অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমানে অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও জনপ্রিয় উপায়। বর্তমানে ইন্টারনেটের ছোঁয়ায় মানুষ ঘরে বসেই লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছেন। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে, কর্মজীবী, গৃহিণী প্রায় সব পেশার মানুষই এখন ফ্রিল্যান্সিং করে বাড়তি আয় করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। আর এই ফ্রিল্যান্সিংয়েরই একটি লাভজনক উপায় হচ্ছে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং । 

আপনিও কি অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে ইচ্ছুক?  তাহলে শুরুতেই আপনাকে এ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নিতে হবে। চিন্তার কিছু নেই। আমরাই এই আর্টিকেলে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে আপনাদের বিস্তারিত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

বর্তমানে অনলাইনের ছোঁয়া কেনাকাটার উপরও পরেছে। মানুষ এখন গতানুগতিক বাজারে গিয়ে কিছু কিনে আনার চেয়ে ঘরে বসে নিজেদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতেই বেশি পছন্দ করে।

এই যে বর্তমান সময়ে মানুষ ঘরে বসেই নিজেদের কেনাকাটা করে ফেলতে পারতেছে, এই সুযোগটা কে করে দিয়েছে, বলুন তো? জি, ঠিক ধরেছেন। বর্তমানে অনলাইনকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ই-কমার্স সাইট মানুষকে তাঁদের সব ধরনের কেনাকাটা ঘরে বসেই করার সুযোগ দিচ্ছে। 

এখন ই-কমার্স সাইটের পণ্যগুলো প্রমোট করতে তো মার্কেটারদের প্রয়োজন, তাই না? বিভিন্ন মার্কেটার বা ফ্রিল্যান্সার ই-কমার্স সাইটের পণ্যগুলো বিভিন্ন উপায়ে প্রমোট করে ঐ পণ্যের বিক্রি নিশ্চিত করেন। বিনিময়ে ই-কমার্স সাইট থেকে কমিশন পেয়ে থাকেন। 

এই যে বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটের পণ্য প্রমোট করে বিক্রি করার ব্যবস্থা করে দিয়ে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাচ্ছেন এটাই হচ্ছে মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। 

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? (What is Amazon Affiliate marketing in Bangla) 

আচ্ছা আপনাকে একটা প্রশ্ন করি! বলুন তো, বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট কোনটি? জি, আপনি একদম ঠিক বলেছেন। অ্যামাজন হচ্ছে বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত একটি ই-কমার্স সাইট। 

অনলাইনে কেনাকাটার সাথে জড়িত, অথচ অ্যামাজনের নাম শুনেন নি, এমন মানুষ একজনও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

আমরা ইতোমধ্যেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? এ বিষয়ে আলোচনা করেছি।  

এখন অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে বুঝায় আপনি যখন অ্যামাজনের কোনো পণ্য প্রমোট করে বিক্রি নিশ্চিত করবেন তখন অ্যামাজন থেকে আপনি কমিশন পাবেন।

অর্থাৎ অ্যামাজনের কোনো পণ্য নিয়ে যখন আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে যাবেন, তখন তাকে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হবে।

আচ্ছা আরেকটু সহজ ভাষায় বলি। মনে করুন, অ্যামাজনে দশ ডলারে একটি গুগল হোম মিনি বিক্রি হচ্ছে। আপনার একটি ওয়েবসাইটে ঐ পণ্যটির গুণাগুণ, দাম নিয়ে আলোচনা করলেন।

এখন কেউ যদি আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঐ পণ্যের লিংকে ঢুকে পণ্যটি ক্রয় করে, তবে ঐ পণ্যের মূল্য থেকে আপনি একটি নির্দিষ্ট এমাউন্টের কমিশন পাবেন। 

মূলত এটাই হচ্ছে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। 

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং’ই কেনো বেছে নিবেন?

তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে ই-কমার্স সাইটের কোনো অভাব নেই। তো, এতো এতো ই-কমার্স সাইটের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম রেখে আপনি কেনোই বা অ্যামাজনকে বেছে নিবেন? চলুন এর একটু কারণ খুঁজে নেওয়া যাক।

অ্যামাজন লোগো

আপনি কি কখনও Amazon নামটি খেয়াল করেছেন? এর A থেকে Z এর দিকে একটি তীর চিহ্ন দেওয়া আছে। কেনো বলুন তো? কারণ হচ্ছে অ্যামাজন এমন একটি ই-কমার্স সাইট যেখানে, মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিস নিয়ে সাজানো হয়েছে।

