তবে পরবর্তীতে ই পাসপোর্ট হাতে পেতে সবচেয়ে বড় বাধা ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন।

ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন কি?

Police Verification এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোন প্রার্থী/নাগরিকের প্রদান করা সকল দাপ্তরিক ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই করা হয়।

একজন নাগরিক হিসেবে আপনার বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন জায়গা যেমন: পাসপোর্ট, চাকরি জয়েন বা লাইসেন্স করার সময় আপনার দেওয়া তথ্য কতটুকু সত্য তা যাচাই করার জন্য একজন পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তিনি আপনার এলাকায় গিয়ে এসব তথ্য যাচাই করে দেখেন। আর এই প্রক্রিয়াকে পুলিশ ভেরিফিকেশন বলে।

আপনি যদি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করে থাকেন, তার অর্থ আপনি দেশের বাইরে যেতে ইচ্ছুক (ব্যতিক্রম কারণও থাকতে পারে)। সেক্ষেত্রে, আপনার নামে দেশে কোন অভিযোগ আছে কি না, তা খুঁজে দেখতেই মূলত পুলিশ ভেরিফেকশন করা হয়।

ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফেকেশন প্রক্রিয়া

ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন এক জায়গায় কিংবা দুই জায়গায় হতে পারে। আপনি যদি বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা একই দিয়ে থাকেন, তবে শুধুমাত্র এক জায়গাতেই ভেরিফিকেশন হবে।

যদি বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা আলাদা হয়, সেক্ষেত্রে দুই জায়গাতেই ভেরিফিকেশন করা হবে এবং দুজন পুলিশ অফিসার দায়িত্বে থাকবেন।

সাধারণত, স্থায়ী ঠিকানার ক্লিায়ারেন্স পেলে তারপর বর্তমান ঠিকানায় ভেরিফিকেশন করার জন্য আরেকজন অফিসারের কাছে অর্ডার আসবে।

Related:  ই পাসপোর্ট ফি কত ২০২২ | পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে

স্থায়ী ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফাই করতে গেলে সাধারণত নাগরিক সনদ পত্র বা চেয়ারম্যান প্রত্যয়ন পত্র এবং ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি দিতে হয়। যদি আপনি সেইস্থানে পুলিশ আসার সময় অবস্থান করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে পরিচিত কারো কাছে এই ডকুমেন্টসগুলো পাঠিয়ে দিবেন।

একইভাবে, আপনার বর্তমান ঠিকানায় পুলিশ আসার পরেও এজাতীয় কাগজপত্র চাইবে। শহরে থাকলে চেয়ারম্যান সনদের জায়গার কাউন্সিলর থেকে প্রাপ্ত নাগরিক সনদ পত্র দরকার হতে পারে। তাছাড়া, আপনি যদি ছাত্র হয়ে থাকেন, তাহলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের মূল কপি দেখানোর প্রয়োজন হতে পারে।

পুলিশ ভেরিফিকেশনে নেগেটিভ রিপোর্ট আসার কারণ কী?

ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন দেশ ও দেশের আইনের শাসনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, পাসপোর্ট পেয়ে গেলে বিদেশে চলে যেতে আর খুব একটা বাধা থাকে না। সেক্ষেত্রে কোন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী, মামলা চলমান অবস্থা কিংবা অন্য কোন অপরাধে জড়িত কোন নাগরিক যেন দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তো চলুন, e-passport police verification report নেগেটিভ বা ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলো কি তা জেনে নেওয়া যাক:

  1. আবেদনকারী কোন ফৌজদারী, রাজনৈতিক বা অন্য কোন মামলায় অভিযুক্ত, গ্রেফতার, দন্ডিত, বা নজরবন্দি থাকলে।
  2. আবেদনকারীর কোন মামলায় সাজাপ্রাপ্তির রেকর্ড থাকলে।
  3. কোন দেশদ্রোহী ও নাশকতামূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকলে।
  4. ই পাসপোর্ট আবেদনকারীর চারিত্রিক ও সামাজিক অবস্থান।

আপনি যদি এধরনের কোন কর্মকান্ডে জড়িত না থাকেন, তবে আশা করতে পারেন পুলিশ ভেরিফিকেশনে ক্লিয়ারেন্স রিপোর্ট চলে আসবে এবং পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। পরবর্তীতে ই পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করলে দেখবেন পেন্ডিং ফর ফাইনাল এপ্রুভাল। এরপর প্রিন্ট হয়ে আঞ্চলিক অফিসে চলে আসবে, তখন সেখান থেকে মেইল কিংবা মেসেজ পাওয়ার পর গিয়ে ডেলিভারী নিতে পারবেন।

ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনে সাধারণত এক জায়গায় করলে ৭-১০ দিন সময় প্রয়োজন হয়। তবে বর্তমান ও স্থায়ী দুই ঠিকানাতেই করতে ১৫-২০ দিন সময় প্রয়োজন হবে।

Related:  ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২২

আশা করি, ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভাল একটি ধারণা পেয়েছেন। এখনো কোন প্রশ্ন থেকে থাকলে কমেন্ট বক্স আপনার জন্য উম্মুক্ত রইলো।

44 thoughts on “ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন – এ টু জেড জেনে নিন”

  1. আমার এমআরপি পাসপোর্ট ছিল বিদেশে হারিয়ে গেছে দেশে পাসপোর্ট ছাড়া চলে এসেছি কিন্ত নতুন আরেকটা পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করবো এবং জিড়ি করেছি NID তে মোহাম্মদ-এ E আছে আর পাসপোর্ট-এ A রয়েছে এইটি কোর্ট এফিডেবিট করেছি। আমি এখন সহজে পাসপোর্ট আবার পাবো? নাকি ক্লিয়ারেন্স বা অন্য কিছুর জন্য দেরি হবে?

    1. আপনি কি আপনার পূর্বের পাসপোর্ট নাম্বার সাবমিট করেছেন? করে থাকলে পূর্বের পাসপোর্ট এর ফটোকপি (যদি থাকে), জিডি কপি, এভিডেভিড কপি সঙ্গে রাখুন। পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকশনের জন্য আসা কর্মকর্তাকে এসব কাগজ দেখালে আর কোন সমস্যা হবে না। তবে ভালো হতো যদি আপনি পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর তথ্য উল্লেখ না করতেন। এখন আপনাকে কিভাবে পাসপোর্ট ছাড়া দেশে আসলেন, সেবিষয়ে হয়তো জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে

  2. আমার আগেই MRP. পাসপোর্ট ছিল, এবং আমার বর্তমান ঠিকানা চেঞ্জ হইছে।
    এখন আবার করতে কি পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে?
    হলে কি আমার বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা দুটিতেই হবে?

    1. পাসপোর্ট থাকলেও আপনার পুলিশ ভেরিফিকশন হবে, কেননা ৫ বছর ১০ বছরে অনেক কিছুই আমাদের জীবনের পরিবর্তন হয়ে যায়

  3. আমি নতুন ই পাসপোর্ট বানাইতে finger and others document যুক্ত করে ১৪ আগস্ট ২০২২ ওকে করি,
    কিন্তু আমার সব তথ্য ঠিক আছে,
    status এ আছে pending police verifaction, কিন্তু আজ ২৬ আগস্ট এখনো পুলিশ কল দেই নাই আমাকে, খু চিন্তুিত আমি,

    আমার এখন কি করা প্রয়োজন, দয়া করে তথ্য দিয়ে হেল্প করবেন🙂🙂🙂🙂

    1. ৩০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপরও পুলিশ ভেরিফিকশনের জন্য না আসলে নিজেই ডিএসবি অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করবেন। অবশ্যই পাসপোর্ট স্লিপ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ (ভোটার আইডি, স্টুডেন্ট আইডি কার্ড, ইত্যাদি) সাথে নিবেন

  4. ঘুষ না দেওয়ার কারনে,পুলিশ যদি রির্পোট দিতে দেরি করে অথবা নেগেটিভ রির্পোট দেয়,তাহলে কি করনীয়??

    1. ডিএসবি অফিসে গিয়ে সেই অফিসারের নামে অভিযোগ করতে পারেন। তবে সুনির্দিষ্ট করণীয় সম্পর্কে জানতে কোনো আইনজীবী বা পুলিশের কোন কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন

  5. আমার স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা আলাদা।
    বর্তমান ঠিকানা পুলিশ ভেরিফিকেশন আসছিলো।
    কিন্তু স্থায়ী ঠিকানা পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য কোনো যোগাযোগ না করেই ঠিকানা ভুল দিয়ে দিয়েছে।
    ঠিকানা আমার ভোটার আইডি অনুযায়ী ঠিক ই ছিল।
    এর কারন কি?
    এখন পুনরায় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য আবেদন করেছি।
    পুনরায় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য কতদিন সময় লাগতে পারে?
    এবং একই ভাবে ফোন না দিয়েই যদি আবার নেগেটিভ দিয়ে দেয় তাহলে করনিয় কি?

