অনলাইনে ইনকাম ২০২১ : অনলাইনে আয় করার উপায়

অনলাইনে ইনকাম আয়

অনলাইনে ইনকাম ২০২১: বর্তমানে অনেকেই অনলাইনে আয় করার উপায় খুঁজছেন। ২০২০ সালের প্যান্ডেমিক করোনার কারণে অনেকেই ইন্টারনেটে আয় করতে শুরু করেছেন।অনলাইনে ইনকাম করা এখন সময়ের দাবিই হয়ে উঠেছে। অনেকেই জানতে চেয়েছেন ২০২১ সালে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে টাকা আয় করা কী সম্ভব? শুরুতেই বলতে চাই যি, অবশ্যই সম্ভব।

ইন্টারনেটে কাজ করে, অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং করে অনেকেই টাকা ইনকাম করছেন, সফলতার গল্পও আমাদের কম জানা নেই। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কতজন সফল হচ্ছেন! এই পরিসংখ্যানটা আমাদের মনে ভয় জাগিয়ে দেয়।

অনেকেই ছোট ছোট কাজ করে আয় করতে করেন। মোবাইল দিয়ে অনলাইনে আয়, বিকাশ পেমেন্ট, ইন্টারনেট থেকে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় নিয়ে অনেক আর্টিকেল ইতিমধ্যে আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। কিন্তু এসব ছোট ছোট কাজ করে হয়তো হাতখরচ উঠে আসে কিন্তু ক্যারিয়ার গড়া যায়না।

তাই আজকের আলোচনায় শুধুমাত্র বাংলাদেশী সাইট থেকে অনলাইনে ইনকাম কিংবা বিকাশে পেমেন্ট পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবেনা। আজ আমরা কিভাবে স্কিল বেজড কাজ করে কিভাবে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায় সেসব সম্পর্কে আলোচনা করতে চাই।

এই আর্টিকেলে আমরা শুধুমাত্র আয় করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করবো। অর্থাৎ অনলাইনে কি কি কাজ করা যায় সে সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

এসব অপশনের মাঝে আপনি যে উপায়ে কাজ করতে চান তা দিয়ে কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করা যায়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের অন্য আর্টিকেল পড়তে হবে কিংবা গুগল ইউটিউব থেকে শিখতে হবে।

অনলাইনে ইনকাম কেন করবেন?

অনলাইন থেকে টাকা আয় করার উপায় জানার আগে আমাদের নিজেদের কাছে একটা প্রশ্ন রাখা উচিৎ। আমি অনলাইনে কাজ করতে চাই, ভালো কথা! কিন্তু কেন চাচ্ছি?

অফলাইনে নয় কেন? অফলাইনেও তো পার্ট টাইম কাজ করা যায়, ছাত্রদের ইনকাম করার জন্য রয়েছে টিউশনি সুবিধাও। তারপরেও আমি অনলাইনে কাজ করতে আগ্রহী কেন?

যদি এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর পেয়ে থাকেন, তবে আপনি অনলাইনে কজে করে টাকা ইনকাম করার জন্য প্রস্তুত।

অনলাইনে কাজ করে টাকা আয় করার সুবিধা

অনলাইনে আয় করার সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধা যে নেই তা নয়। তবে কিছু কাজ এবং কিছু মানুষের জন্য এটি  আশীর্বাদ স্বরূপ। অনলাইনে কাজের সুযোগ পেয়ে ঘরে বসে থাকা মানুষ নিজের পরিচয় গড়তে পেরেছেন।

বলছিলাম অনলাইনে গৃহিনীদের কাজের সুযোগের কথা। যারা কিনা তাদের সময় ব্যয় করতো টিভি সিরিয়াল দেখে কিংবা বিনা কর্মের কারণে ডিপ্রেশনে ভুগে।

তারা এখন তাদের অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে ফেসবুকে ব্যবসা করে, বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করে অথবা ব্লগ তৈরি করে ব্লগার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

বর্তমানে ইউটিউবে বিভিন্ন সফল বাংলা চ্যানেলের মালিক নারী, যাদের একমাত্র পরিচয় ছিলো House Wife. অনলাইনে টাকা আয় করার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আজ তারা ইউটিউবার, ভ্লগার, ব্লগার, ফ্রিল্যান্সার।