Amazon বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট, যেখানে সব ধরনের প্রোডাক্ট রয়েছে। এখানে এতো এতো প্রোডাক্ট কালেকশন রয়েছে যে,  আপনি আপনার পছনদমতো যেকোনো প্রোডাক্টকে প্রমোট করার সুযোগ পাচ্ছেন।

এখন বলুন তো, অনলাইনে কেনাকাটার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় কোনটি? বিশ্বস্ততা! তাই তো? হ্যাঁ,  একদমই। মানুষ অনলাইনে এমন কোনো সাইট থেকে কেনাকাটা করতে পছন্দ করে, যে সাইটটি ইতোমধ্যেই অধিক মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে নিয়েছে। 

সেক্ষেত্রে অ্যামাজনের বিশ্বস্ততা নিয়ে নিশ্চয়ই কোনো প্রশ্ন নেই!

এটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৪ সালের জুলাই মাসের ৫ তারিখে। যদি সাইটটি মানুষের বিশ্বাস অর্জন না’ই করতে পারতো, তাহলে নিশ্চয়ই এতোগুলো বছর ঠিকে থাকতে পারতোনা, কি বলেন?

সো, অ্যামাজনের কোনো প্রডাক্ট আপনি খুব সহজেই মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারছেন।

এখন আপনার জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপারটা বলবো।

মনে করুন, আপনি অ্যামাজনের একটি পণ্যের (মোবাইল) গুণাগুণ নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিস করলেন। এখন একজন লোক ঐ লিংকটিতে ক্লিক করে অ্যামাজন সাইটটিতে চলে গেলো। কিন্তু লোকটি মোবাইলটি না কিনে অন্য কোনো পণ্য কিনলো।

এমা! তাহলে কি আপনি কমিশন পাবেন? জি, অবশ্যই।  ঐ লোকটি মোবাইল না কিনলেও, যদি আপনার লিংকটিতে প্রবেশ করে যেকোনো পণ্য কিনে তবুও আপনি কমিশন পাবেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে,  ঐ লোকটি ২৪ ঘন্টার মধ্যে যতোগুলো পণ্য কিনবে সবগুলোর জন্যই আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পেয়ে যাবেন।

তো, এতো সুযোগ পাওয়ার পরও যদি বলেন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে অ্যামাজনকে কেনো বেছে নিবেন? তাহলে আমি বলবো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য না।

কিভাবে শুরু করবেন অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং? 

অনেকভাবেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়। সেটা হতে পারে সোশ্যাল সাইটে লিংক শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে, ভিডিও মার্কেটিং, ল্যান্ডিং পেইজ তৈরি করে কিংবা ওয়েবসাইট / ব্লগ বানিয়ে

তবে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট করার সবচেয়ে ভালো এবং লাভজনক উপায় হচ্ছে ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ বানিয়ে মার্কেটিং করা। তবে এই ওয়েবসাইটটি কিন্তু গতানুগতিক আর পাঁচটা ওয়েবসাইটের মতো হলে হবে না। গতানুগতিক ওয়েবসাইট থেকে এটি একটু অন্যরকম হবে।

এখন আপনি যখন অ্যামাজনের কোনো প্রডাক্ট প্রচার এবং প্রসারের জন্য কোনো ওয়েবসাইট বানাবেন এবং আপনার নির্ধারিত পণ্যটি বিক্রির জন্য ওয়েবসাইটে পণ্যটির বিস্তারিত তুলে ধরবেন, তখন ঐ ওয়েবসাইটটিকে বলা হবে অ্যামাজন নিশ সাইট

আপনি অ্যামাজন নিশ সাইট থেকে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।  আপনার মাথায় হয়তো প্রশ্ন আসছে, প্যাসিভ ইনকামটা আবার কী?

তাহলে চলুন সংক্ষিপ্ত করে প্যাসিভ ইনকাম সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক ;

প্যাসিভ ইনকাম 

সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকার পরও যদি ইনকাম হয় সেটাকে প্যাসিভ ইনকাম বলে। অর্থাৎ আপনি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ করে রাখলেন, পরবর্তীতে সেখানে কোনো কাজ না করেও আয় হবে আপনার। মূলত এটাই প্যাসিভ ইনকাম। 

আচ্ছা চলুন, একটা বাস্তব উদাহরণ  থেকে বিষয়টা স্পষ্ট করে নেওয়া যাক। ধরুন আপনি একটি বাসা বানালেন। সেটিকে একটা ফ্যামিলির কাছে ভাড়া দিলেন। তো মাস শেষে আপনি সেখান থেকে বাসা ভাড়া পেয়ে যাচ্ছেন। তাই তো?