  6. স্যার,
    আমার এনআইডি সংশোধনের আবেদন করার পর কোন রেসপন্স না পাওয়ায়, এনআইডি সংশোধনের আবেদনটি বাতিল করি।বর্তমানে আমার এনআইডি সংশোধনের আবেদনটি বাতিল না হয়ে পেন্ডিং অবস্থায় আছে।অন্যদিকে বর্তমান এনআইডি দিয়ে পাসপোর্ট করা আবেদনটি পুলিশ ভেরিফিকেশনে পেন্ডিং আছে।এক্ষেত্রে এনআইডি সংশোধনটি পেন্ডিং অবস্থায় থাকলে,বর্তমান এনআইডি দিয়ে করা পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং পাসপোর্ট পেতে কোন সমস্যা হবে কি?
    প্লিজ ১০০% সঠিক উত্তর দিবেন। বিষয়টি অতীব জরুরী।

    1. নাহ, আপনার পাসপোর্ট আবেদনের তথ্য বর্তমার এনআইডির সাথে মিল থাকলে পাসপোর্ট পেতে এবং পুলিশ ভেরিফিকশনে কোন সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ।

  7. আমার পাসপোর্ট আবেদন করার আগে আমি আমার এনআইডি এর সংশোধনের আবেদন করেছিলাম।কিন্তু ১ সপ্তাহে কোন রেসপন্স না পাওয়ায় আমি বর্তমান এনআইডি দিয়ে পাসপোর্ট আবেদন করি এবং ফিংগার দেই।কিন্তু এখন যদি পুলিশ ভেরিফিকেশনের আগে আমার এনআইডি সংশোধন হয়ে যায় তাহলে আমার পাসপোর্ট হবে কি?
    আর যদি পাসপোর্ট না হয় তাহলে পাসপোর্ট কিভাবে সংশোধন করবো? সংশোধন করার প্রক্রিয়া কি? প্লিজ একটু বুঝিয়ে দিন।

    1. আপনার বর্তমান এনআইডির সাথে মিল রেখে পাসপোর্ট আবেদন করে থাকলে পরবর্তীতে পুলিশ ভেরিফিকশনে এই এনআইডিই সাবমিট করবেন। সেক্ষেত্রে আপনি পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন, তবে পাসপোর্টেও একই ভুল থাকবে।

      পরবর্তীতে পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট কাগজ এবং পুরাতন পাসপোর্ট ও পাসপোর্ট সংশোধন ফি জমা দেওয়া সাপেক্ষে আবেদন করে পাসপোর্ট সংশোধন করতে পারবেন।

    1. দুইটা এড্রেসেরই কাগজ দিতে হয়। তবে, যদি আপনি চাকরি কিংবা পড়াশোনার সূত্রে বর্তমান ঠিকানায় অবস্থান করেন তবে প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র অথবা আইডি কার্ডের ফটোকপি দিলেও হবে। স্থায়ী ঠিকানার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান বা কমিশনার থেকে প্রাপ্ত নাগরিক সনদপত্র বাধ্যতামূলক

  8. পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশ নিজে না এসে থানায় ডাকে এবং কাজ শেষ করার পর টাকা চায় তারপর তাদেরকে টাকা দিতে হয় এইটা কতটুকু বৈধ ?

    1. খুবই দুঃখজনক। দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের উচিৎ আপনার বাড়িতে নিজে আসা। ঘুষ দেওয়া এবং নেওয়া দুই-ই অপরাধ। কিন্তু, আমরা মনে হয় খুব বাজে সিস্টেমের ভুক্তভোগী।

  9. একটু ধীরে সুস্থে পড়ুন তারপর সাজেশান দিন প্লিজ।

    আমার সকল একাডেমিক সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট, NID তে আমার বাবার নাম একটা দেয়া, ‘মোঃ নান্না হাওলাদার’

    কিন্তু আমার বাবার NID তে ভিন্ন নাম দেয়া। ‘মোঃ নান্নু’ নোটঃ এই ভুলটা NID অফিস করেছিলো।

    মানে আমার সকল ডকুমেন্ট এ বাবার নাম একই ইউজ করেছি।

    এখন পাসপোর্ট করতে চাই, তো কোন ঝামেলা হবে কিনা?? এখানে কোনটা ইউজ করব??
    বা অন্য কোথাও এটা নিয়ে কি কোন ঝামেলা হবে???