অনলাইনে ইনকাম ২০২১ – ছাত্রদের জন্য

অনলাইনে কাজ করার সুযোগ যে শুধু গৃহিনীদের স্বাবলম্বী করেছে তা কিন্তু নয়। ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার সুযোগও এনে দিয়েছে।

বর্তমানে ছাত্রদের বেশিরভাগের বাবা মার জন্ম আশির দশকের কিংবা তারও পূর্বে। তাদের বেশিরভাগই আমাদের আজকের দিনের প্রযুক্তির সাথে তেমন পরিচিত নয়।

একজন ছাত্রের যতটা মাসিক হাতখরচ প্রয়োজন হয়, বেশিরভাগ বাবা মা-ই আমাদের তা দেয়না। কিন্তু পড়াশোনার ক্ষতি করে কোনো পার্ট টাইম জব করেও টাকা আয় করা সম্ভব না।

এক্ষেত্রে যথোপযুক্ত সমাধান অনলাইনে টাকা ইনকাম। কারণ অনলাইনে কাজ করার জন্য দিনে ২ঘন্টা সময়ও যথেষ্ট হতে পারে। এমনকি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করেও হাতখরচের টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

অনলাইনে ইনকাম ২০২১ : প্যাসিভ আয়

আমরা ছাত্র এবং গৃহীনিদের কথা বললাম। কিন্তু আরো অনেকেই নিজের অবস্থার পরিবর্তন করতে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায়, অনলাইনে আয় করার সাইট খোঁজ করেন।

অফিসে কিংবা দোকানে বসে আমাদের সবসময় কাজ করতে হয়না। অনেক সময়ই আমরা অলস সময় কাটাই, সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় নষ্ট করি।

কিন্তু এই সময়কে অনলাইনে কাজ করার জন্য সঠিকভাবে কাজে লাগালে মোবাইলে অনলাইনে ইনকাম করেও মাস শেষে ভালো একটা প্যাসিভ ইনকাম হতে পারে।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায়

এমনিতে তো অনলাইনে ইনকাম করার বহু উপায় রয়েছে। কিন্তু আমাদের সবার দক্ষতা, ইন্টারেস্ট, কিংবা প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের যোগান সমান নয়। তাই যখন আমরা ইনকাম করার ইচ্ছা পোষন করি, তখন আমাদের যথার্থ কাজ বেছে নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের পাঠকদের মাঝে বেশিরভাগের পেপাল একাউন্ট কিংবা ব্যাংক একাউন্ট নেই, তাদের জন্য অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট পেলে ভালো হয়।

কেউ কেউ আর্টিকেলটি পড়া শুরু করেছেন একবুক আশা নিয়ে যদি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া যায়, যেকাজ করতে সেরকম কোনো স্কিল প্রয়োজন নেই।

আশা করি সকলেই খুশিমনে আর্টিকেলটি শেষ করবেন, অর্থাৎ নিজ নিজ পছন্দের কাজ পেয়ে যাবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক অনলাইনে কাজ করে আয় করার কিছু কার্যকরী উপায়।

অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট: Belancer

আপনি সম্ভবত এটা নাও শুনে থাকতে পারেন যে বাংলাদেশেরও ফ্রিল্যান্সিং সাইট রয়েছে। হ্যা যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে চান কিংবা অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট নিতে চান তাদের জন্য রয়ে Bangladeshi Freelancing site Belancer

বাংলাদেশী এই অনলাইন ইনকাম সাইট থেকে বিভিন্ন ছোট ছোট কাজ থেকে শুরু করে বড় কাজও পাওয়া যায়। তবে বলে রাখি যেহেতু নতুন শুরু করেছে, তাই এখনো কাজের পরিমাণ অপ্রতুল। তবে কাজ বাড়ছে এবং বাইরের দেশ থেকেও প্রজেক্ট আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে বিল্যান্সার টিম। তাই আশা করা যায় ভবিষ্যতে হয়তো আমাদের জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠবে।

বিল্যান্সারে ১০০ টাকার কাজ থেকে ১লাখ টাকার কাজ রয়েছে। ফেসবুক আইডি, পেজ খোলা, বুস্ট করা, আর্টিকেল লেখা, কপিরাইট, বিভিন্নভাবে এ্যাসিস্ট করার মতো সাধারন ও সহজ কাজ থেকে শুরু করে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মতো কাজও পাওয়া যাচ্ছে।