এই যে আপনি বাসা বানাতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ করলেন, এরপর ভাড়া দিলেন। এখন কিন্তু আপনাকে আর কোনো বিনিয়োগ করতে হচ্ছেনা বাসাটায়। অথচ মাস শেষে একটা নির্দিষ্ট এমাউন্টের ভাড়া পেয়ে যাচ্ছেন। মূলত এটাই হলো প্যাসিভ ইনকাম। 

অ্যামাজন নিশ সাইট থেকে আয় করবেন যেভাবে

আমরা ইতোমধ্যেই অ্যামাজন নিশ সাইট কী? এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। আপনি যদি অ্যামাজন নিশ সাইট থেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে চান তবে আপনাকে কিছু বিষয়ের উপর ধারণা রাখতে হবে।

আমরা আপনাদের সুবিধার্থে এখানে নিশ সাইট থেকে আয় করতে যেসব বিষয় জানা লাগবে তা স্টেপ বাই স্টেপ তুলে ধরবো। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এ সম্পর্কে ;

১. প্রোডাক্ট সিলেকশন 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে পণ্য নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।  আপনাকে পণ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকতে হবে।

অ্যামাজনে মিলিয়ন মিলিয়ন প্রডাক্ট রয়েছে। কোন পণ্যটি নিয়ে আপনি অ্যমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন? 

এক্ষেত্রে আপনি অ্যামাজনের রিভিউগুলো পড়ে নিতে পারেন। যে পণ্যের রিভিউ সবচেয়ে ভালো এবং বেশি সেটি নিয়ে শুরু করতে পারেন।

সিজনাল প্রডাক্ট নিয়ে কাজ না করাই ভালো। তাহলে আপনার ইনকামটা শুধু ঐ সিজনেই হবে, অন্যসময় না। 

মনে করুন আপনি সুয়েটার নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন। এখন মানুষ তো শুধু শীতেই সুয়েটার ব্যবহার করে। তাহলে আপনার এই প্রডাক্টটি শুধুমাত্র শীতেই বিক্রি হবে। তারমানে আপনি এর থেকে শুধু শীতের সময়টায় ইনকাম করতে পারতেছেন, অন্য সময়ে না।

তাহলে বুঝলেন তো, একটা প্রডাক্ট সিলেকশন করা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ? 

২.  কী-ওয়ার্ড রিসার্চ 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হচ্ছে এই কী-ওয়ার্ড  রিসার্চ।  এই কী-ওয়ার্ড রিসার্চটা আবার কী? 

আমরা সবাই কম বেশি বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন যেমন; গুগল, বিং, ইয়াহু ইত্যাদির সাথে পরিচিত। আমাদের কোনো কিছু জানার হলেই এই সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে গিয়ে সার্চ বারে নিজে যে বিষয়টি জানতে চাই সেটি লিখে ফেলি। 

এই যে আমরা সার্চ বারে যে ওয়ার্ডগুলো লিখে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে চাই ঐ ওয়ার্ডগুলোই হচ্ছে কী-ওয়ার্ড। 

এখন প্রশ্ন হলো, অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট করতে কী-ওয়ার্ড রিসার্চের প্রয়োজন কেনো? আচ্ছা আপনি মনে করুন, অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য অ্যামাজনের একটি পণ্য সিলেক্ট করলেন সেল করার উদ্দেশ্যে। 

এখন আপনি যে প্রডাক্টটি সিলেক্ট করলেন সেই প্রডাক্টি অ্যামাজনে থাকলেও সেটি কেনার মতো কেউ নেই। অর্থাৎ আপনি যে পণ্য সিলেক্ট করলেন সেটি কিনতে মানুষ খুব একটা আগ্রহবোধ করেনা কিংবা সার্চ ইঞ্জিনে এ প্রডাক্ট নিয়ে কেউ তেমন একটা সার্চও করেনা।

এখন মানুষের যদি ঐ পণ্যে কেনার  প্রতি  কোনো আগ্রহই না থাকলো, তাহলে আপনার বাছাই করা পণ্যটি কী আদৌ বিক্রি হবে?

যদি পণ্যটি বিক্রিই না হয়, তাহলে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কি’ই বা পাবেন? আপনার সমস্ত চেষ্টা বৃথা গেলো কি না?

আপনার পরিশ্রম যেনো বৃথা না যায়, এ জন্যই কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন। পণ্য সিলেক্টের পর সেই পণ্যটি আদৌ বিক্রি হবে কি না? কিংবা মানুষ সেটি কিনবে কি না? এই বিষয়গুলো নিশ্চিত হতেই আপনাকে কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে।

কিওয়ার্ড রিসার্চ করার টুলস রয়েছে, এগুলোর সাহায্যে সহজেই এনালাইসস করে নিতে পারবেন।

৩. ডোমেইন হোস্টিং 

আপনার ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কে ধারণা থাকা লাগবে। কেনো?