    #thankyou
    #urgent_help

    1. আপনার বাবার ভোটার আইডি কার্ড আপনার পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে কোনোরকম প্রভাব ফেলবে না। আপনার ভোটার আইডি এবং সার্টিফিকেটে যে নাম আছে, সেটাই ব্যবহার করুন। পাসপোর্ট পেতে কোনো সমস্যা হবেনা ইনশাআল্লাহ। তবে, আপনি চাইলে আপনার বাবার ভোটার আইডি কার্ডের নাম অনলাইনে সংশোধনের আবেদন করতে পারেন। যা ৭ দিনের মাঝেই হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর জন্য আবেদন করবেন, তা আমাদের সাইটের টিউটোরিয়াল থেকে দেখে নিতে পারেন

  10. আমার স্থায়ী ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফািকেশন হয়েছে আরো ১০-১১ দিন আগে এবং সব কাগজপএ দিয়েছি এবং তিনি তার রিপোর্ট ও পাঠিয়েছেন। কিন্তু আমার বর্তমান ঠিকানায় এখনো পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে আসেনি যার কারনে আমার পাসপোর্ট এর বাকি কাজ গুলো আটকে আছে। সেক্ষেএে আমার করণীয় কি।কি করলে যাতে পুলিশ ভেরিফিকেশন টা যাতে তারাতারি হয়ে যায়

    1. আপনি যেসব কাগজ স্থায়ী ঠিকানায় দিয়েছেন, সেইসব কাগজপত্রের ১সেট ফটোকপি নিয়ে আপনার বর্তমান ঠিকানার DSB পুলিশ অফিসে যোগাযোগ করুন।

  11. বিমল কৃষ্ণ চাকমা

    ডিয়ার স্যার,
    আমি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার চাকমা সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত একজন সরকারী চাকুরীজীবি। আমার মৃত পিতার নামে জমিজমা থাকলেও সরাসরি এখনও আমার নামে জমি নেই। ইতিমধ্যে আমার ছেলে সরকারী খাতে আটহাজার পঁঞ্চাশ টাকা জমার রশিদ সহ এনআইডি, ইউপি চেয়াম্যান সনদ জমা দিয়ে পাসপোর্টের আবেদনের প্রাথমিক কার্যক্রমগুলি সু-সম্পন্ন করেছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে আমার ছেলের এনআইডি(স্মার্ট কার্ড) সহ মৌজার হেডম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, চার্কেল চীফ(রাজা) ও জেলা প্রশাসক মহোদয় সকলের প্রদত্ত স্হায়ী বাসিন্দার সনদপত্র(আলাদা আলাদা) রয়েছে। তারপরেও নাকি পুলিশ ভেরিফিকেশনে স্থায়ী বাসিন্দা প্রমানের জন্য নিজের নামীয় জমির দলিল দরকার। যা’ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে মোবাইলে জানানো হয়। পাসপোর্ট সংক্রান্ত ওয়েভসাইটে অনেক অনেক ঘাটাঘাটি করে দেখলাম কিন্তু জমির দলিলটি আবশ্যক বলে মনে হলো না আমার। এমতাবস্থায় আমার ছেলের পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন পর্বটি পজিটিভ করতে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি ?

    1. স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার অলিখিত পূর্বশর্ত নিজস্ব জমি। যেহেতু আপনাদের জমি আছে, কিন্তু এখনো নিজের নামে নাই, সেক্ষেত্রে
      আপনি সরাসরি DSB অফিসে যোগাযোগ করুন। অবশ্যই আপনার বাবার যেসব দলিল রয়েছে সেসব সাথে নিবেন। পাশাপাশি আপনার ছেলের কাগজের সাথে আপনার এনআইডি এবং স্থায়ী বাসিন্দা প্রমাণ করে এমন কাগজপত্রও নিবেন।

  12. আমাদের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা একটাই NID অনুযায়ী। তবে আমরা ভাড়া বাড়িতে থাকি। এখন পুলিশ এটার জন্য নেগেটিভ দিয়েছে। এখন আমরা কি করতে পারি?

    1. আপনার ভাড়া বাড়ি পাসপোর্ট আবেদনের স্থায়ী ঠিকানায় দিলে হবে না। NID অনুযায়ী ঠিকানা দিন এবং সেখানে আপনার পরিচিত কাউকে বলে রাখলে তিনি পুলিশকে হেল্প করবেন। সেইসাথে আপনার বর্তমান ঠিকানাও যুক্ত করবেন। অর্থাৎ, দুটো ভেরিফিকেশন হবে। যদি সেটা সম্ভব না হয়, অর্থাৎ, আপনার ভাড়া বাড়ি ছাড়া নিজের বাড়ি না থাকে তবে এটা অপ্রকাশিত রাখা সাপেক্ষ পৌর কাউন্সিল এর নাগরিক সনদপত্র নিয়ে দেখানো গেলে আশা করি সমস্যা হবে না।