এখানে বেশি পাওয়া যায় সেসব অনলাইন কাজের একটি তালিকা নিচে উল্লেখ করছি:

ভালো খবর হলো এখানে ইন্টারন্যাশনাল মানি ট্রান্সফার সিস্টেম পেপালের পাশাপাশি রয়েছে বিকাশে পেমেন্ট সিস্টেম। তাই আপনার আয় করা টাকা হাতে পাওয়ার অসুবিধা রইলো না।

অনলাইনে আর্টিকেল লিখে ইনকাম

ছাত্র – ছাত্রী কিংবা গৃহিনীদের জন্য ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করার সহজতম পদ্ধতি। ইংরেজির পাশাপাশি বাংলায় আর্টিকেল লিখেও আয় করা যায়।

অনঅইনে আয় আর্টিকেল লিখে

অনলাইনে যারা মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে চান তাদের জন্যও এটি বেস্ট একটা অপশন। আপনি যদি বাংলায় আর্টিকেল লিখতে চান তবে বিভিন্ন পত্রিকায় এবং ব্লগের সাথে যোগাযোগ করে লিখতে পারেন।

অন্যদিকে যদি ইংরেজিতে লিখতে চান তাহলে বিভিন্ন সাইটে গেস্ট পোস্টিং করে প্রতি আর্টিকেলের জন্য ১০০ থেকে ৫০০ ডলার পেতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন ফেসবুক রাইটিং গ্রুপে যোগ দিয়েও কাজ পেতে পারেন।

তবে আপনি যদি ইংলিশ কনটেন্ট রাইটিং এ দক্ষ হন, তাহলে ফ্রিল্যান্স রাইটার হিসেবে ফাইভার, আপওয়ার্কের মতো সাইটে গিগ প্রকাশ করে মাসে লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে সময় বেশি দিতে হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করুন

অনলাইনে করা কাজগুলোর মধ্যে সহজতম এবং অনেক বেশি আয় করার সুযোগ রয়েছে। এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্যের প্রোডাক্ট প্রমোট করে বিক্রি করতে সাহায্য করা।

পণ্যের মালিক বিক্রিত প্রোডাক্টে লাভের একটা অংশ আপনার সাথে শেয়ার করবেন।

আলীবাবা, ই-বে, অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের কারণে এফিলিয়েট মার্কেটিং এখন বিশাল কাজের ক্ষেত্র। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছোট করে কাজ করার পাশাপাশি এত বেশি ইনকামের সুযোগ রয়েছে যে হাজার হাজার ওয়েবসাইট রয়েছে শুধু এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করবেন সেসম্পর্কে এখানে আর বলছিনা, এটার জন্য কোর্সও করা যায়। তবে মোটামোটি ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করা যায়, সেক্ষেত্রে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টিউটোরিয়ালটি পড়ুন।

আপনি যদি এফিলিয়েট প্রোগামে যোগ দিয়ে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে চান বাংলাদেশী সাইট থেকে তবে বাংলাদেশী এফিলিয়েট মার্কেট সাইটগুলো দেখে নিন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করুন

আপনি যদি খুব কম সময়ও অনলাইনে থাকেন তারপরেও ১ঘন্টার বেশি সময় social Media তে থাকেন নিশ্চয়ই। অনেকে তো দৈনিক ৬-৭ ঘন্টাও ব্যয় করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নষ্ট করা এই সময়কে কাজে লাগিয়েই আপনি টাকা ইনকাম করতে পারেন। বিশ্বাস হচ্ছেনা বুঝি! আচ্ছা সমস্যা নেই, আপনি নিজেই বিস্তারিত জানার পর চিন্তা করে দেখুন আমি সত্যি বলছি কিনা!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টেলিগ্রাম ও টুইটার। প্রতিটি মিডিয়ায় আয় করার ভিন্ন ভিন্ন কার্যকরী উপায় রয়েছে, যা আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছি।

সফল হওয়ার জন্য দরকার স্মার্ট আইডিয়া, অধ্যবসয় এবং ধৈর্য্য। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য থাকলে আপনিও সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ছবি বিক্রি করে অনলাইনে টাকা আয়