আচ্ছা মনে করুন আপনি অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য পণ্য সিলেকশনে ল্যাপটপকে বেছে নিলেন। কিন্তু আপনি ডোমেইনের নাম দিলেন কসমেটিকস কিংবা জামা-কাপড়ে রিলেটেড কোনো বিষয়ে। ব্যাপারটা কেমন অস্বাভাবিক হয়ে গেলো না? 

একইসাথে একটি সাইটকে সার্ভারে রাখার জন্য স্টোরেজ দরকার। এজন্য হোস্টিং কিনে ওয়েবসাইট অনলাইনে আনতে হবে।

হোস্টিং কেনার আগে বেশ কিছু বিসয়ে ধারণা নিতে হয়। এ বিষয়ে জানার জন্য আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে ফেলুন।

৪. কন্টেন্ট রাইটিং 

আমরা যেকোন ওয়েবসাইটে ঢুকি কেনো? নিশ্চয়ই কোনো বিষয় জানার জন্য, তাই তো?

আপনার ওয়েবসাইটটি মানুষ ভিজিট করবে, কোনো তথ্য জানার জন্যই তো? তাই কন্টেন্ট রাইটিংটাকে খুব জোর দিতে হবে আপনাকে।

যে বিষয়েই লিখেন না কেনো, তা পড়ে যেনো একজন ভিজিটর স্যাটিসফাইড হতে পারে এ বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।

মনে করুন আপনি মোবাইল নিয়ে একটি নিশ সাইট করলেন। তাহলে আপনার আর্টিকেলটিতে মোবাইলের সমস্ত বর্ণনা থাকতে হবে। একজন কাস্টমার যেনো আপনার আর্টিকেলটি পড়ে ঐ পণ্যটি কিনতে আগ্রহবোধ করে এমনভাবেই আপনাকে পুরো বিষয়গুলো বর্ণনা করতে হবে।

সেইসাথে সার্চ ইঞ্জিন থেকে কাস্টমার পাওয়ার জন্য এসইও অপটিমাইজড আর্টিকেল লিখতে হবে। এজন্য বিভিন্ন ফ্রি এসইও কোর্স এবং পেইড কোর্স রয়েছে, এসব অনলাইন কোর্স করার সাইট থেকে সহজেই ঘরে বসে শিখতে পারবেন।

৫. সিএমএস সম্পর্কে ধারণা

আপনার কন্টেন্ট পাবলিস করার পর নিজের ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হবে। আর্টিকেলটি কোন ফন্টে লিখবেন? কোন কালারে?

হেডিং কী কালারের হবে? ইত্যাদি বিষয়গুলো আপনাকে বিবেচনায় রাখতে হবে।

৬. এসইও

SEO শব্দটি তিন অক্ষরের হলেও এর ব্যপ্তি অনেক। একটি ওয়েবসাইটকে অনপেজ এসইও অপটিমাইজড করে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর নিয়ে আসা হয়।

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, অন্যের ওয়েবসাইটে গেস্ট পোস্ট, ব্যাকলিংক ইত্যাদির মাধ্যমে অফপেজ এসইও করা হয়ে থাকে।

আমরা ইতোমধ্যেই আমাদের ওয়েবসাইটে অনপেজ এসইও সম্পর্কে একটি গাইডলাইন পাবলিস করে ফেলেছি। তাই এই আর্টিকেলে এসইও সম্পর্কে তেমন কিছু বললাম না। আপনি চাইলে সেটি পড়ে নিতে পারেন। 

শেষ কথা

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমানে ফ্রিল্যান্সারদের আয় করার একটি সেরা উপায়। এর মাধ্যমে প্রায় মানুষই ঘরে বসে আয় করছে লাখ লাখ টাকা। অনেকেই বর্তমানে এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংকে নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করছে।

আমরা এই আর্টিকেলে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।

আশা করি, আপনারা এ বিষয়ে ভালো একটা ধারণা পেয়ে যাবেন। এছাড়াও আপনাদের আরও কোনো কিছু জানার থাকলে, আমাদেরকে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।


Adrita Rakhi

জানার আগ্রহ আর লেখালেখির প্রতি ভালোবাসা থেকেই টুকটাক লেখালেখি করি।

0 Comments

মন্তব্য করুন

Avatar placeholder

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

twelve + 6 =

error: Content is protected !!