    2. আমি নতুন পাসপোর্ট আবেদন করেছি তাতে এসবি পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়েছে পাসপোর্ট পাওয়ার পরে ভিসা অফিসে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স জমা দিতে বলে তার জন্য কি আমাকে আবার পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হবে অথচ আমার নতুন পাসপোর্ট।

      1. ভিসা অফিসে পুণরায় পুলিশ ভেরিফিকশন করতে আপনি নিজ উদ্যোগে ডিএসবি অফিসে যেতে পারেন। কর্মরত অফিসারের সাথে কথা বলে দ্রুত (১-২ দিনের মাঝে) ক্লিয়ারেন্স পেয়ে যাবেন।

  13. স্যার
    আমার ভোটার আই.ডি তে যে স্থায়ী ঠিকানা দেওয়া ছিল ঐ বাড়িটি বিক্রি করে আমরা নতুন বাড়ি করেছি অন্য একটি থানায়।সেই বাড়ির সকল ডকুমেন্ট আছে এবং ঐ এলাকার নাগরিকত্ব সনদ আছে।
    এখন আমি যদি পাসপোর্ট করি আমার স্থায়ী ঠিকানাটা পরিবর্তিত হবে অর্থ্যৎ ভোটার আই.ডি কার্ডের সাথে স্থায়ী ঠিকানার মিল থাকবে না সেই ক্ষেএে পুলিশ ভেরিফিকেশনে কোনো সমস্যা হবে কি না??
    সঠিক মন্তব্য দিলে উপকৃত হবো..

    1. আপনার নতুন ঠিকানা যদি পূর্ববর্তী ঠিকানার পার্শ্ববর্তী হয়, তাহলে পাসপোর্ট আবেদনে আইডি কার্ড অনুসারে পূর্বের ঠিকানা দিন। পুলিশ স্টেশন থেকে ফোন আসলে তাকে নতুন বাড়ির ঠিকানা দিলেই সমস্যা হবেনা। তবে, যদি আপনার নতুন ঠিকানা পূর্ববর্তী ঠিকানা থেকে দূরে হয় তাহলে, প্রথমে ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করে নিন। অনলাইনে সাতদিনের মাঝেই সফট কপি আপডেট হয়ে যাবে। সফট কপি প্রিন্ট করে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

      1. স্যার
        আমার স্থায়ী ঠিকানার থানা পরিবর্তন হইছে মানে দূরে।
        আর স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন অনলাইনে করা যাচ্ছে না।ম্যানুয়ালি করতে হয় প্রায় ২/৩ মাস লাগে ইউটব ভিডিওতে দেখলাম।এখন আমার পাসপোর্ট করা জরুরী হয়ে পরেছে!!কী করবো?

        1. আপনার নতুন এলাকা থেকে জন্ম সনদ হালনাগাদ করে এবং পৌর কাউন্সিলর নাগরিক সনদপত্র নিয়ে নিকটস্থ উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। তারা আপনাকে জরুরী ভিত্তিতে ভোটার এরিয়া এবং স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করে দিতে পারবেন।

  14. আমার মায়ের NID তে আছে ছেনুআরা। আমার NID তে আছে মায়ের নাম ছেনুআরা বেগম। আমার পাসপোর্ট করতে সমস্যা হবে কি না।

  15. মামলা থাকায় আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন নেগেটিভ ছিল। এখন আমার মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। মামলা নিষ্পত্তির স‌ই মোহর তোলা হয়েছে। এখন আমি কিভাবে পাসপোর্ট পেতে পারি?

  16. আমার স্থায়ী ঠিকানা, এবং বর্তমান ঠিকানা একই জেলায়, শুধুমাত্র থানা টি ভিন্ন যার দূরত্ব ১কিলোমিটার এর মধ্যেই, এক্ষেত্রে পুলিশের ভেরিফিকেশন কি দুই জায়গায় হবে নাকি এক জায়গায়

    1. নিয়ম অনুযায়ী দুই জায়গাতেই হবে। তবে আপনি যদি এখনো পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে না থাকেন, তাহলে আমাদের পরামর্শ হবে আপনার আইডি কার্ডে থাকা ঠিকানা উভয় ঠিকানা (বর্তমান এবং স্থায়ী) হিসেবে ব্যবহার করুন। পুলিশ ভেরিফিকেশনে আসার আগে আপনাকে কল করেই আসবে, তখন আপনি উপস্থিত হলেই চলবে।

  17. আমার বয়স বিশ বছর। আমি যদি পাসপোর্ট করি তাহলে আমি কি শুধু আমার এনআইডি এবং স্কুলস্কুলের সাটিফিকেট দিয়ে করতে পারব?

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।