আপনি হয়তো জেনে খুশি হবেন যে আপনার ক্যাপচার করা ছবিগুলোর জন্যও টাকা ইনকাম করা যেতে পারে। ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার এই পদ্ধতিটি সম্ভবত খুব সহজ হবে।

ছাত্র জীবনে আমরা নিয়মিতই এখানে সেখানে ঘুরতে যাই। তাই প্রাকৃতিক দৃশ্য খুঁজে পাওয়া সমস্যা নয়। সুযোগ রয়েছে Model Photograph বিক্রি করারও।

আপনি যদি কোনো ইভেন্ট ফটোগ্রাফি করে আয় করতে না চান, তাহলেও শখের ফটোগ্রাফি থেকে আয় আসা বন্ধ হবেনা।

অনেকেই প্রশ্নে করেন, ভাই মোবাইলে তোলা ছবি কী বিক্রি হবে? যি, মোবাইলে তোলা ছবি বিক্রি করে অনলাইনে ইনকাম করা যায়।

জনপ্রিয় ছবি বিক্রি করার সাইট:

  • 500px
  • Shutterstock
  • iStock Photo
  • Getty Images
  • Can Stock Photo
  • Adobe Stock
  • Depositphotos
  • Foap
  • Pixieset

পডকাস্ট তৈরি করে ইনকাম করুন

পডকাস্ট কি জানেন? অডিও ফাইল রেকর্ড করে অন্যান্যদের সাথে শেয়ার করার প্রক্রিয়াকে পডকাস্টিং বলা হয়। যে অডিও ফাইলটি শেয়ার করা হলো সেটিই পডকাস্ট।

পডকাস্ট বানিয়ে অনলাইনে টাকা আয়

সুবিধা হলো এটি করতে আপনার সময় খুব কম প্রয়োজন হবে এবং মোবাইলেই তৈরি করতে পারবেন। ভালো কোনো আইডিয়া নিয়ে আগাতে পারেন।

হতে পারে আপনি ভালো গল্প জমাতে পারেন, কিংবা কোনো বস্তুগত আলোচনা করতে পারেন কিংবা কোনো গানও হতে পারে পডকাস্ট এর বিষয়বস্তু।

পডকাস্টিং করে প্রচুর আয়ের সুযোগ রয়েছে। অডিয়েন্স তৈরি হয়ে গেলে আপনি নিজেই ব্রান্ড হিসেবে তৈরি হয়ে যাবেন। কন্ঠ ভালো থাকলে, অডিয়েন্সকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতা থাকলে পডকাস্টিং এ সফল হতে পারবেন।

পডকাস্টিং করে ইনকাম করার উপায় নিয়ে আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছি, আপনি আগ্রহী হলে বিস্তারিত জেনে নিয়ে পডকাস্ট পাবলিশ করা শুরু করতে পারেন।

অনলাইন কোর্স তৈরি করে টাকা আয়

আমরা সবাই কোনো একটি কাজে দক্ষ। আপনি জানুন আর নাই জানুন আপনার মাঝেও কোনো না কোনো দক্ষতা রয়েছে। খুঁজে দেখুন যদি এমন কোনো দক্ষতা থাকে যা অনলাইনে শেখানো সম্ভব।

যদি খুঁজে পান তাহলে বিভিন্ন অনলাইন কোর্স সাইটে গিয়ে কোর্স পাবলিশ করতে পারেন। বাংলাদেশেও এমন সাইট রয়েছে যেখানে কোর্স পাবলিশ করা যায়। যেমন-  বহুব্রীহি

প্রতিটি কোর্সের ফি ১০০০ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত রাখার সুযোগ রয়েছে।

অনলাইন টিউটর

বর্তমানে অনলাইন টিউটর প্রফেশন হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশী সাইট। যেখানে নিজের শিক্ষক প্রোফাইল তৈরি করে স্টুডেন্ট পেয়ে যেতে পারেন।

একাডেমিক বিষয়েই যে শুধু পড়ানো যায় বিষয়টা মোটেই এমন নয়। অনলাইনে শেখানো সম্ভব এমন সবকিছু নিয়েই টিউটরিং করা যায়। কিছু প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে শিক্ষক প্রোফাইল খোলার জন্য আপনার দক্ষতার টেস্ট দিতে হবে।

কিছু অনলাইন টিউটর প্রাটফর্ম:

  • teacheron.com
  • onlinesohopathi.com
  • tutor.com (আন্তর্জাতিক)

বাংলাদেশী প্লাটফর্মে প্রতি ঘন্টায় ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পাবেন। বিদেশী স্টুডেন্ট পড়ালে ৫-১০ ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন।

ই-বুক লিখে আয়

বর্তমানে আমরা বই পড়ার চেয়ে ই-বুক বেশি পড়ি। এগুলোর দাম বই এর চেয়ে কম হওয়ায় মানুষ আরো বেশি আগ্রহী হচ্ছে। আপনিও যদি লেখালেখি করে অনলাইনে ইনকাম করতে চান, তবে লিখে ফেলতে পারেন একটি ই-বুক।

ই বুক লিখে আয়

বর্তমানে ইবুক রিডার কিনডেল প্রচুর জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিনডেল ডিভাইসটি ই-বুক পড়ায় নিয়ে এসেছে এক অন্য রকম প্রিমিয়াম ফিল।

লেখার টপিক যেকোন কিছুই হতে পারে, উপন্যাস বড় গল্প, কবিতা কিংবা অন্য কিছু। লিখতে পারেন কোনো টিউটোরিয়াল সিরিয়ালও। মানুষ টাকা দিয়ে পড়বে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে টপিক সিলেক্ট করুন।

তবে বেশি আয় করার জন্য ইংরেজিতে লেখাই ভালো। কারণ বাঙালীরা ই-বুক কিনে পড়তে অতটা আগ্রহী এখনো হয়নি।

গড়ে প্রতিটি কিনডেল ই-বুক এর দাম ১০ ডলার।

ব্লগিং করে টাকা ইনকাম

লেখালেখি করার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই রয়েছে। কেউ ফেসবুকে লিখি কেউবা ডায়েরীতে অথবা অন্য কারো ব্লগে টাকার বিনিময়ে কিংবা ফ্রিতে।

কিন্তু টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়গুলোর মধ্যে একটি ব্লগে লেখালেখি করা। আরো ভালো খবর হলো আপনি মাত্র ৫ মিনিটে নিজের জন্য একটি ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারেন যেখানে ২মাসের মধ্যে টাকা ইনকাম শুরু হয়ে যেতে পারে।

জনপ্রিয় ব্লগিং প্লাটফর্মগুলোর মধ্যে রয়েছে ফ্রি হোস্টিং সুবিধা সম্পন্ন গুগল ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস। গুগলের এডসেন্স এপ্রুভাল নিয়ে ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে, এফিলিয়েট মার্কেটিং করে এবং আরো বিভিন্ন উপায়ে একটি ব্লগ সাইট থেকে টাকা ইনকাম করা যায়।

অনলাইনে টাকা আয় করার উপায়

এতক্ষন আমরা তুলনামূলক সহজ কাজের কথা আলোচনা করেছি। এখন আমরা অনলাইনে ইনকাম করার যেসব উপায় বলতে যাচ্ছি তা তুলনামূলক স্কিল বেজড।

এসব কাজের জন্য আপনার স্কিল থাকতে হবে, অথবা অনলাইনে টাকা উপার্জন করতে যাওয়ার আগে নিজের স্কিল ডেভেলপ করে নিতে হবে।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করে অনলাইনে ইনকাম

অনলাইনের যুগে গুগলে সার্চ করে এক সাইট থেকে আরেক সাইটে আমরা ভিজিট করছি, কিন্তু এসব সাইট তো আর এমনি এমনি গুগলে চলে আসে নাই।

অনলাইনে ইনকাম ওয়েব

এসব সাইট সামনে নিয়ে আসার জন্য পিছনে একজন রয়েছেন যিনি সাইটটি  তৈরি করেছেন, আস্তে আস্তে ডেভেলপ করেছেন তাকেই আমরা ওয়েব ডেভেলপার বলছি। ওয়েব ডেভেলপমেন্টে এখন জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ।

এছাড়া এই পেশায় রয়েছে মাসিক কন্ট্রাক্ট কিংবা পার্মানেন্ট জব করার সুযোগ, যা ঘরে বসে অনলাইনেই করা যায়। কারণ, প্রতিটি সাইটের দেখাশোনা করার জন্য একজন ওয়েব ডেভেলপার সবসময়ই প্রয়োজন হয়। একজন ওয়েব ডেভেলপার ৫-৬টি বা তারও বেশি সাইটের সাথে কন্ট্রাক্ট রাখতে পারেন।

প্রতিদিন হাজার হাজার সাইট অনলাইনে আসছে, তাই ওয়েব ডেভেলপারের চাহিদাও বাড়ছে। যতদিন ইন্টারনেট থাকবে, ওয়েব ডেভলপারের চাহিদাও থাকবে।

এছাড়া ওয়ার্ডপ্রেস থিম, প্লাগইন, ব্লগার থিম ডেভেলপ করেও আজীবন অনলাইন থেকে ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে। একটি ওয়ার্ডপ্রেস থিমের গড় মূল্য ৩০ থেকে ৬০ ডলার, ব্লগার থিমের দাম ১০-৩০ ডলার। একবার ভালো কোনো কিছু ডেভেলপ করলেই বসে বসে পকেটে টাকা আসতে থাকবে।

একজন পূর্ণাঙ্গ ওয়েব ডেভেলপার হতে ৬ মাস থেকে ১ বছর কিংবা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে অনলাইনে আয়

ওয়েব সাইট ডেভেলপমেন্টের সাথে সাথে গ্রাফিক্স ডিজাইন সেক্টরও বেশ বড় হয়ে যাচ্ছে। ডিজাইনের উপর নির্ভর করে ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার চুক্তিও হতে পারে।

বর্তমানে অনলাইনে থাকা ওয়েবসাইটের মাঝে ৩৪% এর উপর সাইট তৈরি করা হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে। এসব সাইটের ডিজাইন, বিজ্ঞাপন, লোগো ডিজাইনের কাজ করতে হয়।

কোম্পানীর বিভিন্ন প্রমোশন, ক্যালেন্ডার, বিজ্ঞাপন, বুক কভার ডিজাইন প্রভৃতি কাজ করে অনলাইনে ইনকাম করেন একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার। দেখে নিন গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে ইনকাম করার ১০টি উপায়

এছাড়া ব্লগার থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিমের ডিজাইন করে আয় করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য।

অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট করে

এখন মানুষ ওয়েবসাইটের চেয়ে অ্যাপস একটু বেশিই পছন্দ করে। তাই ওয়েবসাইট মালিকেরাও অ্যাপস তৈরি করে নিচ্ছেন বাজারে টিকে থাকার জন্য। এছাড়া বিভিন্ন কাজের জন্যও অ্যাপস জরুরী।

যদি অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করা শিখতে পারেন তবে দুইভাবে আয় হবে। প্রথমত, নিজের অ্যাপস গুগলে রেখে গুগল এডমব থেকে ইনকাম কিংবা বিভিন্ন পেইড সাবস্ক্রিপশন থেকে অনলাইনে আয়। দ্বিতীয়ত, ক্লায়েন্টদের অ্যাপস ডেভেলপ করে দিয়ে পেমেন্ট পাবেন।

অ্যাপস ডেভেলপ করার জন্য অবশ্যই দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এজন্য ফ্রি অনলাইন কোর্স করার সাইট কিংবা পেইড কোর্স করে শিখতে পারেন।

ছোট ছোট অ্যাপস তৈরি করা শিখতে ৩মাসই যথেষ্ট হতে পারে। তবে ভালো অ্যাপ ডেভেলপার হতে সময় এবং চর্চার প্রয়োজন।

একজন ডেভেলপার প্রতি অ্যাপের জন্য ৫০০০ থেকে ১লাখ টাকা কিংবা তারও বেশি পেমেন্ট পেয়ে থাকেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে ইনকাম

বর্তমানে ওয়েবপেজের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে কনেটেন্ট Rank নিয়েও সুস্থ্য প্রতিযোগিতা চলছে। যতদিন যাচ্ছে এটি আরো বেশি কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

গুগল, বিং, ইয়াহুর মতো সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ লিস্টের প্রথম পেজে নিয়ে আসার জন্য আর্টিকেলকে বিভিন্নভাবে অপটিমাইজ করতে হয়। একটি ওয়েবসাইটকে Rank করানোর জন্য On Page SEO, Off Page SEO ’র গুরুত্ব অপরিসীম।

এই কাজটি ভালোভাবে শিখে বিভিন্ন সাইট এসইও করার কাজ পেতে পারেন। প্রতিটি সাইট অপটিমাইজ কনট্রাক্ট এ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ কিংবা তারও বেশি টাকা ইনকাম করতে পারেন।

ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট

ভার্চুয়াল এসিসট্যান্ট

বর্তমানে ওয়েবসাইটের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে নিত্য নতুন সার্ভিস যুক্ত হচ্ছে। এই যেমন এখন কোনো ভিজিটর সাইটে এসে কোনো সমস্যায় পরলে তাকে হেল্প করা যায়।

বিশেষ করে যেসব ওয়েবসাইটে পেইড সেবা দেওয়া হয় কিংবা কোনো বিজনেস সাইটের প্রোডাক্ট সম্পর্কিত তথ্য দেওয়ার জন্য সার্বক্ষনিক কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস দেওয়া হয়।

এজন্য প্রয়োজন একজন দক্ষ ভার্চুয়াল এসিসট্যান্ট। বিভিন্ন কাস্টমার চ্যাট অ্যাপসগুলো এধরনের কর্মী নিয়োগ করে তাদেরকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দায়িত্ব দেয়। যেমন tawk.to কাজ পেতে এপ্লাই করা যায়।

এছাড়াও ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট হিসেবে অনলাইনে ইনকাম করা যায় এমন আরো অনেক কাজ রয়েছে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কিংবা ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকেও এই কাজ পেতে পারেন।

দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর প্রতি ঘন্টায় ৫ থেকে ১০ ডলার পর্যন্ত চার্জ করতে পারেন।

ই-কমার্স বিজনেস করে টাকা আয়

অনলাইনে কেনাকাটা এখন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আপনিও যদি অনলাইন থেকে আয় করতে চান তাহলে, একটি ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন।

একটি ইকমার্স ব্যবসা শুরু করতে শুধুমাত্র সকল সুবিধা সমৃদ্ধ ভালোমানের একটি ওয়েবসাইট প্রয়োজন। সেই সাথে বিজ্ঞাপনের জন্য এবং অন্যান্য কাজের জন্য আরো ৩০ হাজার টাকা হাতে রাখা।

সব মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকাতেই একটি ইকমার্স ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। কারণ এমন অনেক ই-কমার্স প্রোডাক্ট রয়েছে যেগুলো অর্ডার পাওয়ার পরে কিনে ডেলিভারী করা যায়।

তবে যদি আপনি বই কিংবা ই-বুকের মতো ব্যবসা শুরু করেন, সেক্ষেত্রে এতো টাকারও প্রয়োজন হবেনা। আস্থা অর্জন করতে পারলে আপনার ব্যবসা এমনিতেই সামনে এগিয়ে যাবে।

অনলাইনে টাকা ইনকাম ইউটিউব থেকে

ইউটিউব নিয়ে আলোচনা করার কিছু নেই। একটি ইউটিউব চ্যানেল দিয়ে কি কি করা যায় তা আপনি অবশ্যই জানেন। এমন অনেক পাঠক হয়তো আছেন যিনি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করে ব্যর্থ হয়েছেন।

ইউটিউবে সফল হওয়ার জন্য আমরা ভিডিও কোয়ালিটির দিকে শুধু নজর দেই, ‍কিন্তু বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ কনটেন্ট এর দিকে।

নতুন ইউটিউবারদের কমন প্রশ্ন ইউটিউব চ্যানেলে ভিউ আসছেনা, ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবার বাড়াবো কিভাবে?

বেশিরভাগ নতুন ইউটিউবার যে ভুলটি করে তা হলো কোনো কমন নিস কিংবা টেকনোলজি নিস নিয়ে কাজ করতে চান, কিন্তু এসব টপিকে অনেক বড় বড় চ্যানেল তৈরি হয়ে গেছে, তাই সফলতা পাওয়া অনেক কঠিন হয়ে পরে।

কিছুদিন হলো নতুন একটি আইডিয়া অডিও বুক নিয়ে একদল ইউটিউবার কাজ শুরু করেছিলেন এবং খুব দ্রুতই সফল হয়েছেন। নতুন কিছু চেষ্টা করুন, দ্রুত সফলতা পাবেন। কোন টপিকের ডিমান্ড বেশি তা চিন্তা করে নিস সিলেক্ট করলে দ্রুত হতাশ হয়ে যাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে ইনকাম

ফ্রিল্যান্সিং কি আসলে বলুনতো! ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করার কাজ? উহু, একদমই না।

কারো অধীনে নিযুক্ত না থেকে যে কাজে আপনি ইচ্ছা হলে করবেন, ইচ্ছা না হলে করবেন না সেই স্বাধীনতা রয়েছে, এমন যেকোনো অনলাইন ভিত্তিক কাজ করাকেই ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়। যিনি এধরনের কাজ করেন তাকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়।

ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম

বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট সাইটগুলোতে নিজেদের গিগ প্রকাশ করে কাজের খোঁজ করেন। এছাড়া প্রসিদ্ধ হওয়ার পর নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করে কাজ পেয় থাকেন।

ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় কোম্পানীও তাদের উপর আস্থা রাখতে পছন্দ করছে। কারণ তাদের এককালীন পেমেন্ট দিলেই হচ্ছে। প্রতিমাসে পেমেন্ট দিয়ে রাখার দরকার হচ্ছেনা। অর্থাৎ খরচ কমে যাচ্ছে।

এদিকে আমাদের দেশের মতো বেকার সমস্যায় আক্রান্ত দেশের যুবক যুবতীরা অন্যান্য দেশ থেকে কাজের সুযোগ পেয়ে স্বাবলমম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। it’s a win win game!

উপরে আমরা আর্টিকেল লেখা, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এসইও, ওয়েব ডেভেলপমমেন্ট নিয়ে কথা বলেছি। সবগুলো কাজই ফ্রিল্যান্সার হিসেবেও করা যায়।

ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলো প্রতিদিনই কাজের অপশন বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। একটি ফেসবুক কভার পেজ তৈরির কাজ থেকে শুরু করে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট পর্যন্ত অনলাইনে করা যায় এমন প্রায় সব কাজই ফ্রিল্যান্সিং সাইটে পাওয়া যায়।

তাই আপনিও একবার ঘুরে দেখুন আপনার জন্য কোনো কাজ আছে কিনা!

জনপ্রিয় কিছু ফ্রিল্যান্সিং সাইট;

  • ফাইভার
  • আপওয়ার্ক
  • ফ্রিল্যান্সার
  • গুরু
  • মাইক্রোওয়ার্কার্স, ইত্যাদি।

ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এবং ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করতে হয়, এ বিষয়ে আমাদের টিউটোরিয়ালটি পড়ে নিতে পারেন।

শেষ কথা

আজকের আর্টিকেলে অনলাইনে ইনকাম করার ১৮টি উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। ইন্টারনেটে সার্চ করলে আপনি অনেক লেখা পেয়ে যাবেন, যেখানে আরো উপায় দেওয়া আছে। যেমন- অ্যাপ রেফার করে, ভিডিও দেখে, বিজ্ঞাপন দেখে, সার্ভে করে অনলাইনে আয় করার সুযোগ, ইত্যাদি।

এসব উপায় থেকে আয় করা যায় তবে, তা কিন্তু কোনোভাবেই যথেষ্ট উপার্জনের সুযোগ দেয়না। আর্টিকেলের শুরুতেই বলেছিলাম আমরা আজ অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় নিয়ে আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকবোনা। তাই আপনাদেরকে এমনসব কাজের সাথে পরিচয় করে দিলাম, যা করে সত্যিকার অর্থেই স্বাবলম্বী হওয়া যায়।

আশা করি আমাদের আজকের আর্টিকেল থেকে অনলাইনে ইনকাম করার সঠিক উপায় আপনি খুঁজে পেয়েছেন, যা আপনার ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে সাহায্য করবে।

অনলাইনে ইনকাম করার অন্য কোনো ইনোভেটিভ আইডিয়া থাকলে আমাদের সাথে শেয়ার কথা ভুলবেননা কিন্তু।

pratiborton@gmail.com | Website | + posts

বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে অধ্যয়নরত। জানার আগ্রহ থেকে whyorwhen এবং Pratiborton এ লেখালেখি করি।

4 thoughts on “অনলাইনে ইনকাম ২০২১ : অনলাইনে আয় করার উপায়”

    1. অসংখ্য ধন্যবাদ Mahmodul Hasan ভাই। আপনার মন্তব্য আমাদেরকে নিশ্চিতভাবেই অনুপ্রাণিত করবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *